ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

ভাই, মারা যাচ্ছি, আমার ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস’

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯
  • ৮২ বার পঠিত হয়েছে

নুরে আলম :জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েদের ও ছোট ভাইয়ের কাছে সঁপে যান। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে ঢাকার ইব্রাহিমপুরে নিজ বাসায় থাকতেন।

শিমুলের ভাষ্যমতে মঞ্জুর শেষ কথাগুলো মোবাইলে ফোনে তাঁর আরেক ভাই মেহফুজ জুবায়ের পলাশের সঙ্গে বলেছিলেন এভাবে, ‘ভাই, আমি মারা যাচ্ছি। সবাই অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কেউ আমাকে সাহায্য করছে না। উপায় না পেয়ে আমি অফিসের চেয়ারেই বসে আছি। তোরা আমার জন্য দোয়া করিস। ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস।’

মঞ্জুরের ছোট ভাই মোনাক হাসান শিমুল বলেন, ‘ভাই চাকরিরত অবস্থায় ২০০০ সালে কাশেম গ্রুপের মতিঝিল অফিসের সামনের রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রাচ ও হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। এক প্রকার পঙ্গু জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তারপরও কোম্পানি ভাইকে চাকরি থেকে বাদ দেয়নি। পরবর্তী সময় তাঁকে বনানীর হেড অফিসে চাকরিতে রেখে দিয়েছিল।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

ভাই, মারা যাচ্ছি, আমার ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস’

আপডেট এর সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯

নুরে আলম :জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েদের ও ছোট ভাইয়ের কাছে সঁপে যান। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে ঢাকার ইব্রাহিমপুরে নিজ বাসায় থাকতেন।

শিমুলের ভাষ্যমতে মঞ্জুর শেষ কথাগুলো মোবাইলে ফোনে তাঁর আরেক ভাই মেহফুজ জুবায়ের পলাশের সঙ্গে বলেছিলেন এভাবে, ‘ভাই, আমি মারা যাচ্ছি। সবাই অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কেউ আমাকে সাহায্য করছে না। উপায় না পেয়ে আমি অফিসের চেয়ারেই বসে আছি। তোরা আমার জন্য দোয়া করিস। ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস।’

মঞ্জুরের ছোট ভাই মোনাক হাসান শিমুল বলেন, ‘ভাই চাকরিরত অবস্থায় ২০০০ সালে কাশেম গ্রুপের মতিঝিল অফিসের সামনের রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রাচ ও হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। এক প্রকার পঙ্গু জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তারপরও কোম্পানি ভাইকে চাকরি থেকে বাদ দেয়নি। পরবর্তী সময় তাঁকে বনানীর হেড অফিসে চাকরিতে রেখে দিয়েছিল।’