ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া Logo ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ Logo রাজধানীতে প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন হত্যা: ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ Logo মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড Logo গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কিশোর গ্রেফতার Logo যাত্রাবাড়ীতে সিটিটিসির অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

সমুদ্রতলে পানির চাপে ফেটে যায় ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটি

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৯২ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ   জার্মানির তৈরি এই সাবমেরিনটি ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। তবে ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠিয়ে এটি আরও উন্নত করা হয়। সেটিই ৫৩ জন নাবিক নিয়ে বালি দ্বীপের কাছে সমুদ্রে টর্পেডো মহড়া চালানোর সময় গায়েব হয়ে যায়।বুধবার মহড়ার জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে শেষ যোগাযোগ করা হয় সাবমেরিনটি থেকে। অনুমতি চাওয়া হয় সমুদ্র গভীরে ডুব দেবার জন্য। অনুমতিও মেলে, কিন্তু তার পরপরই হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সাবমেরিনটি।

টানা উদ্ধার অভিযানের পর শনিবার সাবমেরিনটির বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ মেলে। যেসব জিনিস পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে জায়নামাজ, গ্রিজের একটি বোতল যা লুব্রিক্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়, একটি যন্ত্র যা টর্পোডের হাত থেকে জাহাজটিকে রক্ষায় সাহায্য করে। ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো বলছেন যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে। ইন্দোনেশীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা এয়ার মার্শাল হাদি তিজাহজানতো বলেন, সাবমেরিনের সর্বশেষ অবস্থানের কাছেই এসব জিনিস পাওয়া গেছে। এগুলো সাবমেরিনের অংশ বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তীব্র চাপে না ফেটে গেলে সাবমেরিন থেকে এসব জিনিস কখনো বের হয়ে আসার কথা নয়।

কিন্তু এভাবে কেন নিখোঁজ হলো সামরিক কাজে ব্যবহৃত একটি সাবমেরিন। তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে। স্ক্যান করে দেখা গেছে ডুবোজাহাজটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, এটি তারচেয়েও অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে।

নৌবাহিনী বলছে সাবমেরিনটিতে কোনো সমস্য ছিল না। তবে জাহাজটি যেখানে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে সেখানে কিছু তেল দেখতে পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে তেলের ট্যাঙ্কের হয়তো কোনো ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক বিপর্যয়েরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।সাবমেরিনটি ৩০০ ফুট সমুদ্র গভীরে চলাচলে সক্ষম ছিল। সর্বোচ্চ ৫০০ ফুট সমুদ্রতলের পানির চাপ সহ্য করার ক্ষমতা ছিল সাবমেরিনটির। কোনো না কোনো গোলযোগের কারণে এর চেয়ে গভীরে নেমে যাওয়ায় সেটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে ধারণা করা হচ্ছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ

সমুদ্রতলে পানির চাপে ফেটে যায় ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটি

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ   জার্মানির তৈরি এই সাবমেরিনটি ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। তবে ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠিয়ে এটি আরও উন্নত করা হয়। সেটিই ৫৩ জন নাবিক নিয়ে বালি দ্বীপের কাছে সমুদ্রে টর্পেডো মহড়া চালানোর সময় গায়েব হয়ে যায়।বুধবার মহড়ার জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে শেষ যোগাযোগ করা হয় সাবমেরিনটি থেকে। অনুমতি চাওয়া হয় সমুদ্র গভীরে ডুব দেবার জন্য। অনুমতিও মেলে, কিন্তু তার পরপরই হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সাবমেরিনটি।

টানা উদ্ধার অভিযানের পর শনিবার সাবমেরিনটির বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ মেলে। যেসব জিনিস পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে জায়নামাজ, গ্রিজের একটি বোতল যা লুব্রিক্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়, একটি যন্ত্র যা টর্পোডের হাত থেকে জাহাজটিকে রক্ষায় সাহায্য করে। ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো বলছেন যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে। ইন্দোনেশীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা এয়ার মার্শাল হাদি তিজাহজানতো বলেন, সাবমেরিনের সর্বশেষ অবস্থানের কাছেই এসব জিনিস পাওয়া গেছে। এগুলো সাবমেরিনের অংশ বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তীব্র চাপে না ফেটে গেলে সাবমেরিন থেকে এসব জিনিস কখনো বের হয়ে আসার কথা নয়।

কিন্তু এভাবে কেন নিখোঁজ হলো সামরিক কাজে ব্যবহৃত একটি সাবমেরিন। তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে। স্ক্যান করে দেখা গেছে ডুবোজাহাজটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, এটি তারচেয়েও অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে।

নৌবাহিনী বলছে সাবমেরিনটিতে কোনো সমস্য ছিল না। তবে জাহাজটি যেখানে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে সেখানে কিছু তেল দেখতে পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে তেলের ট্যাঙ্কের হয়তো কোনো ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক বিপর্যয়েরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।সাবমেরিনটি ৩০০ ফুট সমুদ্র গভীরে চলাচলে সক্ষম ছিল। সর্বোচ্চ ৫০০ ফুট সমুদ্রতলের পানির চাপ সহ্য করার ক্ষমতা ছিল সাবমেরিনটির। কোনো না কোনো গোলযোগের কারণে এর চেয়ে গভীরে নেমে যাওয়ায় সেটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে ধারণা করা হচ্ছে।