ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo সালমান শাহ হত্যা মামলার এজাহারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, উঠে এলো ১১ জনের নাম Logo প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন কাল Logo জুলাই যোদ্ধাদের পাশে প্রধানমন্ত্রী, উপহার দিলেন অটোরিকশা-রিকশা Logo মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে : ডা. জুবাইদা রহমান Logo ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য: প্রধানমন্ত্রী Logo মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সিল-স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার; বিপুল আলামত উদ্ধার Logo জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী Logo মিরপুর মডেল থানার অভিযানে ৯০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ২৮ লাখ টাকার জাল নোটসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে গুলশান থানা পুলিশ Logo যেকোনো সময় বেনজীরের প্রত্যাবর্তন

সুরের জগৎ থেকে চিরবিদায় নিলেন বলিউডের গজ়ল শিল্পী পঙ্কজ উধাস

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৫১০ বার পঠিত হয়েছে
 নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ   বিনোদন ডেস্কঃ    ৭২ বছর বয়সে চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন গায়ক। দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণের খবর সুনিশ্চিত করেছেন শিল্পীর মেয়ে নায়াব উধাস। তিনি বলেন, ‘‘গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উধাস ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হয়েছেন। ’’ মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে সকাল ১১ টা নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতজগৎ।
অনুষ্ঠান, অ্যালবাম, ছবির গানে আশির দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ। ‘চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ’, ‘না কাজরে কি ধার’, ‘দিওয়ারোঁ সে মিল কর রোনা’, ‘আহিস্তা’, ‘থোড়ি থোড়ি প্যার করো’, নিকলো না বেনকাব’— পঙ্কজ উধাসের গাওয়া সব গজ়ল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। ‘নশা’, ‘পয়মানা’, ‘হসরত’, ‘হামসফর’-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
১৯৫১ সালের ১৭ মে গুজরাতের জেটপুরে জন্ম পঙ্কজ উধাসের। কেশুভাই উধাস ও জিতুবেন উধাসের তিন সন্তানের মধ্যে পঙ্কজ ছিলেন কনিষ্ঠ। পরিবারসূত্রেই তাঁর সঙ্গীতে হাতেখড়ি। সন্তানদের সঙ্গীতের প্রতি উৎসাহ দেখে কেশুভাই তাঁদের রাজকোটের সঙ্গীত অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দেন। শুরুতে তবলার প্রশিক্ষণ নিলেও পরবর্তী সময়ে গুলাম কাদির খানের কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নিতে শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে গোয়ালিয়র ঘরানার জনপ্রিয় শিল্পী নবরং নাগপুরকরের কাছে তালিম নিতে পঙ্কজ মুম্বই চলে আসেন।
সিনেমার গানে তাঁর অভিষেক হয় ‘হম তুম ওউর ওহ’ ছবির মাধ্যমে। তবে ১৯৮৬ সালে ‘নাম’ ছবিতে তাঁর গাওয়া ‘চিঠঠি আয়ি হ্যয়’ গানটি তাঁকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়। তার পর ১৯৯১ সালে ‘সাজন’ ছবির ‘জিয়ে তো জিয়ে’ গানটিও তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম হিট।
সারা জীবনে দেশ-বিদেশের একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন পঙ্কজ উধাস। ২০০৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে। শিল্পীর প্রয়াণে দেশের সঙ্গীত জগতের বিশিষ্টরা সমাজমাধ্য়মে শোকবার্তা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে খবর শোকার্ত সোনু নিগম। তিনি সমাজমাধ্যমের পাতায় লেখেন, ‘‘ আমার শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায় পঙ্কজ উধাস, তাঁকে হারিয়ে ফেললাম। আপনাকে আজীবন মিস্ করব। আপনার মৃত্যুর খবরে শোকাহত।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা মামলার এজাহারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, উঠে এলো ১১ জনের নাম

সুরের জগৎ থেকে চিরবিদায় নিলেন বলিউডের গজ়ল শিল্পী পঙ্কজ উধাস

আপডেট এর সময় : ০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
 নিউস ভয়েস অফ বাংলাদেশ   বিনোদন ডেস্কঃ    ৭২ বছর বয়সে চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন গায়ক। দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণের খবর সুনিশ্চিত করেছেন শিল্পীর মেয়ে নায়াব উধাস। তিনি বলেন, ‘‘গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উধাস ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হয়েছেন। ’’ মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে সকাল ১১ টা নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতজগৎ।
অনুষ্ঠান, অ্যালবাম, ছবির গানে আশির দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ। ‘চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ’, ‘না কাজরে কি ধার’, ‘দিওয়ারোঁ সে মিল কর রোনা’, ‘আহিস্তা’, ‘থোড়ি থোড়ি প্যার করো’, নিকলো না বেনকাব’— পঙ্কজ উধাসের গাওয়া সব গজ়ল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। ‘নশা’, ‘পয়মানা’, ‘হসরত’, ‘হামসফর’-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
১৯৫১ সালের ১৭ মে গুজরাতের জেটপুরে জন্ম পঙ্কজ উধাসের। কেশুভাই উধাস ও জিতুবেন উধাসের তিন সন্তানের মধ্যে পঙ্কজ ছিলেন কনিষ্ঠ। পরিবারসূত্রেই তাঁর সঙ্গীতে হাতেখড়ি। সন্তানদের সঙ্গীতের প্রতি উৎসাহ দেখে কেশুভাই তাঁদের রাজকোটের সঙ্গীত অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দেন। শুরুতে তবলার প্রশিক্ষণ নিলেও পরবর্তী সময়ে গুলাম কাদির খানের কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নিতে শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে গোয়ালিয়র ঘরানার জনপ্রিয় শিল্পী নবরং নাগপুরকরের কাছে তালিম নিতে পঙ্কজ মুম্বই চলে আসেন।
সিনেমার গানে তাঁর অভিষেক হয় ‘হম তুম ওউর ওহ’ ছবির মাধ্যমে। তবে ১৯৮৬ সালে ‘নাম’ ছবিতে তাঁর গাওয়া ‘চিঠঠি আয়ি হ্যয়’ গানটি তাঁকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়। তার পর ১৯৯১ সালে ‘সাজন’ ছবির ‘জিয়ে তো জিয়ে’ গানটিও তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম হিট।
সারা জীবনে দেশ-বিদেশের একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন পঙ্কজ উধাস। ২০০৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে। শিল্পীর প্রয়াণে দেশের সঙ্গীত জগতের বিশিষ্টরা সমাজমাধ্য়মে শোকবার্তা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে খবর শোকার্ত সোনু নিগম। তিনি সমাজমাধ্যমের পাতায় লেখেন, ‘‘ আমার শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায় পঙ্কজ উধাস, তাঁকে হারিয়ে ফেললাম। আপনাকে আজীবন মিস্ করব। আপনার মৃত্যুর খবরে শোকাহত।