ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

চ্যাম্পিয়ন তামিমের বরিশাল

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • ৪৫৪ বার পঠিত হয়েছে

    নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ  স্পোর্স ডেস্কঃ  প্রথমবারের মতো বিপিএলের শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলো ফরচুন বরিশাল। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই দারুণ সূচনা করেন ওপেনার তামিম ও মিরাজ। পরে মায়ার্স ঝড়ে নিশ্চিত হয় জয়। ছয় উইকেটে জয় নিয়ে উদযাপনে মাতে তামিমরা।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের মেগা ফাইনালে টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাট করতে পাঠান তামিম। এদিন নারিন, লিটন, হৃদয়দের ব্যর্থতা এবং অঙ্কন-রাসেলের ব্যাটে ১৫৪ রানের লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় কুমিল্লা।

১৫৫ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উড়ন্ত সূচনা পায় তামিমের দল। ওপেনার মেহেদি মিরাজকে নিয়ে তামিম প্রায় ১০ রেটে রান তুলে থাকেন।

সপ্তম ওভারে শেষ বলে মঈন আলীর শিকার হন তামিম (৩৯)। ২৬ বলের ইনিংসে তিনি হাঁকান তিনটি ছয় ও তিনটি বাউন্ডারি। মেহেদিও হাঁটছিলেন তার পথেই। কিন্তু ৯ দশমিক তিন ওভারে তিনিও শিকার হন মঈনের। ২৬ বলে ২৯ রানের ইনিংসে মেহেদির ছিল দুটি ছক্কা ও একটি বাউন্ডারি।

এরপর ব্যাট করতে আসেন ফরচুন বরিশালের দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেলি মায়ার্স। এসেই ঘুরিয়ে দেন খেলার মানচিত্র। ৩০ বলে তিনি করেন ৪৬ রান। এর মধ্যে দুই ছক্কা ও পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।

খেলা শেষের দিকে সমীকরণ দাঁড়ায় ১২ বলে ৯ রান। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মাহমুদুল্লাহ (৭) এবং ডেভিড মিলার (৮) জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। বরিশালের হাতে অবশিষ্ট ছিল সাত বল ও ছয় উইকেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

চ্যাম্পিয়ন তামিমের বরিশাল

আপডেট এর সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

    নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ  স্পোর্স ডেস্কঃ  প্রথমবারের মতো বিপিএলের শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলো ফরচুন বরিশাল। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই দারুণ সূচনা করেন ওপেনার তামিম ও মিরাজ। পরে মায়ার্স ঝড়ে নিশ্চিত হয় জয়। ছয় উইকেটে জয় নিয়ে উদযাপনে মাতে তামিমরা।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের মেগা ফাইনালে টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাট করতে পাঠান তামিম। এদিন নারিন, লিটন, হৃদয়দের ব্যর্থতা এবং অঙ্কন-রাসেলের ব্যাটে ১৫৪ রানের লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় কুমিল্লা।

১৫৫ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উড়ন্ত সূচনা পায় তামিমের দল। ওপেনার মেহেদি মিরাজকে নিয়ে তামিম প্রায় ১০ রেটে রান তুলে থাকেন।

সপ্তম ওভারে শেষ বলে মঈন আলীর শিকার হন তামিম (৩৯)। ২৬ বলের ইনিংসে তিনি হাঁকান তিনটি ছয় ও তিনটি বাউন্ডারি। মেহেদিও হাঁটছিলেন তার পথেই। কিন্তু ৯ দশমিক তিন ওভারে তিনিও শিকার হন মঈনের। ২৬ বলে ২৯ রানের ইনিংসে মেহেদির ছিল দুটি ছক্কা ও একটি বাউন্ডারি।

এরপর ব্যাট করতে আসেন ফরচুন বরিশালের দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেলি মায়ার্স। এসেই ঘুরিয়ে দেন খেলার মানচিত্র। ৩০ বলে তিনি করেন ৪৬ রান। এর মধ্যে দুই ছক্কা ও পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।

খেলা শেষের দিকে সমীকরণ দাঁড়ায় ১২ বলে ৯ রান। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মাহমুদুল্লাহ (৭) এবং ডেভিড মিলার (৮) জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। বরিশালের হাতে অবশিষ্ট ছিল সাত বল ও ছয় উইকেট।