Newsvob.com.: বিনোদন ডেস্ক: জীবনের এ পাড়ে দাঁড়িয়ে –
হাতছানি দিয়ে ডাকে আমায়,
একটি মায়াবী পুকুর।
কিছু আমের বাগান, একটি জামরুল গাছের ফলবতী শাখা।
ঘুগু – দোয়েলের ডাক, কবুতরের নরম পালক,
মাধবীলতার ঘ্রাণ ।
নাড়ার আগুনে রাত কাটিয়ে
নগরকীর্তনীয়া দলের মিছিল পেরিয়ে –
সরমাখা পুুকুরে ভয় মাখা ঝাপ, হঠাৎ।
হায়রে জীবন!
ছোট এ জীবন এত দ্রুতগামী কেন?
জীবনের প্রান্তবেলায় বসে ভাবি-
কত গান, কত সুর, কত অশ্রুগাঁথা
অপলক চেয়ে থাকা চখাচখি,
মান অভিমানে ভেজা শরীর।
শিশিরসিক্ত রঙিন ঠোঁটের
দীর্ঘ চুম্বন, কোথায় হারিয়ে যায়।
অপলক চেয়ে থাকা চখাচখি
একদিন, অবশেষে স্হিতু হওয়া দুটো কাল
ডাগর চোখে; যাপিত জীবনের দুঃখ সুখ গাঁথা।
হায়রে জীবন!
ক্ষয়ে ক্ষয়ে অর্ধ জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে ভাবি-
এভাবেই জীবন আসে, জীবন যায়,
পরে থাকে পদচিহ্ন, নরম মৃত্তিকায়।
আর কি হবে দেখা – এই সবুজ ঘাস, বনভূমি,
গাছ, পাখি, অথবা আবার মানুষ হয়ে?
ভাবি বসে আজ এ নিরালায়,
হায়রে জীবন!
সবুজ কিশোর এক বাঁশি বাজিয়ে ছুটে চলে
মনের গহীনে।