1. rajubdnews@gmail.com : admin :
  2. newsvob57@gmail.com : News VOB : News VOB
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন বিএনইজি ও যায় সময়ের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে মানবাধিকার: এক অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতি —মোহাম্মদ সাফওয়ান মারসাদ হোসেন ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল কুচকাওয়াজ শেষে সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িতে জাতীয় পতাকা পদ্মায় বাসডুবি: এখনও ৩৩ জন পানির নিচে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক: ইরান যুদ্ধে মোতায়েন মার্কিন রণতরিতে আগুন ক্রিকেটারদের জন্য ঈদ উপহার পাঠাচ্ছে বিসিবি, পাবেন স্ত্রীরাও বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

বাড়িতে পুষ্টিবাগান করতে ৪৩৮ কোটি টাকা যারা পাবেন

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৬৪০ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্ক :  আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।   কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘অনাবাদী পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পটি ৪৩৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা খরচে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় গ্রামের মানুষ বসতবাড়ির আঙিনা, পুকুর ও খালের পাড়, বাড়ির আশপাশ, স্যাঁতসেঁতে ছায়াযুক্ত প্রতি ইঞ্চি অব্যবহৃত ও অনাবাদি জমিতে শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদন করবেন। এতে মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর হওয়ার পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে বর্তমানে পতিত ও অনাবাদি কিন্তু আবাদ হতে পারে এমন জমির পরিমাণ ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৬৬৮ হেক্টর। এই হিসাবে অবশ্য হাওর ও পাহাড়ের কিছু অংশ নেই। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এই প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে নেওয়া ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৬টি প্রদর্শনী খামারে ১২ ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করা যাবে। একই সঙ্গে ফলের চাষও করা যাবে। শাকসবজির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো ফুলকপি, মুলা, বেগুন, বাঁধাকপি, মরিচ, লাউ, কুমড়া; আর ফলের মধ্যে থাকবে মাল্টা, পেঁপে, থাই পেয়ারা ইত্যাদি। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রস্তাবিত খামারের মডেল এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে একজন কৃষক সারা বছরই খামার থেকে কিছু না কিছু পাবেনই। কখনো সবজি থাকবে, আবার কখনো থাকবে ফল। এ জন্য প্রায় আড়াই লাখ কৃষক এবং ১০ হাজার কৃষি কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রকল্পের টাকা যারা পাবেনযেসব পরিবার সরকারের এই সুবিধা পাবে, তার একটা মানদণ্ড ঠিক করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তাতে বলা হয়েছে, যেসব পরিবারের এক থেকে দেড় শতাংশ পরিমাণ পতিত জমি আছে, তারা এই সুবিধা পাবে। প্রতি ইউনিয়নে ৩২টি প্রদর্শনী খামার হবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে ১ হাজার ৯৩৫ টাকা দেওয়া হবে। এর বাইরে বীজ ও সারের ব্যবস্থাসহ সাইনবোর্ড টাঙানোর কাজ করে দেবে সরকার।

 

আপনার স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © News Voice of Bangladesh
Theme Customized BY LatestNews