Newsvob.com. নিজস্ব প্রতিবেদক: অদ্য ২৭/১০/২০২১ ইং তারিখে সিআইডি মিডিয়া প্রেস ব্রিফিং জানা যায় যে দক্ষিণ সুরমা সরকারী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম রাহাত (১৮) পিতা- সুরমান আলী, সাং- পুরান তেতলী, থানা- দক্ষিণ সুরমা, জেলা- সিলেট গত ইং ২১/১০/২০২১ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২:২০ ঘটিকায় উক্ত কলেজের প্রবেশ গেইটের মাত্র ১০ গজ দূরে একই কলেজের ছাত্র শামসুদ্দোহা সাদী (২৩) কর্তৃক হত্যাকান্ডের শিকার হয়। উক্ত ঘটনায় মৃতের আপন চাচা শফিকুল ইসলাম (৫৩) কর্তৃক শামসুদ্দোহা সাদীসহ এজাহারনামীয় ৩ জন ও অজ্ঞাতনামা ৫/৭জন আসামীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং- ২১, তারিখঃ ২২/১০/২০২১ খ্রিঃ, ধারাঃ ৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।
উক্ত ঘটনাটি দেশজুড়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বেশ গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে সিআইডি ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় এলআইসির একটি চৌকস টিম কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানাধীন দুর্গম চর এলাকা হতে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী- শামসুদ্দোহা সাদী (২৩) পিতা- মৃত মোবারক আলী, সাং- সিলাম টিকরপাড়া, থানা- মোগলাবাজার, এসএমপি, সিলেটকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।
উক্ত ঘটনার প্রতিবাদে, হত্যাকারীদের দ্রত গ্রেফতারসহ বিচার পূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে কলেজের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী হত্যার দায় স্বীকার করে। জানা যায় যে, ভিক্টিম রাহাত (১৮) ও আসামী- সাদী (২৩) একই কলেজের একই শ্রেণীর ছাত্র ছিল। আসামী সাদী কলেজের পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় এবং বয়সে রাহাতের চেয়ে বড় হওয়ায় সে রাহাতের নিকট জেষ্ঠ্যতা দাবি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় উভয়ের মধ্যে চলমান বিবাদের অংশ হিসেবে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি সংঘঠিত হয়। এরূপ মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার এজাহারনামীয় প্রধান আসামীকে দ্রæততম সময়ে চিহ্নিতপূর্বক গ্রেফতার সিআইডি তথা বাংলাদেশ পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
জে,রশী /