ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ Logo মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ Logo ১৫ বছর পর আবারও একসঙ্গে শাহরুখ-কারিনা, ‘কিং’-এ বিশেষ চমক Logo একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

কুতুবদিয়ায় ঝড়ো হাওয়ায় ১২টি নৌকাসহ ঘরবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • ১১৩ বার পঠিত হয়েছে

কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়ায় সোমাবার সকালে (২৫ ফেব্রুয়ারী) বয়ে যাওয়ায় এক ঘন্টার ঝড়ো হাওয়ায় সাগরের মাছ ধরার ১২টি নৌকা (ফ্রিশিং ট্রলার)সহ ঘর-বাড়ির ব্যাপক য়তি হয়েছে।

কালো মেঘে আছন্ন আকাশের উত্তর পশ্চিম থেকে বয়ে আসা ঝড়ো হাওয়ার থাবায় মুহূর্তে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে দ্বীপের শতাধিক কাচাঁ বাড়ি-ঘর ও গাছ-পালা। বাতাসে উড়ে গেছে বেশ কিছু ঘরের ছাউনি। এসময় ঘরবাড়ি থেকে কেউ বের হতে পারেনি। স্কুল-কলেজেও যেতে পারেনি অনেক শিার্থী।

জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাবেক সভাপতি, ছরোয়ার আলম বাদশা জানান, দক্ষিণ ধূরুং বৈদ্যার পাড়ার এলাকার নুরুল হুদা বাড়ী, ডিংগা ভাংগা কালুর

মার বাড়ী, লেমশীখালী মতি বাপের পাড়া আমির হোছাইনের বাড়ীর উপরের সম্পূর্ন দমকা হাওয়া বাতাসে ছাউনি উপড়ে চলে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-

ক্ষতি হয়। এছাড়াও কুতুবদিয়া অধিকাংশ এলাকার ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। হালকা বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যায় দ্বীপ

এলাকার প্রান্তিক লবণ চাষীদের হাজার হাজার একর লবণ মাঠের কয়েক’শ মেট্রিকটন উৎপাদিত লবণ। যার আর্থিক মূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে

বলে ধারণা চাষীদের। লবণ কৃষক মোস্তফা কামাল জানান, হঠাৎ মেঘলা হয়ে বৃষ্টি হওয়ায় উৎপাদিত লবণ সরানো সম্ভব না হওয়ায় তার ফসলি

জমির লবণ বৃষ্টির মিষ্টি পানিতে বিলিন হয়ে যায় । আকষ্কিক ঝড়ো হাওয়ায় সমূদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মাছ ধরার নৌকা ( ট্রলার) ও উপকূলে নোঙরে

থাকা কয়েকটি বোট ডুবে গেছে বলে কুতুবদিয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন নিশ্চিত করেন। তিনি আরো

জানান, গভীর সমূদ্রে থাকা মাছ ধরার ট্রলাগুলোর কোন খবর পাওয়া যায়নি। সাগর থেকে মাছ ধরে উপকূলে ফিরে আসার পথে ডুবে গেছে বেশ

কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা। তার মধ্যে উপজেলার কৈয়ারবিল এলাকার মোঃ আলী,নুর কাদের,আবদু শুক্কুর ও নেজাম কোম্পানীল মালিকানাধীন

মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এব্যাপারে জানতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসিম আল মাহমুদ জানান,ট্রলার ডুবির খবর

পেলেও জেলে নিখোঁেজর খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে জেলে পরিবারগুলোতে এক ধরনে অজানা আতংক কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অনেক জেলে

পরিবার। উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা অসিত কুমার রায় জানান, ঝড়ো হাওয়ায় কুতুবদিয়া উপকূলের কৈয়ারবিল,বড়ঘোপ,দণি ধুরুং, উত্তর ধুরুং

এলাকার সমুদ্র সৈকতে বনায়নকৃত শত শত ঝাউ গাছ ভেঙ্গে গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় জানিয়েছেন, ট্রলার ডুবির খবর

পেয়ে ট্রলার মালিকদের জেলেদের উদ্ধারের জন্য সাগরে পাঠিয়েছেন। তিনি তাৎণিকভাবে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে গেছেন এবং তিগ্রস্থদের খবর নিয়েছেন।

