ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া Logo ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ Logo রাজধানীতে প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন হত্যা: ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি, ‘যা রটে তার কিছু হলেও বটে’

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন প্রতিষ্ঠানের কবর রচনা করে এ দেশের মানুষ ভাল থাকতে পারে না। উপজেলা নির্বাচেন কারো কোন বেআইনি চাপে আপনারা অন্যকাজে মাথা নত করবেন না। আপনার সকল নিরাপত্তা আমি দিবো। যত দিন এ নিরাপত্তা প্রয়োজন। নির্বাচনে কোন খারাপ অভিজ্ঞতা থাকলে তা সব ভুলেযান।

শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা সদরে ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজের হলরুমে আসন্ন পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদেরকে ধন্য করার জন্য আসি নাই। আমি এসেছি নিজের জ্বালা থেকে অন্তজ্বালা থেকে, নিজের কষ্টটা থেকে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাকে অনেক গুলো কথার মুখোমুখি হতে হয়। আমাদের প্রত্যেককেই অনেক গুলো বক্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। আমাকে বলা হয়- চরমৎকার নির্বাচন করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনাদেরকে ধন্যবাদ। দেশটাকে আপনারা বাঁচিয়েছেন। আবার বলা হয়, চমৎকার নির্বাচন করেছেন, আর কি করবেন? কেমন যেন একটা প্রশ্ন। প্রশ্নটা হচ্ছে একটা বাতাস এবং আরেক দল চিৎকার করে বলে, আপনারাতো নির্বাচনের কবর দিয়ে দিয়েছেন। আমি জানি না কোনটা সত্য। কারণ আমি সারাদিন বসেছিলাম টেলিভিশনের পর্দার সামনে, একটা কোন বিক্ষিপ্ত ঘটনার কথাও টেলিভিশনে কোন দিন বলা হয়নি।

টেলিভিশন থেকে কোন কিছু জানতে পারি নাই। আবার যারা পর্যবেক্ষক ছিলো তারাও একটা শব্দও উচ্চারণ করে নাই এবং পরবর্তীতে যখন লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছে তখনও কিন্তু এমন কোন কিছু বলেনি- যা দেখে আমি অনুমান করবো আমরা কোন নির্বাচনী ব্যবস্থার কবর দিয়েছি। আমি কোন অবস্থাতেও আপনাদের কাছ থেকে কোন রকম কোন কিছু পাই নাই। তার পরেও কথা গুলো উঠছে দেশে ও বিদেশে।

নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, আমি ধরে নিতেছি- হয়তোবা কিছু একটা আছে যা থেকে এই লোক গুলো এ কথা গুলো বলার একটা সুযোগ পেয়েছেন। অবশ্যই কিছু একটা আছে তানাহলে সুযোগ পাওয়ার কথা না। একটা বাংলার প্রবাদ আছে- যা রটে তার কিছু হলেও বটে। আমি ওটাতেই ধরে নিতেছি। কিছু একটা আছে। আর কিছু একটা আছে আমার এ বিশ্বাস থেকে আপনাদের কাছে ছুটে এসেছি। কিছু একটা আছে এবং এই কিছু একটা উপজেলা নির্বাচনে আমি থাকতে দিবো না।

ওই প্রশিক্ষন শিবিরে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার জিএম শাহাদৎ হোসেন, নীলফামারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন

৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি, ‘যা রটে তার কিছু হলেও বটে’

আপডেট এর সময় : ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০১৯

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন প্রতিষ্ঠানের কবর রচনা করে এ দেশের মানুষ ভাল থাকতে পারে না। উপজেলা নির্বাচেন কারো কোন বেআইনি চাপে আপনারা অন্যকাজে মাথা নত করবেন না। আপনার সকল নিরাপত্তা আমি দিবো। যত দিন এ নিরাপত্তা প্রয়োজন। নির্বাচনে কোন খারাপ অভিজ্ঞতা থাকলে তা সব ভুলেযান।

শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা সদরে ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজের হলরুমে আসন্ন পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদেরকে ধন্য করার জন্য আসি নাই। আমি এসেছি নিজের জ্বালা থেকে অন্তজ্বালা থেকে, নিজের কষ্টটা থেকে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাকে অনেক গুলো কথার মুখোমুখি হতে হয়। আমাদের প্রত্যেককেই অনেক গুলো বক্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। আমাকে বলা হয়- চরমৎকার নির্বাচন করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনাদেরকে ধন্যবাদ। দেশটাকে আপনারা বাঁচিয়েছেন। আবার বলা হয়, চমৎকার নির্বাচন করেছেন, আর কি করবেন? কেমন যেন একটা প্রশ্ন। প্রশ্নটা হচ্ছে একটা বাতাস এবং আরেক দল চিৎকার করে বলে, আপনারাতো নির্বাচনের কবর দিয়ে দিয়েছেন। আমি জানি না কোনটা সত্য। কারণ আমি সারাদিন বসেছিলাম টেলিভিশনের পর্দার সামনে, একটা কোন বিক্ষিপ্ত ঘটনার কথাও টেলিভিশনে কোন দিন বলা হয়নি।

টেলিভিশন থেকে কোন কিছু জানতে পারি নাই। আবার যারা পর্যবেক্ষক ছিলো তারাও একটা শব্দও উচ্চারণ করে নাই এবং পরবর্তীতে যখন লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছে তখনও কিন্তু এমন কোন কিছু বলেনি- যা দেখে আমি অনুমান করবো আমরা কোন নির্বাচনী ব্যবস্থার কবর দিয়েছি। আমি কোন অবস্থাতেও আপনাদের কাছ থেকে কোন রকম কোন কিছু পাই নাই। তার পরেও কথা গুলো উঠছে দেশে ও বিদেশে।

নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, আমি ধরে নিতেছি- হয়তোবা কিছু একটা আছে যা থেকে এই লোক গুলো এ কথা গুলো বলার একটা সুযোগ পেয়েছেন। অবশ্যই কিছু একটা আছে তানাহলে সুযোগ পাওয়ার কথা না। একটা বাংলার প্রবাদ আছে- যা রটে তার কিছু হলেও বটে। আমি ওটাতেই ধরে নিতেছি। কিছু একটা আছে। আর কিছু একটা আছে আমার এ বিশ্বাস থেকে আপনাদের কাছে ছুটে এসেছি। কিছু একটা আছে এবং এই কিছু একটা উপজেলা নির্বাচনে আমি থাকতে দিবো না।

ওই প্রশিক্ষন শিবিরে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার জিএম শাহাদৎ হোসেন, নীলফামারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন প্রমুখ।