Newsvob.com. বিশেষ প্রতিবেদক: অদ্য ৭/১২/২০২১ইং সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম এর এক প্রেস ব্রিফিং এ জানায় নোয়াখালীর সোনাইমুরি উপজেলার মেরী পাড়া গ্রামের ওমান প্রবাসী মাহবুব হোসেন (২৮) পিতা- জয়নাল আবেদীন, সাং- মেরিপাড়া (দেলু মিয়া বেপারী বাড়ি), থানা- সোনাইমুরি, জেলা- নোয়াখালী। করোনা মহামারীর সময়ে দেশে ফেরার পর থেকেই মাহবুবের সাথে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ তৈরী হয় স্থানীয় বখাটে যুবক সাদ্দাম হোসেনের। কিছুদিন পূর্বে একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বাগ্বিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। এর জের ধরেই ইং ২৮/১১/২০২১ তারিখ রবিবার সকাল আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকার দিকে ধন্যপুর এলাকায় মাহবুবকে ফোনে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দ্রত পালিয়ে যায় সাদ্দাম। উক্ত ঘটনায় মৃতের ভাই সাইফুল ইসলাম (২৩) কর্তৃক দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুরি থানার মামলা নং- ১৪/২৬১, তারিখঃ ২৮/১১/২০২১ খ্রিঃ, ধারাঃ ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড- ১৮৬০ রুজু হয়।
উক্ত ঘটনাটি দেশজুড়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বেশ গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে সিআইডি ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় এলআইসির একটি চৌকস টিম উক্ত হত্যাকান্ড সংঘঠনকারী প্রধান আসামী- ১। সাদ্দাম হোসেন (২২) পিতা- মোঃ হুছি আলম @ ওছি আলম, সাং- চর মেহার, থানা- রামগতি, জেলা- লক্ষীপুর চট্টগ্রাম জেলার হাট হাজারী থানাধীন চারতি নোয়াহাট এলাকা হতে গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী স্বীকার করে যে, তার সাথে ভিকটিম মাহবুব এর পূর্ব শত্রু ছিল। মাহবুব করোনা মহামারীর পূর্বে ওমানে কর্মরত ছিল। করোনা মহামারী চলাকালীন সময় চাকুরীচ্যুত হয়ে সে দেশে ফেরত আসে। দেশে ফেরত আসার পর মাহবুব এর সাথে সাদ্দামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। কিছুদিন পূর্বে একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে প্রচন্ড বাগ্বিতন্ডা এবং হাতাহাতি হয়। এক প্রজায় সে মাহবুবকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ইং ২৮/১১/২০২১ তারিখ রবিবার সকাল আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকার সময় আসামী সাদ্দাম ধন্যপুরে মাহবুবকে ডেকে নিয়ে ধারালো দা দিয়ে মাথায় ও গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দ্রুত পালিয়ে যায়।