ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo যেকোনো সময় বেনজীরের প্রত্যাবর্তন Logo নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের মূর্তমান প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া : তথ্যমন্ত্রী Logo যে ভাবে ডেভিড ইমনের কাছে মিলল ভারতীয় আধার কার্ড, নাম ‘আজহার খান’ Logo অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের চার শিশু আটক Logo ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ Logo বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে শারিরীক নির্যাতন, মামলা করতে থানায় মডেল স্নিগ্ধা Logo জরুরি সতর্কবার্তা দিল পুলিশ Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬১ জন গ্রেফতার Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার

তীরে এসে তরী ডুবল মৌসুমীর

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯
  • ১২০ বার পঠিত হয়েছে
NEWSVOb:বিনোদন ডেস্ক  : সন্ধ্যা থেকেই শুভেচ্ছা আর অভিনন্দনে ভাসতে থাকেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। ইতিহাস সৃষ্টি করলেন মৌসুমী- এ রকম ক্যাপশন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি শেয়ারও করেন দেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যেতে থাকে পরিবেশ। সত্য-মিথ্যার দোলাচলে হিমশিম খেতে হয় ভক্তদের। সর্বশেষ রাত দেড়টার দিকে মৌসুমী ভক্তদের চূড়ান্ত হতাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। ঘোষণা করেন, মৌসুমীকে হারিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খল অভিনেতা মিশা সওদাগর।

এ রকমই নানা নাটকীয়তা আর ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার শেষ হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। কিন্তু মৌসুমীর সেই স্বপ্নকে ভেঙে দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন চলচ্চিত্র অভিনেতা মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান। কিন্তু কেন এমন হলো। মৌসুমীকে হারিয়ে মিশা কিভাবে ফের সভাপতি হলেন- নির্বাচন শেষে এ রকম অসংখ্য কৌতুহল ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। কেউ কেউ আবার দুই-দুই চার মেলানোর চেষ্টা করছেন। অভিযোগের আঙুলও তুলছেন কেউ কেউ।

এ ছাড়া নারী সভাপতি হিসেবে মৌসুমীর প্রতি আস্থাও ছিল না বেশিরভাগ সাধারণ ভোটারদের। যিনি সমিতির জন্য সময় দিতে পারবেন, সব সময় শিল্পীদের পাশে থাকবেন- এমন মানুষকেই চেয়েছিলেন তারা। মৌসুমী নির্বাচিত হলে স্বামী ওমর সানীই সভাপতির চেয়ার দখলে রেখে সমিতির রাজত্ব করবেন- এমনই ভয় ছিল ভোটারদের মধ্যে। নির্বাচন নিয়ে তার নানা অভিযোগ ছিল, কিন্তু সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মিশা-জায়েদ খানের প্যানেলে ডিপজলের মতো একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন। যারা সমিতিকে সুন্দর করে চালাতে পারবেন। তারা সবাই ঘোষণা দিয়েছেলেন, যদি মৌসুমী নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে সবাই পদত্যাগ করবেন। এই ঘোষণায় ভোটাররা মত বদল করেন।

নির্বাচন নিয়ে মৌসুমীর স্বামী ওমর সানী বলেছেন, ‘আমার একটাই প্রশ্ন, সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে সোহেল রানার মতো অভিনেতাকে মোবাইল নিতে দিল না। তার মোবাইল নিতে দিল না বা কারও মোবাইলই নিতে দিল না। কিন্তু বিকাল ৩টার পর ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ঢুকল কিভাবে?’

