ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী Logo সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo আলী খামেনির জানাজায় কেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ছিলেন না Logo আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় তিন ছেলে, আসতে পারলেন না মোজতবা খামেনি

এবার মিয়ানমায়তেও রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ পাওয়া গেয়েছে।

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৬৮ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  সোমবার (২৫ নভেম্বর) এমন তথ্য জানিয়ে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী সচিব থিমাস দি নান্নো। রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারে বিশ্বব্যাপী নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ১৯৮০’র দশক থেকে মিয়ানমার এমন অস্ত্র মজুদ করছে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার নেদারল্যান্ডের হেগে রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা বা ওপিসিডব্লিউ (Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons) এর সদর দফতরে এ তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমারে ঐতিহাসিকভাবে রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ থাকতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় এ দেশটিতে এখনও মাস্টার্ড গ্যাস উৎপাদিত হয়ে থাকতে পারে।

মিয়ানমার আনুষ্ঠানিকভাবে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে (সিডাব্লুসি) যোগ দিয়েছে। যার ফলে তাদের ২০১৫ সাল থেকে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, সঞ্চয় এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ করার কথা।

ওয়াশিংটনের তথ্য বলছে, মিয়ানমার ১৯৮০’র দশকে একটি রাসায়নিক অস্ত্র প্রোগ্রাম করেছিল, যার মধ্যে একটি রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, মিয়ানমার তার অতীত রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে এবং রাসায়নিক অস্ত্রগুলো নষ্ট না করে সিডাব্লুসি’র আইন অমান্য করছে।
এর আগেও মিয়ানমার এ জাতীয় অস্ত্র সংরক্ষণ ও ব্যবহারের অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছিল।

২০১৩ সালে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে পুলিশ দেশটির উত্তরের একটি তামার খনিতে বিক্ষোভকারীদের দমাতে ফসফরাস গ্যাস ব্যবহার করেছিল। যার ফলে বিক্ষোভকারীরা গুরুতর দগ্ধ হয়েছিলেন।

২০১৪ সালের জুলাইয়ে মিয়ানমারের পাঁচ সাংবাদিককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কারণ তারা সামরিক বাহিনীর রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন করার ব্যাপারে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন।

মার্কিন কর্মকর্তা এ বলেন, ইস্যুটি নিয়ে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকার ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করেছে ওয়াশিংটন। অস্ত্র ধ্বংস করতে মিয়ানমারকে সহায়তা করার জন্যও প্রস্তুত আমরা।

মিয়ানমার রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের ১৯১তম রাষ্ট্রীয় পার্টি। ১৯৯৭ সালে এটি কার্যকর হয়েছিল, মিয়ানমারে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে কিনা তা ওপিসিডব্লিউ দ্বারা তদারকি করা হয়।

২০০৫ সালে লন্ডন ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস গ্রুপ ক্রিশ্চিয়ান সলিডারিটি ওয়ার্ল্ডওয়াইড অভিযোগ করেছিল, সাবেক সামরিক জান্তা কারেন সম্প্রদায়ের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার

এবার মিয়ানমায়তেও রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ পাওয়া গেয়েছে।

আপডেট এর সময় : ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  সোমবার (২৫ নভেম্বর) এমন তথ্য জানিয়ে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী সচিব থিমাস দি নান্নো। রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারে বিশ্বব্যাপী নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ১৯৮০’র দশক থেকে মিয়ানমার এমন অস্ত্র মজুদ করছে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার নেদারল্যান্ডের হেগে রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা বা ওপিসিডব্লিউ (Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons) এর সদর দফতরে এ তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমারে ঐতিহাসিকভাবে রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ থাকতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় এ দেশটিতে এখনও মাস্টার্ড গ্যাস উৎপাদিত হয়ে থাকতে পারে।

মিয়ানমার আনুষ্ঠানিকভাবে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে (সিডাব্লুসি) যোগ দিয়েছে। যার ফলে তাদের ২০১৫ সাল থেকে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, সঞ্চয় এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ করার কথা।

ওয়াশিংটনের তথ্য বলছে, মিয়ানমার ১৯৮০’র দশকে একটি রাসায়নিক অস্ত্র প্রোগ্রাম করেছিল, যার মধ্যে একটি রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, মিয়ানমার তার অতীত রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে এবং রাসায়নিক অস্ত্রগুলো নষ্ট না করে সিডাব্লুসি’র আইন অমান্য করছে।
এর আগেও মিয়ানমার এ জাতীয় অস্ত্র সংরক্ষণ ও ব্যবহারের অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছিল।

২০১৩ সালে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে পুলিশ দেশটির উত্তরের একটি তামার খনিতে বিক্ষোভকারীদের দমাতে ফসফরাস গ্যাস ব্যবহার করেছিল। যার ফলে বিক্ষোভকারীরা গুরুতর দগ্ধ হয়েছিলেন।

২০১৪ সালের জুলাইয়ে মিয়ানমারের পাঁচ সাংবাদিককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কারণ তারা সামরিক বাহিনীর রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন করার ব্যাপারে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন।

মার্কিন কর্মকর্তা এ বলেন, ইস্যুটি নিয়ে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকার ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করেছে ওয়াশিংটন। অস্ত্র ধ্বংস করতে মিয়ানমারকে সহায়তা করার জন্যও প্রস্তুত আমরা।

মিয়ানমার রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের ১৯১তম রাষ্ট্রীয় পার্টি। ১৯৯৭ সালে এটি কার্যকর হয়েছিল, মিয়ানমারে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে কিনা তা ওপিসিডব্লিউ দ্বারা তদারকি করা হয়।

২০০৫ সালে লন্ডন ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস গ্রুপ ক্রিশ্চিয়ান সলিডারিটি ওয়ার্ল্ডওয়াইড অভিযোগ করেছিল, সাবেক সামরিক জান্তা কারেন সম্প্রদায়ের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে।