1. rajubdnews@gmail.com : admin :
  2. newsvob57@gmail.com : News VOB : News VOB
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন বিএনইজি ও যায় সময়ের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে মানবাধিকার: এক অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতি —মোহাম্মদ সাফওয়ান মারসাদ হোসেন ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল কুচকাওয়াজ শেষে সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িতে জাতীয় পতাকা পদ্মায় বাসডুবি: এখনও ৩৩ জন পানির নিচে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক: ইরান যুদ্ধে মোতায়েন মার্কিন রণতরিতে আগুন ক্রিকেটারদের জন্য ঈদ উপহার পাঠাচ্ছে বিসিবি, পাবেন স্ত্রীরাও বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন সাংসদকে: কলকাতায় তদন্তের পর বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান হারুন রশিদ

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪
  • ৩৯৭ বার পঠিত হয়েছে

নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ , আন্তর্জাতিক ডেস্কঃপরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছিল বাংলাদেশের ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ারুল আজিমকে। যে ভাবে খুন করে তাঁর দেহ লোপাট করা হয়েছে, তা ‘অভাবনীয়’। কলকাতায় এসে তদন্ত করার পাশাপাশি অভিযুক্তকে জেরার পরে এমনটাই মনে করছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান হারুন অর রশিদ।

খুনের তদন্তে কলকাতায় এসে রবিবার নিউ টাউনের সেই ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান। সঙ্গে ছিল তাঁর নেতৃত্বাধীন তদন্তকারীদের একটি দল। পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি আধিকারিকেরাও ছিলেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে যেখানে সাংসদ আজিমের দেহাংশ ফেলা হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত জিহাদ ওরফে জুবের, সেখানেও গিয়েছিলেন বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান। এর পর জিহাদকেও প্রায় চার ঘণ্টা জেরা করেন তিনি। বাংলাদেশেও এই ঘটনায় কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদেরও জেরা করেছেন গোয়েন্দাপ্রধান। তার পরেই তিনি জানিয়েছেন, ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে আজিমকে। যে ভাবে এই কাজ করা হয়েছে, তা ভাবা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। হারুন অর রশিদ আরও জানিয়েছেন, এই তদন্তে সিআইডি যথেষ্ট সাহায্য করছে। পুলিশ যে ভাবে সাহায্য করছে, তাতে ভাল ফল পাওয়া যাবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান দাবি করেন, সে দেশে আজিমকে খুন করার জন্য দু’বার পরিকল্পনা করেও তা রূপায়ণ করতে পারেনি চক্রীরা। এর পরেই তারা আনোয়ারুলকে কলকাতায় ডেকে নিয়ে গিয়ে খুনের চক্রান্ত করে। হারুনের দাবি, সাংসদকে দিন দুয়েক আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু বেশি পরিমাণে চেতনানাশক প্রয়োগের ফলে তিনি ‘অর্ধমৃত’ হয়ে পড়েন। তখন তাঁকে মেরে ফেলা হয়। এ রাজ্যের তদন্তকারীরা যদিও বলছেন, চেতনানাশক বা ক্লোরোফর্ম প্রয়োগের বিষয়টি বাংলাদেশ পুলিশ তাদের আগে বলেনি।

‘সুপারি কিলার’ শিমুল ভুঁইয়াকে খুনের জন্য শাহিন নিয়োগ করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই শিমুলই আমানুল্লা আমান নামে জাল পাসপোর্ট নিয়ে কলকাতায় এসে ঘাঁটি গেড়েছিলেন। শিমুলের আবার বহুমাত্রিক পরিচয়। তিনি মাওবাদী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে কালক্রমে ‘খুলনার ত্রাস’ এবং ‘সুপারি কিলার’-এ পরিণত হন বলে পুলিশের দাবি। শিমুল বাংলাদেশে একাধিক খুনের মামলায় অভিযুক্ত। তবে দশ বছরেরও বেশি সময় তাঁর হদিস ছিল না। ২০১৯ নাগাদ নিজের নাম বদলে তিনি আমানুল্লা নামে পাসপোর্ট তৈরি করেন। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, শিমুলের এক আত্মীয় বাংলাদেশে প্রভাবশালী সরকারি অফিসার। সরকারি যোগসাজশ কাজে লাগিয়েই তিনি ওই ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরি করান বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। ওই পাসপোর্ট নিয়েই সাংসদ খুনের দু’সপ্তাহ আগে এ রাজ্যে ঢোকেন শিমুল ওরফে আমানুল্লা। খুনের পরে ১৫ মে তিনি বাংলাদেশে ফিরে যান। পরে এ রাজ্যের তদন্তকারীদের তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তখনই বোঝা যায় আমানুল্লা এবং শিমুল আদতে একই ব্যক্তি।

   সূত্রঃ নন্দবাজার

আপনার স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © News Voice of Bangladesh
Theme Customized BY LatestNews