নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ বিনোদন ডেস্কঃ রণবীরের হাঁটুর বয়সি নায়িকা সারাকে কতটা চেনেন? ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পর নতুন আলোচনায় বলিউডে বয়স–রসায়নের এই নতুন সমীকরণ
বছরের শেষ দিকে মুক্তি পেয়েই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে আদিত্য ধর পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। ছবিটি মুক্তির প্রথম কয়েকদিনেই বক্স অফিসে চমক দেখিয়েছে। গল্প, নির্মাণ, অ্যাকশন–সব মিলিয়ে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিনেমাটি। তবে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আলোচনায়—তা হলো সিনেমার নতুন জুটি রণবীর সিং ও সারা অর্জুন।
“সারার অনস্ক্রিন সামর্থ্য রণবীরের অভিজ্ঞতার সঙ্গে পুরোপুরি টেক্কা দিয়েছে।”
“বয়স ব্যবধান বুঝতেই দেয়নি তাদের অভিনয়।”
অভিনয় সমালোচকরাও একমত—সারা বয়সের তুলনায় বেশি পরিণত, মার্জিত ও সংবেদনশীল পারফরম্যান্স দিয়েছেন।
নতুন হওয়া সত্ত্বেও সারা নিজের চরিত্রের জন্য তিন মাসের ওয়ার্কশপ করেছেন।
চরিত্রের মানসিকতা, বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ, সংলাপ—সবকিছুতে ছিল তার মনোযোগ। পরিচালক আদিত্য ধর জানান—
“সারার মধ্যে এক ধরনের কৌতূহল আছে—সে জানতে চায়, বুঝতে চায়, বারবার চেষ্টা করতে চায়। এই মানসিকতার জন্যই সে রণবীরের বিপরীতে দাঁড়াতে পেরেছে।”
তিনি আরও জানান, শুটিং সেটে সারার এনার্জি পুরো ইউনিটকে অনুপ্রাণিত করত।
‘ধুরন্ধর’ মূলত একটি থ্রিলার–ড্রামা, যেখানে চরিত্রগুলোর আবেগ, দ্বন্দ্ব এবং সম্পর্ক সিনেমার প্রাণ। পরিচালক চরিত্রদুটি এমনভাবে সাজিয়েছেন যে, বয়সের পার্থক্য গল্পের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
সমালোচকদের মতে—
গল্পে বয়সের ফারাক ব্যবহার হয়েছে ক্যারেক্টারের গভীরতা তৈরির জন্য।
জুটিটি গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, গিমিক হিসেবে নয়।
মুক্তির পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে—
রণবীর–সারার দৃশ্যগুলো সবচেয়ে বেশি শেয়ার হচ্ছে
নতুন নায়িকা হিসেবে সারাকে নিয়ে প্রশংসার ঢেউ
অনেকেই বলছেন, “ভবিষ্যতের বড় তারকা
প্রথম সপ্তাহেই সিনেমাটি সংগ্রহ করেছে চমৎকার আয়। ফলে ইতিমধ্যে বলা হচ্ছে—
এটি হতে পারে বছরের শেষের সবচেয়ে সফল সিনেমাগুলোর একটি
রণবীরের ক্যারিয়ারে নতুন একটি মাইলফলক
সারার প্রথম মেজর রিলিজ হিসেবে বড় অর্জন