Nnwsvob.com. বিনোদন ডেস্ক : দুই জোড়া শাদা পায়রা। আর একটি কালো, জোড়া তার ছাড়া; জনম দুখি কপাল পোড়া। শাদারা উড়ে আকাশে ভাসে বাতাসে ; করে বাক বাকুম, মনেতে খুশির ধূম। ‘আহা! কি আনন্দ আকাশে বাতাসে।’ কালো, কান্নার জলে ভিজে তার সাথীকে খোঁজে খুঁজেতো পায়না তাই আকাশে উড়েনা থাকে কার্নিশে চুপটি করে বসে। হঠাৎ যেন কিভাবে কি করে একটির পুরুষ শাদা গেল মরে মেয়ে শাদাটির সামনে নামে দুঃখের আঁধার কি করে থাকবে একা, ওরা যে ‘ন্যাচারাল পেয়ার! জোড়া ছাড়া শাদাটি আসে একাকী থাকা কাল পুরুষটির পাশে, ক্ষণিকের তরে, জড়াজড়ি করে, জৈবনিক ক্ষুধারা মরে। খুশি হয় শাদা, খুশি হয় কালো। কালোটি ভাবে, আবার সে পেল। যা সে হারিয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজন ফুরালে, আবার শাদাটি চলে আসে শাদার দলে। কালোটি আবার একা! কান্নায় ভিজে ভিজে দেয়ালের কার্ণিশে। আবার তিনটি শাদা উড়ে কালোটি থেকে দূরে শাদা আকাশে মেঘে মেঘে ভেসে কালেটি এলে ঠুকরিয়ে বলে সরে যা! সরে যা! এখান থেকে। দেখিশ না আমরা শাদা তুই কি গাধা? কালোটি চেয়ে থাকে জোড়া ছাড়া শাদাটির দিকে। শাদাটি এখন চেনেনা তাকে যেন বলে, ‘তোকে চেনবো, আমার প্রয়োজনে’ -। তখন নেব কাছে আবার টেনে। ‘তুই চলে যা এখন অন্য কোনখানে।’ কালো চলে যায়, ভিজে তার চোখ, পায়না খুঁজে একটুখানি সুখ। শাদা আর কালো মানুষ বা পাখি, তাতে কি ই বা হলো? শাদা শাদাই কালো কালোই এটাই কি পাখিরাও বুঝিয়ে দিল?