ব্রেক্সিট ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’কে ক্ষমতা ছাড়তে হতে পারে। কেননা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেয়ার জন্য তার ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন তার দলের মন্ত্রীরা।
শনিবার যুক্তরাজ্যের প্রায় ১০ লাখ মানুষ ব্রেক্সিট ইস্যুতে দ্বিতীয় গণভোটের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এরপরই থেরেসা মে-কে তার দল কনজারভেটিভ পার্টির সিনিয়র নেতারা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার দাবি করেন। তারা সাফ জানিয়ে দেন, থেরেসা পদত্যাগের প্রতিশ্রুতি দিলেই কেবল তারা তার ব্রেক্সিট ইস্যুতে সমর্থন দেবেন।
এ অবস্থায় থেরেসা মে’র বিরুদ্ধে কয়েকজন মন্ত্রী যে প্রচেষ্টা নিয়েছেন তাকে মন্ত্রপরিষদের অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যায়িত করছে বৃটিশ গণমাধ্যম। বলা হচ্ছে, এমন অভ্যুত্থান বা পরিকল্পনার কারণে থেরেসা মে’র ক্ষমতায় থাকা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আগামী কয়েক দিন পরই হয়তো তাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়তে হতে পারে।
তেরেসা মে-কে সরিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসানো হবে ডেভিড লিডিংটন অথবা মাইকেল গভ’কে।
দ্যা সানডে টাইমসকে ১১ জন মন্ত্রী বলেছেন, তারা চান প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে পদ থেকে সরে দাঁড়ান যাতে এ পদে নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়ার পথ সুগম হয়।
এমন এক সময়ে এই খবর প্রকাশ পেলো যখন ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’কে আরো দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা। এর আগে মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে দুইবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
গত বুধবার থেরেসা মে ব্রেক্সিটের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়ার আবেদন জানিয়ে ইইউতে চিঠি দেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বাড়তি সময় দিলো ইইউ।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়তি সময় দিয়েছেন। ব্রেক্সিট কার্যকরের পূর্বনির্ধারিত তারিখ ছিল ২৯ মার্চ। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য এটিই মে’র শেষ সুযোগ বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: পার্স টুডে

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকার ঋণ
প্রতিনিধির নাম : 














