Newsvob.com. বিশেষ প্রতিবেদনঃ রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিক্সা নিয়ে চলছে একটি সিন্ডিকেট চক্রের ব্যাপক চাঁদাবাজি নৈরাজ্য প্রশাসন নির্বিকার “এ অরাজকতা যেন দেখার কেউ নেই”। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে স্থানীয় থানা পুলিশ প্রশাসন এ ব্যাপারে নিতান্ত রহস্যজনকভাবে অবহেলা আর উদাসীনতার চাদর মুড়ি দিয়ে রয়েছে। তা নাহলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগার উপর একেবারে চোখের সামনে কি ভাবে প্রকাশ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি করছে। অত্যন্ত আশ্চার্য জনকভাবে তারা তাদের দায়ীত্ব কর্তব্য ভুলে গিয়ে নিরব দর্শকের অবয়বে খিয়ানতকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে তামাশা দেখেছে আর নিজের পকেট ভারি করছে এ বড়ই আজব ব্যাপার। নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় চাদাবাজ সিন্ডিকেটের হোতা কুখ্যাত রিক্সা চোরের লিডার বশির মাহাজন। তার নিজের রয়েছে ৮০টি ব্যটারিচালিত রিক্সা যার বেশির ভাগই চোরাই রিক্সা। শুধু তাই নয় এই কোন ব্যাটারিচালিত রিক্সা চুরি হলে তার সাথে যোগাযোগ করে তাদের নির্ধারিত টাকা দিয়ে দিলে রিক্সা ফেরত দেয়। আর এই রিক্সা চোরের সর্দার বশির মেরুল বাড্ডা ও দক্ষিন বাড্ডা এলাকার ব্যাটারিচালিত রিক্সার চাঁদাবাজি সে নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিটি ব্যাটারিচালিত ডিজিটাল রিক্সা থেকে লাইন খরচ বাবদ প্রতি মাসে ১৫০০(পনের শত) টাকা চাদা আদায় করছে। এ ভাবে তারা দীর্ঘদিন যাবত শত শত ব্যাটারিচালিত ডিজিটাল রিক্সা থেকে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির মাধ্যমে ভাগবাটোয়ারা করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। কুখ্যাত রিক্সা চোর সিন্ডিকেটের হোতা বশির এখন কোটি কোটি টাকার ধন সম্পদের মালিক। আর তাই অন্যান্য সচেতন রিক্সা মালিকদের দাবি বশিরের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ তদন্ত করা হোক তার ওই বিপুল পরিমাণ সম্পদের উৎস কি ? কোথা থেকে এলো তার এতো অর্থ সম্পদ। তবেই তার রহস্যের মূখোসের ভেদ উন্মোচিত হবে। এ দিকে বাড্ডা থানার পোস্ট অফিস রোড এলাকার ব্যাটারিচালিত রিক্সা চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে আলম, বারেক ও আফজাল। তারাও প্রতিটি ব্যাটারিচালিত রিক্সা থেকে লাইন খরচ বাবদ প্রতি মাসে ১৫০০(পনের শত) টাকা চাঁদা আদায় করছে। এ ভাবে তারা প্রতি মাসে প্রায় ৪০০(চার শত) ওই রিক্সা থেকে ৬০০০০০(ছয় লক্ষ) টাকা চাদা আদায় করে ভাগবাটোয়ারার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে। তাদের নির্ধারিত চাঁদা দিতে দেরি হলে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ দিয়ে রেকার বিল এর নামে ৭০০(সাত শত) টাকা থেকে শুরু করে ১২০০(বার শত) টাকা আদায় করছো। আর তা নাহলে ডাম্পিং এর নামে গরীবের রিক্সাটি বরবাদ করে দিচ্ছে। রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সব কিছু গ্রাস করে নেয় তখন শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকে না। সুশাসন তখন কাগজ কলমে ফাইল বন্দি হয়ে পড়ে। তখন চারিদিকে অনিয়ম ঘুষ দূর্নীতি চাঁদাবাজি অরাজকতায় সমাজ একেবারে সয়লাব হয়ে যায়। আর এই চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রতি নিয়ত সৃষ্ট দ্বন্দ্ব সংঘাতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটছে। ইতিপূর্বে উত্তর বাড্ডা এলাকায় এই ব্যাটারিচালিত রিক্সা চাঁদাবাজি কেন্দ্র করে সৃষ্ট দ্বন্দে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ফরহাদ নৃশংসভাবে খুন হয়। আজো তার খুনের মামলার কোন কিনারা হয়নি। কিন্তু তবুও থেমে নেই চাঁদাবাজি। যারা অসহায় গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া মেহনতি পরিশ্রমী মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায় করছে তারা দেশ জাতি সমাজের দুশমন। আর তাই ক্ষতিগ্রস্থ রিক্সা মালিকদের দাবি অবিলম্বে ওই সব ঘুনে ধরা বর্জুয়া পরধনলোভী চাঁদাবাজ চক্রকে সমুলে উৎখাত করতে হবে। আার তাই এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় বা স্লোগান হোক সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ হটাও নিরীহ রিক্সা শ্রমিক মালিক বাঁচাও