ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন কাল Logo দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক Logo মেসিকে অভিনন্দন জানালেন ক্লোসা Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ Logo হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জ Logo মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা Logo শিরোনাম: স্টিল শিল্পে অতিরিক্ত ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি বিএসএমএ’র, উন্নয়ন বাজেট দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ Logo শিরোনাম: শিক্ষা বাজেট নিয়ে ‘কেমন হলো শিক্ষা বাজেট: বাস্তবতা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন,দলের পরীক্ষিত সৈনিক মকবুল হোসেন সরকার

 নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ  প্রতিনিধি  আনিসুর রহমান মোল্লা ঃ  কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ৮ নং জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন দলের পরীক্ষিত সৈনিক মো.মকবুল হোসেন সরকার।তাঁকে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত করায় তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।পাশাপাশি তিতাস উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ওসমান গনি ভূইয়া ও সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সেলিম ভূইয়ার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। জানা যায়, কুমিল্লা-১(বৃহত্তর দাউদকান্দি) আসনে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড মোশাররফ হোসেন স্যারের প্রথম নির্বাচনী প্রচার- প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করার মধ্যে দিয়েই বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করেন জিয়ারকান্দি গ্রামের কৃতিসন্তান মকবুল হোসেন সরকার।তখন দলীয় কোন পদবীতে ছিলো না তাঁর। এরপর ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১(বৃহত্তর দাউদকান্দি)আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদ-প্রার্থী জননেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যারের (ধানের শীষ)
মার্কাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নির্বাচনী- প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করে মাঠে কাজ করেছেন তিনি। তখন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন মকবুল হোসেন সরকার। বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলার উত্তর অঞ্চলের জণগণের প্রাণের দাবীতে তিতাস উপজেলা প্রতিষ্ঠা করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার।

বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলা থেকে আলাদা হয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর পর তিতাস উপজেলা সৃষ্টি হওয়ার পর তিতাস উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই কাউন্সিলে মাছ মার্কা প্রতীক নিয়ে তিতাস উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হোন মকবুল হোসেন সরকার। এরপর দলীয় নেতৃবৃন্দরা তাঁকে উপজেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেন। এরপর তিনি জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে মাছ মার্কা প্রতীক নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করলে দলীয় নেতৃবৃন্দরা তাঁকে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন।দলের নিরলস ভাবে মাঠে কাজ করায়,
তিতাস উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হোন মকবুল হোসেন সরকার। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে দলের ডাকা আ.লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখায় তাঁকে চিরতরে নিঃশেষ করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ৭০-৮০ টি ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা ও বানোয়াট রাজনৈতিক হয়রানিকর মামলা ঠুকে দেয় স্বৈরাচার আ.লীগের দোসরা।এরই মধ্যে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে ১০ টি হত্যা মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়। তারপরও বিএনপির রাজনীতি থেকে তাঁকে একবিন্দু পরিমাণও তাঁকে নাড়তে পারেন নি স্বৈরাচার আ.লীগের দোসরা।এখানেই শেষ নয়, তাঁকে এতো গুলো মামলার আসামি করেও তাঁকে থামাতে না পারায় তাঁর বাড়ির সামনে তাঁর আপন ছোট ভাই এমদাদুল হক সরকারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে যায়  আ.লীগের ক্যা ডার বাহিনী।

এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর এমদাদুল হক সরকার মারা যান।এরপর মকবুল হোসেন সরকারকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর মাথায় ১০ টি কুপ মারে আ.লীগের দোসরা।তখন তিনি গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে তিনি পুনরায় আবার দলীয় কর্মকান্ডে সক্রিয় হোন। আ.লীগের শাসনামলে পুলিশি বাঁধার কারণে তিতাস উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন মিটিং ও সভা- সমাবেশ মকবুল হোসেন সরকারের জিয়ারকান্দি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হতো, আর সেই ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে আ.লীগের লেলিয়ে দেয়া ‌র‍্যাব-পুলিশ তাঁকে একাধিক বার আটক করে নিয়ে যায় এবং তাঁকে একাধিকবার ক্রস ফায়ারের মাধ্যমে হত্যা করার চেষ্টা করে স্বৈরাচার আ.লীগের দোসরা।

তারপরও তিনি নিজের জীবন বাজী রেখে দলের জন্য মাঠে কাজ করেছেন এবং এখনো করছেন তিনি। গেলো ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ওই বছরের
১৯ জুলাই ঢাকার রামপুরা টেলিভিশন সেন্টার ও বনশ্রী সড়কের মধ্যে স্থানে আন্দোলনরত অবস্থায় বিজিবি চাইনিজ রাইফেলের গুলিতে নিহত হোন মকবুল হোসেন সরকারের মেয়ের জামাই রাসেল মিয়া।বিজিবির গুলিতে তাঁর বুক ঝাঁঝরা হয়ে গেলে রাসেল মিয়া ঘটনাস্থলেয়ই মৃত্যু বরণ করেন।এই ঘটনায় স্বামী হত্যা বিচার চেয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আদালতে
একটি মামলা দায়ের করেন নিহত রাসেল মিয়ার স্ত্রী মোসামৎ শারমিন আক্তার।

এছাড়া মকবুল হোসেন সরকারের ছেলে শামীম সরকার বর্তমানে তিতাস উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম-আহবায়ক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এক কথায় বলা যায়, মকবুল হোসেন সরকারের পুরো পরিবারই বিএনপির রাজনীতিতে বিশ্বাসী।তাঁকে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি  পদে নির্বাচিত করায় তিনি মহান আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামিনের নিকট লাখ কুটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন কাল

জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন,দলের পরীক্ষিত সৈনিক মকবুল হোসেন সরকার

আপডেট এর সময় : ১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ  প্রতিনিধি  আনিসুর রহমান মোল্লা ঃ  কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ৮ নং জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন দলের পরীক্ষিত সৈনিক মো.মকবুল হোসেন সরকার।তাঁকে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত করায় তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।পাশাপাশি তিতাস উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ওসমান গনি ভূইয়া ও সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সেলিম ভূইয়ার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। জানা যায়, কুমিল্লা-১(বৃহত্তর দাউদকান্দি) আসনে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড মোশাররফ হোসেন স্যারের প্রথম নির্বাচনী প্রচার- প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করার মধ্যে দিয়েই বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করেন জিয়ারকান্দি গ্রামের কৃতিসন্তান মকবুল হোসেন সরকার।তখন দলীয় কোন পদবীতে ছিলো না তাঁর। এরপর ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১(বৃহত্তর দাউদকান্দি)আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদ-প্রার্থী জননেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যারের (ধানের শীষ)
মার্কাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নির্বাচনী- প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করে মাঠে কাজ করেছেন তিনি। তখন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন মকবুল হোসেন সরকার। বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলার উত্তর অঞ্চলের জণগণের প্রাণের দাবীতে তিতাস উপজেলা প্রতিষ্ঠা করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার।

বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলা থেকে আলাদা হয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর পর তিতাস উপজেলা সৃষ্টি হওয়ার পর তিতাস উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই কাউন্সিলে মাছ মার্কা প্রতীক নিয়ে তিতাস উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হোন মকবুল হোসেন সরকার। এরপর দলীয় নেতৃবৃন্দরা তাঁকে উপজেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেন। এরপর তিনি জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে মাছ মার্কা প্রতীক নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করলে দলীয় নেতৃবৃন্দরা তাঁকে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন।দলের নিরলস ভাবে মাঠে কাজ করায়,
তিতাস উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হোন মকবুল হোসেন সরকার। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে দলের ডাকা আ.লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখায় তাঁকে চিরতরে নিঃশেষ করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ৭০-৮০ টি ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা ও বানোয়াট রাজনৈতিক হয়রানিকর মামলা ঠুকে দেয় স্বৈরাচার আ.লীগের দোসরা।এরই মধ্যে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে ১০ টি হত্যা মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়। তারপরও বিএনপির রাজনীতি থেকে তাঁকে একবিন্দু পরিমাণও তাঁকে নাড়তে পারেন নি স্বৈরাচার আ.লীগের দোসরা।এখানেই শেষ নয়, তাঁকে এতো গুলো মামলার আসামি করেও তাঁকে থামাতে না পারায় তাঁর বাড়ির সামনে তাঁর আপন ছোট ভাই এমদাদুল হক সরকারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে যায়  আ.লীগের ক্যা ডার বাহিনী।

এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর এমদাদুল হক সরকার মারা যান।এরপর মকবুল হোসেন সরকারকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর মাথায় ১০ টি কুপ মারে আ.লীগের দোসরা।তখন তিনি গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে তিনি পুনরায় আবার দলীয় কর্মকান্ডে সক্রিয় হোন। আ.লীগের শাসনামলে পুলিশি বাঁধার কারণে তিতাস উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন মিটিং ও সভা- সমাবেশ মকবুল হোসেন সরকারের জিয়ারকান্দি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হতো, আর সেই ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে আ.লীগের লেলিয়ে দেয়া ‌র‍্যাব-পুলিশ তাঁকে একাধিক বার আটক করে নিয়ে যায় এবং তাঁকে একাধিকবার ক্রস ফায়ারের মাধ্যমে হত্যা করার চেষ্টা করে স্বৈরাচার আ.লীগের দোসরা।

তারপরও তিনি নিজের জীবন বাজী রেখে দলের জন্য মাঠে কাজ করেছেন এবং এখনো করছেন তিনি। গেলো ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ওই বছরের
১৯ জুলাই ঢাকার রামপুরা টেলিভিশন সেন্টার ও বনশ্রী সড়কের মধ্যে স্থানে আন্দোলনরত অবস্থায় বিজিবি চাইনিজ রাইফেলের গুলিতে নিহত হোন মকবুল হোসেন সরকারের মেয়ের জামাই রাসেল মিয়া।বিজিবির গুলিতে তাঁর বুক ঝাঁঝরা হয়ে গেলে রাসেল মিয়া ঘটনাস্থলেয়ই মৃত্যু বরণ করেন।এই ঘটনায় স্বামী হত্যা বিচার চেয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আদালতে
একটি মামলা দায়ের করেন নিহত রাসেল মিয়ার স্ত্রী মোসামৎ শারমিন আক্তার।

এছাড়া মকবুল হোসেন সরকারের ছেলে শামীম সরকার বর্তমানে তিতাস উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম-আহবায়ক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এক কথায় বলা যায়, মকবুল হোসেন সরকারের পুরো পরিবারই বিএনপির রাজনীতিতে বিশ্বাসী।তাঁকে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি  পদে নির্বাচিত করায় তিনি মহান আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামিনের নিকট লাখ কুটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন।