1. rajubdnews@gmail.com : admin :
  2. newsvob57@gmail.com : News VOB : News VOB
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রণবীরের হাঁটুর বয়সি নায়িকা সারাকে কতটা চেনেন? ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত ঘাতক গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রিজওয়ানা হাসান তথ্য, আসিফ নজরুল ক্রীড়া ও আদিলুর এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় মোদির উদ্বেগ, সহায়তার প্রস্তাব অভিনব কায়দায় ইয়াবা বহনকালে ৭৮০০ পিস ইয়াবাসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন MTFE কেলেঙ্কারির তথ্য জানতে চাইছে CID ভুক্তভোগীদের রিপোর্ট করার জন্য বেশ কয়েকটি চ্যানেল উপলব্ধ সাইবার পুলিশ সেন্টার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা উচিত আজ আমার প্রিয় মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী।

জার্মানির ছোট দলগুলোকে অনুদান দেয় সরকার

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৭১ বার পঠিত হয়েছে

নির্বাচনী প্রচারণার জন্য অনেক টাকার দরকার হয়।  পোস্টার, টিভি বিজ্ঞাপন আর সভা-র‌্যালি আয়োজনের খরচ জোগাড় করা বড় দলগুলোর জন্য সহজ।  কিন্তু ছোট দলগুলো যাতে পিছিয়ে না থাকে, সেজন্য সহায়তা করে জার্মান সরকার।

ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানির বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য নানাভাবে অর্থ পেয়ে থাকে।  বিভিন্ন দলের সদস্যরা দল থেকে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেন, যা বাধ্যতামূলক।  পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও আলাদাভাবে দান গ্রহণের সুযোগ আছে।  তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কিংবা লবি গ্রুপের এই দান গ্রহণ করতে গিয়ে অনেক সময় রাজনৈতিক দলগুলো চালাকির আশ্রয় গ্রহণ করে।

জার্মান আইন অনুযায়ী, একটি দলকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ৫০ হাজার ইউরোর বেশি অর্থ দান করলে সেটা ঘোষণা করতে হয়।  অর্থাৎ দলটি কার কাছ থেকে একবারে এই টাকা পেয়েছে, সেটা জনগণ যাতে জানতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হয়।  কিন্তু এই আইনে একটা ফাঁক রয়ে গেছে।  সেটা হচ্ছে, পঞ্চাশ হাজার ইউরো বা তার নিচে যদি দান করা হয়, তাহলে সেটা আলাদাভাবে জানাতে হয় না।

নিজেদের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে জার্মানির অনেক প্রতিষ্ঠান তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে একবারে টাকা না দিয়ে বছরজুড়ে টাকা দেয়।  এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান তার পছন্দের দলকে বড় অংকের টাকা নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য দিতে পারে।  সুবিধা হচ্ছে, এতে করে প্রতিষ্ঠানটির রাজনৈতিক আনুগত্যের ব্যাপারটি সাধারণ মানুষ জানতে পারে না।
এর একটি নেতিবাচক দিক আছে।  আর তা হচ্ছে, একটি দল এভাবে অর্থ সংগ্রহ করে ক্ষমতায় যাওয়ার পর যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছে, তাদের জন্য সুবিধাজনক কাজ করার একটা দায়বদ্ধতা তৈরি হয়।  সাধারণ ভোটারদের সেটা না জানিয়ে করা হলে তা এক ধরনের প্রতারণার মধ্যেই পড়ে।

ফলে জার্মানির এই আইন পরিবর্তনের দাবিও উঠেছে কোনো কোনো মহল থেকে। তাদের কথা হচ্ছে, আইনটা এমনভাবে করা হোক যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো দলকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ইউরোর বেশি দিতে না পারে।  পাশাপাশি কেউ যাতে বেনামে কোনো দলকে অর্থ দিতে না পারে, সেই দাবিও উঠেছে।  বর্তমানে একবারে ৫০০ ইউরো অবধি নিজের নাম পরিচয় গোপন রেখে যে কোনো দলকে দান করা যায়।

জার্মানির রাজনৈতিক দলগুলোর আয়-ব্যয়ের পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায়, গত বছর জাতীয় নির্বাচনের সময় সবচেয়ে বেশি অনুদান পেয়েছিল চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেলের দল খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দল সিডিইউ এবং দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্যবসায়ীবান্ধব দল এফডিপি।  তাদের তুলনায় সবুজ দল এবং শ্রমিকবান্ধব এসপিডি’র অনুদানের পরিমান অনেক কম ছিল।

তবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে যাতে শুধু বড় দলগুলোই এগিয়ে না থাকে, সেদিকেও লক্ষ্য রাখে জার্মান রাষ্ট্র।  এক্ষেত্রে কিছুটা সমতা আনতে ছোট দলগুলোকে রাষ্ট্রীয় অনুদান দেয়া হয়।

আপনার স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © News Voice of Bangladesh
Theme Customized BY LatestNews