Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্ক :উন্নত বিশ্বের মতো দেশেও সব ধরনের বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, চলতি মাসেই বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি সই হতে পারে জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের ২০ মাসের মধ্যে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়া যাবে।
শনিবার উত্তর সিটি করপোরেশনের গাবতলীর পরিবহনপুল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।
সিটি করপোরেশনের বর্জ্য অপসারণ যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন ধরণের পরিবহন এর রক্ষণাবেক্ষনসহ এ কাজে আরও কি কি পারিহন দরকার তার সরেজমিন সমীক্ষা নিতে মন্ত্রী গাবতলীতে যান। পরে সেখান থেকে বর্জ্য হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নির্ধারিত স্থান আমিন বাজার ময়লার ডাম্পিং স্টেশন পরিদর্শন করেন।
আলাপকালে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে হলে সব কিছুর আগে বর্জ্যকে নিঃশেষ করতে হবে। কারণ ঢাকা সিটিতে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার মেট্রিক টন ময়লার সৃষ্টি হয়। এই বিশাল ময়লা ফেলার মতো কোনও জায়গার ব্যবস্থা করা ঘনবসতিপূর্ণ এ দেশে করা অসম্ভব। তাই সৃষ্ট ময়লাকে নিঃশেষ করা না গেলে এই ময়লাই আবার অন্য ঝামেলা তৈরি করছে। ময়লা থেকে বিদ্যুতসহ প্রয়োজনীয় কিছু তৈরি করে উন্নত বিশ্ব এর সুষ্ঠু সমাধান করেছে।
মন্ত্রী বলেন, এই পদ্ধতি দেখতে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশে কাজে লাগাতে কাজ করছেন।
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ প্রকল্প ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুর ও চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশনেও করা হবে জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে এ প্রকল্প সারাদেশের বড় বড় শহর ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বার্ন বর্জ্য থেকে পরিবেশ দূর্ষণের কোনও ঝুঁকি থাকবে না। বার্ন করা বর্জ্যের নিঃশেষ থেকে বিভিন্ন ধরণের ব্লক তৈরি করে তা ইটের পরিবর্তে ব্যবহার করা যাবে।
এসময় ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ময়লা পরিশোষন করার জন্য বৃহৎ কলেবরে কাজ শুরু করেছি। এছাড়া সিটির ময়লা পরিবহন এবং বিভিন্ন ধরণের যন্ত্রপাতির একটি ধারণা আমরা মাননীয় মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছি। আরও কিছু প্রয়োজনীয় পরিবহন ও যন্ত্রপাতির অভাবের কথাও জানিয়েছি। মাননীয় মন্ত্রী আমাদের আশ্বস্তও করেছেন।