ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

ফায়ার সার্ভিসের ‌‌‘সক্ষমতা’ নিয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট

আগুন নেভানোর ও দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সে কতজন জনবল, কি পরিমাণ আধুনিক ও পর্যাপ্ত পোশাক, যন্ত্রপাতি এবং যানবাহনের সক্ষমতা রয়েছে সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকা মহানগরীর ৭ তলার ওপরের সব ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপণের জন্য কি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এ বিষয়ে একটি যৌথ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (১ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

আগামী এক মাসের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালককে ফায়ার সার্ভিসের ‌‌‘সক্ষমতা’ নিয়ে এই প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আর অগ্নিনির্বাপণের যৌথ প্রতিবেদনটি ঢাকার দুই মেয়র, রাজউক ও ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে চার মাসের মধ্যে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

এছাড়া পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়া ভবন নির্মাণ করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ও অগ্নিনির্বাপণ আইন লংঘনের কারণে সৃষ্ট আগুনের বিপত্তি থেকে ঢাকা মহানগরের বাসিন্দাদের নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল করেছেন আদালত। গুলশান এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না এবং জনমনে সচেতনা বাড়াতে আগুনের বিষয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এর আগে গুলশান (১ এপ্রিল) সোসাইটির মহাসচিব সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আগুনের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

ফায়ার সার্ভিসের ‌‌‘সক্ষমতা’ নিয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৯

আগুন নেভানোর ও দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সে কতজন জনবল, কি পরিমাণ আধুনিক ও পর্যাপ্ত পোশাক, যন্ত্রপাতি এবং যানবাহনের সক্ষমতা রয়েছে সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকা মহানগরীর ৭ তলার ওপরের সব ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপণের জন্য কি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এ বিষয়ে একটি যৌথ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (১ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

আগামী এক মাসের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালককে ফায়ার সার্ভিসের ‌‌‘সক্ষমতা’ নিয়ে এই প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আর অগ্নিনির্বাপণের যৌথ প্রতিবেদনটি ঢাকার দুই মেয়র, রাজউক ও ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে চার মাসের মধ্যে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

এছাড়া পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়া ভবন নির্মাণ করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ও অগ্নিনির্বাপণ আইন লংঘনের কারণে সৃষ্ট আগুনের বিপত্তি থেকে ঢাকা মহানগরের বাসিন্দাদের নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল করেছেন আদালত। গুলশান এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না এবং জনমনে সচেতনা বাড়াতে আগুনের বিষয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এর আগে গুলশান (১ এপ্রিল) সোসাইটির মহাসচিব সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আগুনের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়।