ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ Logo মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ Logo ১৫ বছর পর আবারও একসঙ্গে শাহরুখ-কারিনা, ‘কিং’-এ বিশেষ চমক Logo একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ

  নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ  অনলাইন ডেস্ক :  মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম ব্যাংক) মধ্যে ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

গত ১০ অক্টোবর এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য চীন সরকার ২.৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান (আরএমবি) ঋণ দেবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে গৃহীত ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হবে।

ঋণচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব আলিয়া মেহের এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের পক্ষে অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার ফেংজুন তিয়ান স্বাক্ষর করেন।

প্রকল্পের আওতায় আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কনটেইনার ইয়ার্ড, কনটেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধার আধুনিকায়ন করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চীন সরকার এ প্রকল্পের জন্য ২ শতাংশ সুদে নমনীয় ঋণ দেবে। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর, যার মধ্যে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়ানো, বন্দর পরিচালনার আধুনিকায়ন এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সহায়তা করার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ

আপডেট এর সময় : ৮ ঘন্টা আগে

  নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ  অনলাইন ডেস্ক :  মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম ব্যাংক) মধ্যে ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

গত ১০ অক্টোবর এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য চীন সরকার ২.৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান (আরএমবি) ঋণ দেবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে গৃহীত ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হবে।

ঋণচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব আলিয়া মেহের এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের পক্ষে অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার ফেংজুন তিয়ান স্বাক্ষর করেন।

প্রকল্পের আওতায় আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কনটেইনার ইয়ার্ড, কনটেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধার আধুনিকায়ন করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চীন সরকার এ প্রকল্পের জন্য ২ শতাংশ সুদে নমনীয় ঋণ দেবে। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর, যার মধ্যে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়ানো, বন্দর পরিচালনার আধুনিকায়ন এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সহায়তা করার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।