মোঃ মনিরুল ইসলাম কুতুবদিয়া

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ

কুতুবদিয়ায় ঝড়ো হাওয়ায় ১২টি নৌকাসহ ঘরবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট এর সময় : ১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়ায় সোমাবার সকালে (২৫ ফেব্রুয়ারী) বয়ে যাওয়ায় এক ঘন্টার ঝড়ো হাওয়ায় সাগরের মাছ ধরার ১২টি নৌকা (ফ্রিশিং ট্রলার)সহ ঘর-বাড়ির ব্যাপক য়তি হয়েছে।

কালো মেঘে আছন্ন আকাশের উত্তর পশ্চিম থেকে বয়ে আসা ঝড়ো হাওয়ার থাবায় মুহূর্তে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে দ্বীপের শতাধিক কাচাঁ বাড়ি-ঘর ও গাছ-পালা। বাতাসে উড়ে গেছে বেশ কিছু ঘরের ছাউনি। এসময় ঘরবাড়ি থেকে কেউ বের হতে পারেনি। স্কুল-কলেজেও যেতে পারেনি অনেক শিার্থী।

জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাবেক সভাপতি, ছরোয়ার আলম বাদশা জানান, দক্ষিণ ধূরুং বৈদ্যার পাড়ার এলাকার নুরুল হুদা বাড়ী, ডিংগা ভাংগা কালুর

মার বাড়ী, লেমশীখালী মতি বাপের পাড়া আমির হোছাইনের বাড়ীর উপরের সম্পূর্ন দমকা হাওয়া বাতাসে ছাউনি উপড়ে চলে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-

ক্ষতি হয়। এছাড়াও কুতুবদিয়া অধিকাংশ এলাকার ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। হালকা বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যায় দ্বীপ

এলাকার প্রান্তিক লবণ চাষীদের হাজার হাজার একর লবণ মাঠের কয়েক’শ মেট্রিকটন উৎপাদিত লবণ। যার আর্থিক মূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে

বলে ধারণা চাষীদের। লবণ কৃষক মোস্তফা কামাল জানান, হঠাৎ মেঘলা হয়ে বৃষ্টি হওয়ায় উৎপাদিত লবণ সরানো সম্ভব না হওয়ায় তার ফসলি

জমির লবণ বৃষ্টির মিষ্টি পানিতে বিলিন হয়ে যায় । আকষ্কিক ঝড়ো হাওয়ায় সমূদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মাছ ধরার নৌকা ( ট্রলার) ও উপকূলে নোঙরে

থাকা কয়েকটি বোট ডুবে গেছে বলে কুতুবদিয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন নিশ্চিত করেন। তিনি আরো

জানান, গভীর সমূদ্রে থাকা মাছ ধরার ট্রলাগুলোর কোন খবর পাওয়া যায়নি। সাগর থেকে মাছ ধরে উপকূলে ফিরে আসার পথে ডুবে গেছে বেশ

কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা। তার মধ্যে উপজেলার কৈয়ারবিল এলাকার মোঃ আলী,নুর কাদের,আবদু শুক্কুর ও নেজাম কোম্পানীল মালিকানাধীন

মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এব্যাপারে জানতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসিম আল মাহমুদ জানান,ট্রলার ডুবির খবর

পেলেও জেলে নিখোঁেজর খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে জেলে পরিবারগুলোতে এক ধরনে অজানা আতংক কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অনেক জেলে

পরিবার। উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা অসিত কুমার রায় জানান, ঝড়ো হাওয়ায় কুতুবদিয়া উপকূলের কৈয়ারবিল,বড়ঘোপ,দণি ধুরুং, উত্তর ধুরুং

এলাকার সমুদ্র সৈকতে বনায়নকৃত শত শত ঝাউ গাছ ভেঙ্গে গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় জানিয়েছেন, ট্রলার ডুবির খবর

পেয়ে ট্রলার মালিকদের জেলেদের উদ্ধারের জন্য সাগরে পাঠিয়েছেন। তিনি তাৎণিকভাবে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে গেছেন এবং তিগ্রস্থদের খবর নিয়েছেন।

মোঃ মনিরুল ইসলাম কুতুবদিয়া