1. rajubdnews@gmail.com : admin :
  2. newsvob57@gmail.com : News VOB : News VOB
সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রণবীরের হাঁটুর বয়সি নায়িকা সারাকে কতটা চেনেন? ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত ঘাতক গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রিজওয়ানা হাসান তথ্য, আসিফ নজরুল ক্রীড়া ও আদিলুর এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় মোদির উদ্বেগ, সহায়তার প্রস্তাব অভিনব কায়দায় ইয়াবা বহনকালে ৭৮০০ পিস ইয়াবাসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন MTFE কেলেঙ্কারির তথ্য জানতে চাইছে CID ভুক্তভোগীদের রিপোর্ট করার জন্য বেশ কয়েকটি চ্যানেল উপলব্ধ সাইবার পুলিশ সেন্টার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা উচিত আজ আমার প্রিয় মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী।

গোপন কারাগারের নিউক্লিয়াস ছিলেন শেখ হাসিনা: তাজুল ইসলাম

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৩ বার পঠিত হয়েছে
   অনলাইন ডেস্কঃ  সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত ১৬ বছর ধরে গোপন কারাগারের নিউক্লিয়াস ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে গোপন কারাগারে গুম, নির্যাতন, খুনের সঙ্গে নিউক্লিয়াস ‘শেখ হাসিনা’ জড়িত। এসব কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা সরাসরি পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) তিনি এ কথা বলেন। আইসিটি চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি করা হয়েছে সেসবের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেটি জানাতে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন আদালত।

এদিকে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার পরও তিন মাস দেশে অবস্থান করে কীভাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দেশের সীমানা অতিক্রম করেছেন তা জানতে চেয়েছেন আদালত। সেজন্য পুলিশের আইজিপিকে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল।

তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশে গত তিন মাস ছিলেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরে বাংলাদেশের কোথায় তিনি কীভাবে ছিলেন এবং কেন তাকে গ্রেফতার করা হয়নি বা তিনি কীভাবে পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম করেছেন, এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খ রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একটি ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে এই ব্যাখ্যা যেন দেওয়া হয় সেটি জানানোর জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্ত শেষ হতে একটি যুক্তিসঙ্গত সময় লাগবে। আমরা চেষ্টা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার। যদি কেউ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও কাউকে পালাতে সাহায্য করেন তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আপনার স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © News Voice of Bangladesh
Theme Customized BY LatestNews