ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ Logo ১৫ বছর পর আবারও একসঙ্গে শাহরুখ-কারিনা, ‘কিং’-এ বিশেষ চমক Logo একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া

অসহায় ক্রেতারা

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
  • ৩৮৭ বার পঠিত হয়েছে

  Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ  হাট ভর্তি গরু-ছাগল। বড়-মাঝারি সাইজের গরু সাজিয়ে বসেছেন বেপারিরা। তবে দামের ব্যাপারে অনেকটাই বেপারোয়া তারা। আর ক্রেতারাও অসহায়। অনেক বেপারি বলছেন, যদি গরু বিক্রি করতে না পারি তাহলে বাড়ি নিয়ে যাবো। তবুও আমরা যা দাম বলেছি সে দামে বিক্রি করার চেষ্টা করবো। এমন মন্তব্য করায় অনেকটাই অসহায় পড়ছেন ক্রেতারা। অথচো রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা।

তবে এ বছর পশু কেনা ও লালনপালনে অনেক খরচ বাড়ায় কোরবানির পশু দাম একটু বাড়তি চাচ্ছেন বেপারিরা। তারা বলছেন, গরু লালন-পালনে অনেক খরচ। ন্যায্য দামই চাচ্ছেন তারা।

বাড্ডার বাসিন্দা সরদার নাসির বলেন, ৭২ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনলাম। এবার দাম কিছুটা বেশি। গতবার এই আকারের গরু কিনেছে ৬২ হাজার টাকায়।

গুলশানের বাসিন্দা রিফাত শাহরিয়ার বলেন, এবার দামটা একটু বেশি মনে হচ্ছে। আর বেপারিরা তো এক দাম বলেই বসে থাকে তারা।

কলাবাগানের বাসিন্দা শোভন জানিয়েছেন, বেপারিরা দাম হাঁকাচ্ছেন বেশি। শুধু হাঁকাচ্ছেন তা-ই না, যা দাম বলছেন, সেখান থেকে নামতেই চাচ্ছেন না তারা।

মিরপুরের সাইদ জানিয়েছেন, দুপুর ২টা এসেছেন গাবতলীর হাটে। উদ্দেশ্য ৬০/৭০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরু কেনা। কিন্তু বেপারিরা যে দাম চাইছেন তা তার কাছে একটু বেশিই মনে হচ্ছে।

কমলাপুরের জাহিদ জানিয়েছে, ২ দিন বিভিন্ন হাটে ঘুরেছি। দাম ও পছন্দসই গরু পাইনি। আজও চেষ্টা করেছি কিন্তু এখনও গরুর দেখা পেলাম না।

আর বরাবরের মতো ক্রেতাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন গরু বেপারিরা। তারা বলছেন, উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপর বৈরি পরিবেশে গরু ঢাকায় আনা, পরিবহন খরচ। সবমিলিয়ে ন্যূনতম লাভের দেখা মিললেই গরু বিক্রি করতে চান তারা।

আফতাবনগর হাটে বগুড়া থেকে আসা বেপারি আসিফ বলেন, সোমবার ৬টি মাঝারি আকারের গরু নিয়ে এ হাটে এসেছি। এর মধ্যে একটি বিক্রি হয়েছে। তবে ক্রেতারা দাম কম বলছেন। এবার গতবারের চেয়ে গরুর দাম একটু বাড়তি। তাই কম দামে গরু বিক্রি করা যাচ্ছে না।

নাটোর থেকে আসা বেপারি মতিন জানিয়েছে, যদি গরু বিক্রি করতে না পারি তাহলে এক হাজার টাকা খরচ করে বাড়ি নিয়ে যাবো তবু দামটা ঠিক মতো না পেলে গরু বিক্রি করবো না।

পাবনার চাটমোহর থেকে ছয়টি গরু নিয়ে এসেছেন সিরাজ মিয়া । চারটি ছোট আকারের গরু বিক্রি হয়ে গেছে। কিন্তু বড় দুটি বিক্রি হচ্ছে না।

আরেক বিক্রেতা মাসুদ বেপারি সাতটা গরু নিয়ে এসেছেন। প্রথম দিকে ভালো দাম বললেও বিক্রি না করে এখন ক্ষতি কমানোর হিসাব কষছেন।

