ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া Logo ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ Logo রাজধানীতে প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন হত্যা: ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

বাংলাদেশের বোলিং তোপে অলআউট অস্ট্রেলিয়া

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১
  • ৪২২ বার পঠিত হয়েছে

     Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ    সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে অজিদের ৬০ রানে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ১২৩ রানের লক্ষ্যে নেমে তারা অলআউট হয় কেবল ৬২ রানে। তখনও বাকি ছিল ইনিংসের ৩৮ বল! শেষ ৭ উইকেট তারা হারায় ৩০ বলের মধ্যে। সেসময়ে তারা যোগ করতে পারে মাত্র ১৪ রান।

এতে বাংলাদেশের পক্ষে সিরিজের ফল দাঁড়িয়েছে ৪-১। প্রথম তিন ম্যাচে টানা জয়ের পর আগের ম্যাচে হেরেছিল তারা।

টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার আগের সর্বনিম্ন সংগ্রহ ছিল ৭৯ রান। ২০০৫ সালে সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই রানে অলআউট হয়েছিল তারা। ওভারের হিসেবেও এটি অজিদের সবচেয়ে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার নজির। ইংলিশদের বিপক্ষে ওই ম্যাচে তারা খেলতে পেরেছিল ১৪.৩ ওভার। এদিন তারা টিকতে পারে ১৩.৪ ওভার।

প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে এদিন টি-টোয়েন্টিতে অন্তত এক হাজার রান ও ১০০ উইকেট শিকারের মাইলফলোক স্পর্শ করেন সাকিব। হাজার রান তিনি পেরিয়েছেন বহু আগে। ইতিহাস গড়ার ম্যাচে তিনি পান ৪ উইকেট। ৩.৪ ওভারে কেবল ৯ রান দেন তিনি। একাদশে ফেরা সাইফউদ্দিন ৩ উইকেট নেন ১২ রানে।

ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরার পুরস্কার গেছে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিবের ঝুলিতে। সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১১৪ রান করার পাশাপাশি তিনি শিকার করেন ৭ উইকেট। এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পুরো ২০ ওভার খেলে বাংলাদেশ তোলে ৮ উইকেটে ১২২ রান। ছয় ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছালেও কেউই ইনিংস টানতে পারেননি। ওপেনার নাঈম শেখ ২৩ বলে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন।
অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ পাঁচে নেমে ১৯ রান করেন ১৪ বলে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান আসে অতিরিক্ত খাত থেকে। অস্ট্রেলিয়ার নাথান এলিস ১৬ ও ড্যান ক্রিস্টিয়ান ১৭ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৫ উইকেটে ১০২। পিচের কথা বিবেচনায় নিয়েও সেখান থেকে ১৩০-১৪০ রানে পৌঁছানো ছিল খুবই সম্ভব। কিন্তু অজি বোলারদের সামনে রীতিমতো খাবি খায় স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। শেষ ৫ ওভারে তারা যোগ করতে পারে কেবল ২০ রান। তবে সেই পুঁজিই যথেষ্ট হয়েছে সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে চতুর্থবারের মতো হারাতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন

বাংলাদেশের বোলিং তোপে অলআউট অস্ট্রেলিয়া

আপডেট এর সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১

     Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ    সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে অজিদের ৬০ রানে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ১২৩ রানের লক্ষ্যে নেমে তারা অলআউট হয় কেবল ৬২ রানে। তখনও বাকি ছিল ইনিংসের ৩৮ বল! শেষ ৭ উইকেট তারা হারায় ৩০ বলের মধ্যে। সেসময়ে তারা যোগ করতে পারে মাত্র ১৪ রান।

এতে বাংলাদেশের পক্ষে সিরিজের ফল দাঁড়িয়েছে ৪-১। প্রথম তিন ম্যাচে টানা জয়ের পর আগের ম্যাচে হেরেছিল তারা।

টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার আগের সর্বনিম্ন সংগ্রহ ছিল ৭৯ রান। ২০০৫ সালে সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই রানে অলআউট হয়েছিল তারা। ওভারের হিসেবেও এটি অজিদের সবচেয়ে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার নজির। ইংলিশদের বিপক্ষে ওই ম্যাচে তারা খেলতে পেরেছিল ১৪.৩ ওভার। এদিন তারা টিকতে পারে ১৩.৪ ওভার।

প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে এদিন টি-টোয়েন্টিতে অন্তত এক হাজার রান ও ১০০ উইকেট শিকারের মাইলফলোক স্পর্শ করেন সাকিব। হাজার রান তিনি পেরিয়েছেন বহু আগে। ইতিহাস গড়ার ম্যাচে তিনি পান ৪ উইকেট। ৩.৪ ওভারে কেবল ৯ রান দেন তিনি। একাদশে ফেরা সাইফউদ্দিন ৩ উইকেট নেন ১২ রানে।

ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরার পুরস্কার গেছে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিবের ঝুলিতে। সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১১৪ রান করার পাশাপাশি তিনি শিকার করেন ৭ উইকেট। এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পুরো ২০ ওভার খেলে বাংলাদেশ তোলে ৮ উইকেটে ১২২ রান। ছয় ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছালেও কেউই ইনিংস টানতে পারেননি। ওপেনার নাঈম শেখ ২৩ বলে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন।
অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ পাঁচে নেমে ১৯ রান করেন ১৪ বলে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান আসে অতিরিক্ত খাত থেকে। অস্ট্রেলিয়ার নাথান এলিস ১৬ ও ড্যান ক্রিস্টিয়ান ১৭ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৫ উইকেটে ১০২। পিচের কথা বিবেচনায় নিয়েও সেখান থেকে ১৩০-১৪০ রানে পৌঁছানো ছিল খুবই সম্ভব। কিন্তু অজি বোলারদের সামনে রীতিমতো খাবি খায় স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। শেষ ৫ ওভারে তারা যোগ করতে পারে কেবল ২০ রান। তবে সেই পুঁজিই যথেষ্ট হয়েছে সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে চতুর্থবারের মতো হারাতে।