ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo যেকোনো সময় বেনজীরের প্রত্যাবর্তন Logo নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের মূর্তমান প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া : তথ্যমন্ত্রী Logo যে ভাবে ডেভিড ইমনের কাছে মিলল ভারতীয় আধার কার্ড, নাম ‘আজহার খান’ Logo অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের চার শিশু আটক Logo ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ Logo বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে শারিরীক নির্যাতন, মামলা করতে থানায় মডেল স্নিগ্ধা Logo জরুরি সতর্কবার্তা দিল পুলিশ Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬১ জন গ্রেফতার Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার

ভাই, মারা যাচ্ছি, আমার ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস’

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯
  • ৮৮ বার পঠিত হয়েছে

নুরে আলম :জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েদের ও ছোট ভাইয়ের কাছে সঁপে যান। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে ঢাকার ইব্রাহিমপুরে নিজ বাসায় থাকতেন।

শিমুলের ভাষ্যমতে মঞ্জুর শেষ কথাগুলো মোবাইলে ফোনে তাঁর আরেক ভাই মেহফুজ জুবায়ের পলাশের সঙ্গে বলেছিলেন এভাবে, ‘ভাই, আমি মারা যাচ্ছি। সবাই অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কেউ আমাকে সাহায্য করছে না। উপায় না পেয়ে আমি অফিসের চেয়ারেই বসে আছি। তোরা আমার জন্য দোয়া করিস। ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস।’

মঞ্জুরের ছোট ভাই মোনাক হাসান শিমুল বলেন, ‘ভাই চাকরিরত অবস্থায় ২০০০ সালে কাশেম গ্রুপের মতিঝিল অফিসের সামনের রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রাচ ও হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। এক প্রকার পঙ্গু জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তারপরও কোম্পানি ভাইকে চাকরি থেকে বাদ দেয়নি। পরবর্তী সময় তাঁকে বনানীর হেড অফিসে চাকরিতে রেখে দিয়েছিল।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

যেকোনো সময় বেনজীরের প্রত্যাবর্তন

ভাই, মারা যাচ্ছি, আমার ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস’

আপডেট এর সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯

নুরে আলম :জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েদের ও ছোট ভাইয়ের কাছে সঁপে যান। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে ঢাকার ইব্রাহিমপুরে নিজ বাসায় থাকতেন।

শিমুলের ভাষ্যমতে মঞ্জুর শেষ কথাগুলো মোবাইলে ফোনে তাঁর আরেক ভাই মেহফুজ জুবায়ের পলাশের সঙ্গে বলেছিলেন এভাবে, ‘ভাই, আমি মারা যাচ্ছি। সবাই অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কেউ আমাকে সাহায্য করছে না। উপায় না পেয়ে আমি অফিসের চেয়ারেই বসে আছি। তোরা আমার জন্য দোয়া করিস। ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস।’

মঞ্জুরের ছোট ভাই মোনাক হাসান শিমুল বলেন, ‘ভাই চাকরিরত অবস্থায় ২০০০ সালে কাশেম গ্রুপের মতিঝিল অফিসের সামনের রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রাচ ও হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। এক প্রকার পঙ্গু জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তারপরও কোম্পানি ভাইকে চাকরি থেকে বাদ দেয়নি। পরবর্তী সময় তাঁকে বনানীর হেড অফিসে চাকরিতে রেখে দিয়েছিল।’