ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদক লড়াই থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ Logo গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ Logo ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা Logo চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার Logo হাল ফ্যাশনের সঙ্গে অ্যানেক্সের সমঝোতা, লক্ষ্য ব্যবসায়িক সাফল্য Logo পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, দেওবন্দে ৫ হাজার প্রতিনিধির সম্মেলন Logo ব্যালন ডি’অর: তারায় খচিত লন্ডন Logo অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয় Logo সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদালত অবমাননার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী Logo সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে হামলা

পরাজিত শক্তির সঙ্গে আঁতাতকারীরা জনগণের কাছে চিহ্নিত হবে: রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: পরাজিত ফ্যাসিবাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশে কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করা হলে দেশের সাধারণ মানুষ তা কিছুতেই বরদাস্ত করবে না বলে সতর্ক করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সংকীর্ণ রাজনৈতিক ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে যারা অপশক্তির সঙ্গে গোপন আঁতাত করবেন, এ দেশের জনগণের কাছে তারা ভবিষ্যতে চিহ্নিত ও বয়কট হয়ে থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি আসন্ন ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদ্‌যাপনের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, যারা অতীতে দেশজুড়ে রক্তপাত ঘটিয়ে বধ্যভূমি তৈরি করেছিল, তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যারা ফের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চান, তাদের এর সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে। ককটেল বিস্ফোরণ বা যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান তিনি।

এ সময় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের পটভূমি স্মরণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ১৯৭৫ সালের ওই দিনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল। এই বিপ্লবের মহানায়ক হিসেবে তৎকালীন সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আবির্ভূত হন এবং দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, সেদিনের সেই অদম্য ও বৈপ্লবিক চেতনাই পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে দেশের গণতন্ত্রকামী ছাত্র-জনতাকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর ভোরবেলা কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং সকালে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে দলটি। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ও অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin 12

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদক লড়াই থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ

পরাজিত শক্তির সঙ্গে আঁতাতকারীরা জনগণের কাছে চিহ্নিত হবে: রিজভী

আপডেট এর সময় : ৯ ঘন্টা আগে

রাজনীতি ডেস্ক: পরাজিত ফ্যাসিবাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশে কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করা হলে দেশের সাধারণ মানুষ তা কিছুতেই বরদাস্ত করবে না বলে সতর্ক করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সংকীর্ণ রাজনৈতিক ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে যারা অপশক্তির সঙ্গে গোপন আঁতাত করবেন, এ দেশের জনগণের কাছে তারা ভবিষ্যতে চিহ্নিত ও বয়কট হয়ে থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি আসন্ন ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদ্‌যাপনের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, যারা অতীতে দেশজুড়ে রক্তপাত ঘটিয়ে বধ্যভূমি তৈরি করেছিল, তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যারা ফের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চান, তাদের এর সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে। ককটেল বিস্ফোরণ বা যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান তিনি।

এ সময় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের পটভূমি স্মরণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ১৯৭৫ সালের ওই দিনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল। এই বিপ্লবের মহানায়ক হিসেবে তৎকালীন সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আবির্ভূত হন এবং দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, সেদিনের সেই অদম্য ও বৈপ্লবিক চেতনাই পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে দেশের গণতন্ত্রকামী ছাত্র-জনতাকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর ভোরবেলা কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং সকালে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে দলটি। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ও অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।