এতে সভাপতির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম জাহাঙ্গীর আলম। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত মাওলানা মো. আখতার হোসাইন।
ইউএনও শারমিন আক্তার বলেন, জেলেরা নদীতে নামলে তা সহ্য করা হবে না। তাই জাটকা রক্ষায় কাউকেই ছাড় দেয়া যাবে না ও কারো সাথে আপস নয়। কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়, আইনের বাইরে যাওয়া যাবে না। আটককৃতদের আইনের মাধ্যমেই শাস্তি দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি প্রয়োগ করবো। প্রশাসন দিয়ে মাছ নিধন বন্ধ করা যাবে না, এ ক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশ রক্ষায় মতলব উত্তরে যে সফলতা এসেছে তা মতলব উত্তর উপজেলা প্রশাসন নিয়ে যাবে না, এই সফলতা মতলব উত্তরেই থেকে যাবে। আমি এখান থেকে চলে যাওয়ার পর আমার মাথা থেকেও ইলিশ মাছ চলে যাবে। সরকার আমাকে বেতন দিয়ে রেখেছেন বলেই আমি ইলিশ রক্ষাকে দায়িত্ব হিসেবে মেনে নিয়ে কাজ করছি। তাই চাঁদপুরের সম্মান রক্ষার্থেই আপনাদের নিজেদের জাটকা নিজেরাই রক্ষা করতে হবে।
জেলে নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জাটকা রক্ষা কার্যক্রম সফলকরণে জেলে নেতাদের ভূমিকা রয়েছে। তাই কী করে মাছ নিধন বন্ধ করা যায়, সেজন্যে আপনারা নিজেরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন।
প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার মনির হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল কাইয়ুম খান, সমবায় কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, সাইট অফিসার তৌফিকুর রহমান, এসআই গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। সভায় কাউন্সিল কমিটির সদস্য, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলে প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলে ইলিশ রক্ষা, প্রজননসহ বিভিন্ন বিষয়ে উম্মুক্ত আলোচনা করেন।