ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম

নিউস ভয়েস  অফ বাংলাদেশ  ২৪ জুলাই, ২০২৬  :    জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ১১ লাখ ২৫ হাজার ইউরোর একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আইওএম বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ চুক্তির আওতায় ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনে সমন্বিত পদ্ধতির প্রসার’ শীর্ষক তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

ইআরডি’র সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রকল্পটির মাধ্যমে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন বিষয়ে তথ্য ও উপাত্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময় সম্প্রসারণ, জলবায়ু কার্যক্রমে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বাড়ানো এবং জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি ও অভিবাসন মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইআরডি’র সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মানব অভিবাসনের জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু অভিযোজন কৌশলের সঙ্গে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনকে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ সুরক্ষা পায়।

তিনি অভিবাসন সুশাসন জোরদার, তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়নের জন্য প্রমাণভিত্তিক উপাত্ত তৈরি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে আইওএমের ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

ইআরডি সচিব আশা প্রকাশ করেন, নতুন এ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করবে, জ্ঞান ও তথ্যব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাবে, প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে সহায়তা করবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে।

আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকার, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে ধন্যবাদ জানান। তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদার আর্থিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার জন্য ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ সরকার ও আইওএম উভয়ই জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা আরও জোরদারে যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ প্রকল্প বাংলাদেশের জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক শিক্ষা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও ইউএন উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, ইআরডির যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান, ইআরডির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রাজিবুল আলম, আইওএম বাংলাদেশের জাতীয় কর্মসূচি কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান খান, আইওএমের সরকারি সংযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোরশেদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা।

বাসস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম

আপডেট এর সময় : ৯ ঘন্টা আগে

নিউস ভয়েস  অফ বাংলাদেশ  ২৪ জুলাই, ২০২৬  :    জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ১১ লাখ ২৫ হাজার ইউরোর একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আইওএম বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ চুক্তির আওতায় ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনে সমন্বিত পদ্ধতির প্রসার’ শীর্ষক তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

ইআরডি’র সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রকল্পটির মাধ্যমে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন বিষয়ে তথ্য ও উপাত্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময় সম্প্রসারণ, জলবায়ু কার্যক্রমে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বাড়ানো এবং জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি ও অভিবাসন মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইআরডি’র সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মানব অভিবাসনের জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু অভিযোজন কৌশলের সঙ্গে জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনকে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ সুরক্ষা পায়।

তিনি অভিবাসন সুশাসন জোরদার, তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়নের জন্য প্রমাণভিত্তিক উপাত্ত তৈরি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে আইওএমের ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

ইআরডি সচিব আশা প্রকাশ করেন, নতুন এ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করবে, জ্ঞান ও তথ্যব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাবে, প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে সহায়তা করবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে।

আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকার, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে ধন্যবাদ জানান। তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদার আর্থিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার জন্য ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ সরকার ও আইওএম উভয়ই জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা আরও জোরদারে যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ প্রকল্প বাংলাদেশের জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক শিক্ষা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও ইউএন উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, ইআরডির যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান, ইআরডির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রাজিবুল আলম, আইওএম বাংলাদেশের জাতীয় কর্মসূচি কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান খান, আইওএমের সরকারি সংযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোরশেদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা।

বাসস