এদিকে ভোটের এই ব্যবধানকে একটা ‘ম্যাকানিজম’ বলে মন্তব্য করেছেন মৌসুমী। তিনি বলেন, ‘ফলাফল আমি মেনে নিয়েছি এবং তাদের সবাইকে আমার শুভ কামনা, তারা ভালো কাজ করুক। তবে নির্বাচনের এই ম্যাকানিজম কিছুটা রোধ করা যেত আমাদের কাঞ্চন ভাই (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) যদি এটা বলতেন যে, একেবারেই কেউ মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। তাহলে কিন্তু আমরা এই ম্যাকানিজম প্রতিরোধ করতে পারতাম। মানে ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা তো দিতে হবে। ভোটারের তো এই স্বাধীনতা ছিল না। এ কারণে আকাশ-পাতাল পার্থক্য চলে আসছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

যেকোনো সময় বেনজীরের প্রত্যাবর্তন

তীরে এসে তরী ডুবল মৌসুমীর

আপডেট এর সময় : ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯
NEWSVOb:বিনোদন ডেস্ক  : সন্ধ্যা থেকেই শুভেচ্ছা আর অভিনন্দনে ভাসতে থাকেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। ইতিহাস সৃষ্টি করলেন মৌসুমী- এ রকম ক্যাপশন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি শেয়ারও করেন দেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যেতে থাকে পরিবেশ। সত্য-মিথ্যার দোলাচলে হিমশিম খেতে হয় ভক্তদের। সর্বশেষ রাত দেড়টার দিকে মৌসুমী ভক্তদের চূড়ান্ত হতাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। ঘোষণা করেন, মৌসুমীকে হারিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খল অভিনেতা মিশা সওদাগর।

এ রকমই নানা নাটকীয়তা আর ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার শেষ হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। কিন্তু মৌসুমীর সেই স্বপ্নকে ভেঙে দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন চলচ্চিত্র অভিনেতা মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান। কিন্তু কেন এমন হলো। মৌসুমীকে হারিয়ে মিশা কিভাবে ফের সভাপতি হলেন- নির্বাচন শেষে এ রকম অসংখ্য কৌতুহল ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। কেউ কেউ আবার দুই-দুই চার মেলানোর চেষ্টা করছেন। অভিযোগের আঙুলও তুলছেন কেউ কেউ।

এ ছাড়া নারী সভাপতি হিসেবে মৌসুমীর প্রতি আস্থাও ছিল না বেশিরভাগ সাধারণ ভোটারদের। যিনি সমিতির জন্য সময় দিতে পারবেন, সব সময় শিল্পীদের পাশে থাকবেন- এমন মানুষকেই চেয়েছিলেন তারা। মৌসুমী নির্বাচিত হলে স্বামী ওমর সানীই সভাপতির চেয়ার দখলে রেখে সমিতির রাজত্ব করবেন- এমনই ভয় ছিল ভোটারদের মধ্যে। নির্বাচন নিয়ে তার নানা অভিযোগ ছিল, কিন্তু সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মিশা-জায়েদ খানের প্যানেলে ডিপজলের মতো একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন। যারা সমিতিকে সুন্দর করে চালাতে পারবেন। তারা সবাই ঘোষণা দিয়েছেলেন, যদি মৌসুমী নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে সবাই পদত্যাগ করবেন। এই ঘোষণায় ভোটাররা মত বদল করেন।

নির্বাচন নিয়ে মৌসুমীর স্বামী ওমর সানী বলেছেন, ‘আমার একটাই প্রশ্ন, সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে সোহেল রানার মতো অভিনেতাকে মোবাইল নিতে দিল না। তার মোবাইল নিতে দিল না বা কারও মোবাইলই নিতে দিল না। কিন্তু বিকাল ৩টার পর ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ঢুকল কিভাবে?’

এদিকে ভোটের এই ব্যবধানকে একটা ‘ম্যাকানিজম’ বলে মন্তব্য করেছেন মৌসুমী। তিনি বলেন, ‘ফলাফল আমি মেনে নিয়েছি এবং তাদের সবাইকে আমার শুভ কামনা, তারা ভালো কাজ করুক। তবে নির্বাচনের এই ম্যাকানিজম কিছুটা রোধ করা যেত আমাদের কাঞ্চন ভাই (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) যদি এটা বলতেন যে, একেবারেই কেউ মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। তাহলে কিন্তু আমরা এই ম্যাকানিজম প্রতিরোধ করতে পারতাম। মানে ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা তো দিতে হবে। ভোটারের তো এই স্বাধীনতা ছিল না। এ কারণে আকাশ-পাতাল পার্থক্য চলে আসছে।’