1. rajubdnews@gmail.com : admin :
  2. newsvob57@gmail.com : News VOB : News VOB
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষমতার অপব্যবহার কখনো স্থায়ী হয় না’ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে ভারত, আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযানে ০৩ জন গ্রেফতার আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী রামিসার বাসায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী অনলাইন জুয়ারসাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারালো বাংলাদেশ প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দুই ভাই হত্যার অভিযোগে চট্টগ্রামে ওসি প্রদীপসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৯২ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্ক :   টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত অফিসার ইনসার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থেকে আমানুল ইসলাম ফারুক ও আজাদুল ইসলাম আজাদ নামের দুই ভাইকে ধরে নিয়ে টেকনাফে ক্রসফায়ারে হত্যার অভিযোগে এ মামলা করা হয়।
নিহতদের বোন জিনাত সুলতানা শাহীন বাদি হয়ে বুধবার চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট কামরুন নাহার রুমির আদালতে মামলাটি দায়ের করেন । পরে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে জেলা পুলিশের এডিশনাল এসপিকে (আনোয়ারা সার্কেল) আগামি ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের আইনি সহায়তায় বাদি এই মামলাটি করেন ।
মামলার আসামিরা হলেন, টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ (৪৫), এসআই ইফতেখারুল ইসলাম (৩৮), কনস্টেবল মাজহারুল (৩৬), দীন ইসলাম (৩৪) ও আমজাদ (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদির আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান জানান, আট লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে বাদির দুই ভাইকে চন্দনাইশ পুলিশের সহায়তায় বাসা থেকে ধরে নিয়ে যান টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। এরপর টেকনাফ নিয়ে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজহারে বাদি জিনাত সুলতানা শাহীন উল্লেখ করেন, গত ১৩ ও ১৫ জুলাই ফারুক ও আজাদকে চন্দনাইশ থানার সহযোগিতায় অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলাও করা হয়। পরে মুক্তিপণের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে তাদেরকে হত্যা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
শাহীন দাবি করেন, তার ভাই আজাদ দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল। গত ৬ রমজান দেশে আসে। বড়ভাই ফারুক দেশে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করতেন। পাশাপাশি তারা স্থানীয়ভাবে পেয়ারা বাগান করতেন। ফারুক ও আজাদ ইয়াবার কারবারে কখনো জড়িত ছিলনা বলে তিনি দাবি করেন।

আপনার স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © News Voice of Bangladesh
Theme Customized BY LatestNews