ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ Logo ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা Logo চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার Logo হাল ফ্যাশনের সঙ্গে অ্যানেক্সের সমঝোতা, লক্ষ্য ব্যবসায়িক সাফল্য Logo পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, দেওবন্দে ৫ হাজার প্রতিনিধির সম্মেলন Logo ব্যালন ডি’অর: তারায় খচিত লন্ডন Logo অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয় Logo সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদালত অবমাননার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী Logo সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে হামলা Logo হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ার জটিলতা, দূরদূরান্তের শিশুদের শেষ ভরসা ঢাকা

পাঁচ জেলা শহরে কত পুকুর, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের নির্দিষ্ট পাঁচটি জেলা শহরের জলাধার রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে উচ্চ আদালত। রেকর্ডে থাকা কোনো পুকুর বা জলাশয় যাতে প্রভাবশালীরা দখল কিংবা ভরাট করতে না পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মনিটরিং কমিটিকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে। জলাভূমি ধ্বংসের মহোৎসব রোধে আদালতের এই পদক্ষেপকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

আদালতের এই নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর শহর এলাকায় অবস্থিত সব পুকুরের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কোনোরকম কারসাজি করে যাতে প্রাকৃতিক জলাধারগুলোর শ্রেণি পরিবর্তন করা না যায়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে যৌথভাবে এই মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পুকুর ভরাট ও দখল প্রক্রিয়া বন্ধে এই তালিকা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শহরাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে পুকুর ও জলাশয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। অথচ অপরিকল্পিত নগরায়ন ও আইন অমান্য করে একের পর এক পুকুর ভরাট করে চলেছেন এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পরই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খুব দ্রুত নির্ধারিত জেলাগুলোর পুকুরের তালিকা আদালতে দাখিল করতে হবে।

আদালতের এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনিটরিং কমিটি তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবে। সাধারণ নাগরিক সমাজ আশা করছে, আদালতের এই হস্তক্ষেপে দেশের ৫ জেলা শহরের জলাধারগুলো স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin 12

জনপ্রিয় সংবাদ

গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ

পাঁচ জেলা শহরে কত পুকুর, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

আপডেট এর সময় : ১০ ঘন্টা আগে

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের নির্দিষ্ট পাঁচটি জেলা শহরের জলাধার রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে উচ্চ আদালত। রেকর্ডে থাকা কোনো পুকুর বা জলাশয় যাতে প্রভাবশালীরা দখল কিংবা ভরাট করতে না পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মনিটরিং কমিটিকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে। জলাভূমি ধ্বংসের মহোৎসব রোধে আদালতের এই পদক্ষেপকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

আদালতের এই নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর শহর এলাকায় অবস্থিত সব পুকুরের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কোনোরকম কারসাজি করে যাতে প্রাকৃতিক জলাধারগুলোর শ্রেণি পরিবর্তন করা না যায়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে যৌথভাবে এই মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পুকুর ভরাট ও দখল প্রক্রিয়া বন্ধে এই তালিকা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শহরাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে পুকুর ও জলাশয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। অথচ অপরিকল্পিত নগরায়ন ও আইন অমান্য করে একের পর এক পুকুর ভরাট করে চলেছেন এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পরই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খুব দ্রুত নির্ধারিত জেলাগুলোর পুকুরের তালিকা আদালতে দাখিল করতে হবে।

আদালতের এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনিটরিং কমিটি তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবে। সাধারণ নাগরিক সমাজ আশা করছে, আদালতের এই হস্তক্ষেপে দেশের ৫ জেলা শহরের জলাধারগুলো স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে।