ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

দেশের পথে টাইগাররা

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯
  • ১০৮ বার পঠিত হয়েছে

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার খবর আসার পর থেকেই উৎকণ্ঠায় ছিল গোটা বাংলাদেশ।

কারণ এই শহরেই আজ শনিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে নামার কথা ছিল টাইগারদের। তাই বন্দুকধারীর হামলার এ ঘটনায় শেষ টেস্ট বাতিল হওয়ার পর দেশে ফিরছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর পাঁচটায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ দলের ১৫ জন ক্রিকেটারসহ মোট ১৯ সদস্য। রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে দেশের মাটিতে অবতরণ করার কথা রয়েছে তাদের।

মসজিদে হামলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা ওই মসজিদে প্রবেশ করার কথা ছিল।

অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার কিছু সময় পর নিজের টুইটে টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, বন্দুকধারীর গুলি থেকে আমরা পুরো দল বেঁচে গেছি। এটা খুবই ভীতিজনক একটি অভিজ্ঞতা। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

হামলা সম্পর্কে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘সবাই দেখেছে দুর্ঘটনাটি, এটা আমরা কখনোই চাই না, আমরা খুবই ভাগ্যবান, আমরা ১৭ জন ছিলাম, আমরা খুবই কাছে ছিলাম, ৫০ গজের মতো দূরে ছিলাম, আর তিন-চার মিনিট আগে মসজিদে গেলে দুর্ঘটনা ঘটে যেতো।’

পরে দেশে অবস্থানরত বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম শুক্রবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘প্রথমে ভাবা হয়েছিল, আলাদা আলাদা করে যে কয়জনকে পারা যায় একে একে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তবে পরে ১৯ সদস্যের দলের একসঙ্গে ফেরার ব্যবস্থা করা গেছে। এই ফ্লাইটটি বাংলাদেশে এসে পৌঁছানোর কথা শনিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে।’

প্রসঙ্গত, ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে ওই হামলার সময় খুব কাছেই ছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে ঢোকার মুখে অজ্ঞাত এক নারীর কাছ থেকে হামলার সতর্কবার্তা পেয়ে কোনোরকমে বেঁচে ফিরেছেন তামিম, মিরাজ, তাইজুলরা।

পরে শুরুতে ঘটনাস্থল থেকে অদূরবর্তী হাগলি ওভাল স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে এবং পরে নিজেদের টিম হোটেলে ফিরে যান টাইগাররা। এরপর তারা জানিয়ে দেন যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরার ইচ্ছা। কারণ এমন এক ঘটনার পর খেলার মানসিক অবস্থায় ছিলেন না কেউই।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের পথে টাইগাররা

আপডেট এর সময় : ১২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার খবর আসার পর থেকেই উৎকণ্ঠায় ছিল গোটা বাংলাদেশ।

কারণ এই শহরেই আজ শনিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে নামার কথা ছিল টাইগারদের। তাই বন্দুকধারীর হামলার এ ঘটনায় শেষ টেস্ট বাতিল হওয়ার পর দেশে ফিরছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর পাঁচটায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ দলের ১৫ জন ক্রিকেটারসহ মোট ১৯ সদস্য। রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে দেশের মাটিতে অবতরণ করার কথা রয়েছে তাদের।

মসজিদে হামলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা ওই মসজিদে প্রবেশ করার কথা ছিল।

অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার কিছু সময় পর নিজের টুইটে টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, বন্দুকধারীর গুলি থেকে আমরা পুরো দল বেঁচে গেছি। এটা খুবই ভীতিজনক একটি অভিজ্ঞতা। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

হামলা সম্পর্কে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘সবাই দেখেছে দুর্ঘটনাটি, এটা আমরা কখনোই চাই না, আমরা খুবই ভাগ্যবান, আমরা ১৭ জন ছিলাম, আমরা খুবই কাছে ছিলাম, ৫০ গজের মতো দূরে ছিলাম, আর তিন-চার মিনিট আগে মসজিদে গেলে দুর্ঘটনা ঘটে যেতো।’

পরে দেশে অবস্থানরত বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম শুক্রবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘প্রথমে ভাবা হয়েছিল, আলাদা আলাদা করে যে কয়জনকে পারা যায় একে একে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তবে পরে ১৯ সদস্যের দলের একসঙ্গে ফেরার ব্যবস্থা করা গেছে। এই ফ্লাইটটি বাংলাদেশে এসে পৌঁছানোর কথা শনিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে।’

প্রসঙ্গত, ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে ওই হামলার সময় খুব কাছেই ছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে ঢোকার মুখে অজ্ঞাত এক নারীর কাছ থেকে হামলার সতর্কবার্তা পেয়ে কোনোরকমে বেঁচে ফিরেছেন তামিম, মিরাজ, তাইজুলরা।

পরে শুরুতে ঘটনাস্থল থেকে অদূরবর্তী হাগলি ওভাল স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে এবং পরে নিজেদের টিম হোটেলে ফিরে যান টাইগাররা। এরপর তারা জানিয়ে দেন যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরার ইচ্ছা। কারণ এমন এক ঘটনার পর খেলার মানসিক অবস্থায় ছিলেন না কেউই।