তবে ক্রেতা-বিক্রোতারা মনে করছেন, বিকেল নাগাদ হাটে আরও চাপ বাড়বে গরুর হাটগুলোতে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ

অসহায় ক্রেতারা

আপডেট এর সময় : ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

  Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ  হাট ভর্তি গরু-ছাগল। বড়-মাঝারি সাইজের গরু সাজিয়ে বসেছেন বেপারিরা। তবে দামের ব্যাপারে অনেকটাই বেপারোয়া তারা। আর ক্রেতারাও অসহায়। অনেক বেপারি বলছেন, যদি গরু বিক্রি করতে না পারি তাহলে বাড়ি নিয়ে যাবো। তবুও আমরা যা দাম বলেছি সে দামে বিক্রি করার চেষ্টা করবো। এমন মন্তব্য করায় অনেকটাই অসহায় পড়ছেন ক্রেতারা। অথচো রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা।

তবে এ বছর পশু কেনা ও লালনপালনে অনেক খরচ বাড়ায় কোরবানির পশু দাম একটু বাড়তি চাচ্ছেন বেপারিরা। তারা বলছেন, গরু লালন-পালনে অনেক খরচ। ন্যায্য দামই চাচ্ছেন তারা।

বাড্ডার বাসিন্দা সরদার নাসির বলেন, ৭২ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনলাম। এবার দাম কিছুটা বেশি। গতবার এই আকারের গরু কিনেছে ৬২ হাজার টাকায়।

গুলশানের বাসিন্দা রিফাত শাহরিয়ার বলেন, এবার দামটা একটু বেশি মনে হচ্ছে। আর বেপারিরা তো এক দাম বলেই বসে থাকে তারা।

কলাবাগানের বাসিন্দা শোভন জানিয়েছেন, বেপারিরা দাম হাঁকাচ্ছেন বেশি। শুধু হাঁকাচ্ছেন তা-ই না, যা দাম বলছেন, সেখান থেকে নামতেই চাচ্ছেন না তারা।

মিরপুরের সাইদ জানিয়েছেন, দুপুর ২টা এসেছেন গাবতলীর হাটে। উদ্দেশ্য ৬০/৭০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরু কেনা। কিন্তু বেপারিরা যে দাম চাইছেন তা তার কাছে একটু বেশিই মনে হচ্ছে।

কমলাপুরের জাহিদ জানিয়েছে, ২ দিন বিভিন্ন হাটে ঘুরেছি। দাম ও পছন্দসই গরু পাইনি। আজও চেষ্টা করেছি কিন্তু এখনও গরুর দেখা পেলাম না।

আর বরাবরের মতো ক্রেতাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন গরু বেপারিরা। তারা বলছেন, উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপর বৈরি পরিবেশে গরু ঢাকায় আনা, পরিবহন খরচ। সবমিলিয়ে ন্যূনতম লাভের দেখা মিললেই গরু বিক্রি করতে চান তারা।

আফতাবনগর হাটে বগুড়া থেকে আসা বেপারি আসিফ বলেন, সোমবার ৬টি মাঝারি আকারের গরু নিয়ে এ হাটে এসেছি। এর মধ্যে একটি বিক্রি হয়েছে। তবে ক্রেতারা দাম কম বলছেন। এবার গতবারের চেয়ে গরুর দাম একটু বাড়তি। তাই কম দামে গরু বিক্রি করা যাচ্ছে না।

নাটোর থেকে আসা বেপারি মতিন জানিয়েছে, যদি গরু বিক্রি করতে না পারি তাহলে এক হাজার টাকা খরচ করে বাড়ি নিয়ে যাবো তবু দামটা ঠিক মতো না পেলে গরু বিক্রি করবো না।

পাবনার চাটমোহর থেকে ছয়টি গরু নিয়ে এসেছেন সিরাজ মিয়া । চারটি ছোট আকারের গরু বিক্রি হয়ে গেছে। কিন্তু বড় দুটি বিক্রি হচ্ছে না।

আরেক বিক্রেতা মাসুদ বেপারি সাতটা গরু নিয়ে এসেছেন। প্রথম দিকে ভালো দাম বললেও বিক্রি না করে এখন ক্ষতি কমানোর হিসাব কষছেন।

তবে ক্রেতা-বিক্রোতারা মনে করছেন, বিকেল নাগাদ হাটে আরও চাপ বাড়বে গরুর হাটগুলোতে