আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মক্কা জোটে ইরানের অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ফ্রন্টিয়ার কোরের সাবেক কমান্ডার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল তারিক খান। তার মতে, এই জোট শেষ পর্যন্ত একটি কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারবে কি না, তা মূলত তেহরানের যুক্ত হওয়ার ওপরই নির্ভর করছে।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত মক্কা জোটের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ইরানি কর্মকর্তাদের हालिया বৈঠকগুলোকে নিছক সাধারণ কূটনৈতিক আলোচনা হিসেবে দেখছেন না এই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। বরং তার মতে, এই ধরনের সংলাপ হলো মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা কেমন হবে, তা নির্ধারণের চলমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতারই একটি অংশ। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ভবিষ্যতের এই আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় ইসরাইলের অবস্থান কী হবে এবং এই অঞ্চলের দেশগুলো ইসরাইলি নীতিগুলো কতটা মেনে নিতে প্রস্তুত, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তারিক খান উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যতের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি কেমন হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে প্রশ্নটি এখন কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য দ্বন্দ্বের সমাপ্তি কোথায় ঘটবে, তা নিয়ে সীমাবদ্ধ নেই। বরং দীর্ঘদিনের পুরোনো আঞ্চলিক ব্যবস্থার পরিবর্তে ভবিষ্যতে কেমন নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তার সমীকরণ গড়ে উঠবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় ও প্রধান প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই পুরো প্রক্রিয়ায় কূটনীতি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের কৌশলগত অবস্থানই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

নির্মাণের এক সপ্তাহেই পায়ের ঘষায় উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং
প্রতিনিধির নাম : 






















