ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী Logo সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo আলী খামেনির জানাজায় কেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ছিলেন না

প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রাথমিকে ১১৪টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৪৬৫ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ   মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত  হাইকোর্ট বে এই আদেশ দেন।  রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২০২০ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় ১১৪টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ না দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা পূরণ করে রিটকারী প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে (ডিজি) এসব রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯-এর ৮ এর ২ বিধিতে বলা হয়েছে ‘উপ-বিধি (২)-এর দফা (গ) তে উল্লেখিত মহিলা, পোষ্য ও পুরুষ কোটা পূরণের ক্ষেত্রে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনও বিধি বা সরকারি সিদ্ধান্তে কোনও বিশেষ শ্রেণির কোটা নির্ধারিত থাকলে ওই কোটা সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী নিয়োগ করতে হবে।’ আরও বলা আছে, ’প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৫-এর ১-এ বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনও আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও, প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী, উপযোগী কোনও কর্মে নিযুক্ত হতে কোনও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে বঞ্চিত বা তার প্রতি বৈষম্য করা বা তাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।’ দেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮-এর ৪ ধারা অনুসারে রিটকারীরা ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের সময় ওই বিধি অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণে দেশের বিভিন্ন জেলার ১১৪ জন প্রতিবন্ধী প্রার্থী গত ১৫ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের শুনানি শেষে আদালত ১১৪টি সহকারী প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার

প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রাথমিকে ১১৪টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

আপডেট এর সময় : ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ   মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত  হাইকোর্ট বে এই আদেশ দেন।  রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২০২০ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় ১১৪টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ না দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা পূরণ করে রিটকারী প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে (ডিজি) এসব রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯-এর ৮ এর ২ বিধিতে বলা হয়েছে ‘উপ-বিধি (২)-এর দফা (গ) তে উল্লেখিত মহিলা, পোষ্য ও পুরুষ কোটা পূরণের ক্ষেত্রে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনও বিধি বা সরকারি সিদ্ধান্তে কোনও বিশেষ শ্রেণির কোটা নির্ধারিত থাকলে ওই কোটা সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী নিয়োগ করতে হবে।’ আরও বলা আছে, ’প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৫-এর ১-এ বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনও আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও, প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী, উপযোগী কোনও কর্মে নিযুক্ত হতে কোনও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে বঞ্চিত বা তার প্রতি বৈষম্য করা বা তাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।’ দেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮-এর ৪ ধারা অনুসারে রিটকারীরা ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের সময় ওই বিধি অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণে দেশের বিভিন্ন জেলার ১১৪ জন প্রতিবন্ধী প্রার্থী গত ১৫ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের শুনানি শেষে আদালত ১১৪টি সহকারী প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করলেন।