ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ Logo মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ Logo ১৫ বছর পর আবারও একসঙ্গে শাহরুখ-কারিনা, ‘কিং’-এ বিশেষ চমক Logo একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
  • ১১৪ বার পঠিত হয়েছে

শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব রক্ষার কৌশল হিসেবে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর রংপুরের ৭৩ আসনে ৫৮ জন প্রার্থী ঘোষণা করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর মধ্যে মহাজোটগতভাবে ১২ জন এবং এককভাবে ৩৫টিতে লড়বে এরশাদের প্রার্থী। এরশাদের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হলো বলে দাবি করেছেন দলটির নীতিনিধারকেরা।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় নয়া দিগন্তকে জানান, মহাজোটগতভাবে ১২ জন এবং এককভাবে ৩৫ জন লড়বেন। এর মধ্যে মহাজেটগতভাবে লড়বেন নীলফামারী-৩ আসনে মেজর (অব:) রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-১ মো: মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কুড়িগ্রাম-১ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ মো: নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ অ্যাডভোকেট আলতাফ আলী।

তিনি আরো জানান, এককপ্রার্থীর আসনগুলো হচ্ছেÑ রংপুর-২ আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ মেজর (অব:) আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুৎফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩, হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো: শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো: জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো: মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো: দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো: খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো: এস এম ফখর-উজামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা-৪ কাজী মো: মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু, জয়পুরহাট-১ আ স ম মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো: আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগাঁ-১ আকবর আলী কালু, নওগাঁ-২ মো: বদিউজ্জামান, নওগাঁ-৩ অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, নওগাঁ-৪ মো: এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো: আবুল হোসেন, রাজশাহী-৬ মো: ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ মো: আবু তালহা, নাটোর-২ মো: মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ মো: আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান এবং পাবনা-৫ মো: আব্দুল কাদের খান।
শেষ মুহূর্তে এরশাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। জাতীয় পার্টির অন্যতম নীতিনির্ধারক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা নয়া দিগন্তকে জানান, স্যারের এই সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির নতুন মেরকরণ তৈরি হলো। যা সমৃৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে ভূমিকা রাখবে। তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে জাতীয় পার্টির দুর্গ আরো সুদৃঢ় হবে। এবং প্রতিটি আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাথে যুক্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ যখন কোনোভাবেই জাতীয় পার্টিকে ৫০টি আসন ছেড়ে দিতে নারাজ। ঠিক তখনই এরশাদ তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। তিনি কোনোভাবেই ২৯টি মহাজোটগতভাবে আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চাননি। এ কারণে তিনি ১৩১টি আসনে একক প্রার্থী (উন্মুক্ত) প্রার্থী দিয়েছেন। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ৭৩ আসনের মধ্যে ৩৫টি আসনে উন্মুুক্ত ভোটের জন্য প্রার্থীদের নির্দেশনা দিয়ে তা ফাইনাল করেছেন। এরশাদের এই সিদ্ধান্তে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা খুব খুশি।
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর নয়া দিগন্তকে জানান, আমার আসনটি মহাজোটগতভাবেই আমাকে দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু সেটি স্যারকে করতে দেয়া হয়নি। সে কারণে আমি স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী উন্মুুক্ত প্রার্থী হিসেবে লড়ছি। তিনি বলেন, যদি এখানে গায়েবি কোনো ভোট না পড়ে এবং সুষ্ঠু ভোট হয় তা হলে বিশাল ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে লাঙ্গল প্রতীক জয়ী হবে।

জাতীয় পার্টির এই নীতিনির্ধারক মনে করেন, পার্টি চেয়ারম্যানের উন্ম্ক্তু প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের পার্লস। নেতাকর্মীরা এই মুহূর্তে সারা দেশে উজ্জীবিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় পার্টি একটি ভিন্নধারার মাইলফলক রচনা করল বলে আমি মনে করি। চাপ এবং বাঁধনে ফেলে এরশাদকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও মনে করেন তিনি। দেশের উন্নয়ন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় পার্টি এরশাদের হাত ধরে আরেকবার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে। সেই যাত্রা শুরু হলো আজ থেকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ

শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ

আপডেট এর সময় : ১১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব রক্ষার কৌশল হিসেবে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর রংপুরের ৭৩ আসনে ৫৮ জন প্রার্থী ঘোষণা করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর মধ্যে মহাজোটগতভাবে ১২ জন এবং এককভাবে ৩৫টিতে লড়বে এরশাদের প্রার্থী। এরশাদের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হলো বলে দাবি করেছেন দলটির নীতিনিধারকেরা।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় নয়া দিগন্তকে জানান, মহাজোটগতভাবে ১২ জন এবং এককভাবে ৩৫ জন লড়বেন। এর মধ্যে মহাজেটগতভাবে লড়বেন নীলফামারী-৩ আসনে মেজর (অব:) রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-১ মো: মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কুড়িগ্রাম-১ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ মো: নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ অ্যাডভোকেট আলতাফ আলী।

তিনি আরো জানান, এককপ্রার্থীর আসনগুলো হচ্ছেÑ রংপুর-২ আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ মেজর (অব:) আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুৎফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩, হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো: শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো: জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো: মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো: দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো: খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো: এস এম ফখর-উজামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা-৪ কাজী মো: মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু, জয়পুরহাট-১ আ স ম মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো: আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগাঁ-১ আকবর আলী কালু, নওগাঁ-২ মো: বদিউজ্জামান, নওগাঁ-৩ অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, নওগাঁ-৪ মো: এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো: আবুল হোসেন, রাজশাহী-৬ মো: ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ মো: আবু তালহা, নাটোর-২ মো: মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ মো: আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান এবং পাবনা-৫ মো: আব্দুল কাদের খান।
শেষ মুহূর্তে এরশাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। জাতীয় পার্টির অন্যতম নীতিনির্ধারক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা নয়া দিগন্তকে জানান, স্যারের এই সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির নতুন মেরকরণ তৈরি হলো। যা সমৃৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে ভূমিকা রাখবে। তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে জাতীয় পার্টির দুর্গ আরো সুদৃঢ় হবে। এবং প্রতিটি আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাথে যুক্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ যখন কোনোভাবেই জাতীয় পার্টিকে ৫০টি আসন ছেড়ে দিতে নারাজ। ঠিক তখনই এরশাদ তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। তিনি কোনোভাবেই ২৯টি মহাজোটগতভাবে আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চাননি। এ কারণে তিনি ১৩১টি আসনে একক প্রার্থী (উন্মুক্ত) প্রার্থী দিয়েছেন। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ৭৩ আসনের মধ্যে ৩৫টি আসনে উন্মুুক্ত ভোটের জন্য প্রার্থীদের নির্দেশনা দিয়ে তা ফাইনাল করেছেন। এরশাদের এই সিদ্ধান্তে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা খুব খুশি।
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর নয়া দিগন্তকে জানান, আমার আসনটি মহাজোটগতভাবেই আমাকে দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু সেটি স্যারকে করতে দেয়া হয়নি। সে কারণে আমি স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী উন্মুুক্ত প্রার্থী হিসেবে লড়ছি। তিনি বলেন, যদি এখানে গায়েবি কোনো ভোট না পড়ে এবং সুষ্ঠু ভোট হয় তা হলে বিশাল ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে লাঙ্গল প্রতীক জয়ী হবে।

জাতীয় পার্টির এই নীতিনির্ধারক মনে করেন, পার্টি চেয়ারম্যানের উন্ম্ক্তু প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের পার্লস। নেতাকর্মীরা এই মুহূর্তে সারা দেশে উজ্জীবিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় পার্টি একটি ভিন্নধারার মাইলফলক রচনা করল বলে আমি মনে করি। চাপ এবং বাঁধনে ফেলে এরশাদকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও মনে করেন তিনি। দেশের উন্নয়ন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় পার্টি এরশাদের হাত ধরে আরেকবার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে। সেই যাত্রা শুরু হলো আজ থেকে।