ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক Logo মেসিকে অভিনন্দন জানালেন ক্লোসা Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ Logo হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জ Logo মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা Logo শিরোনাম: স্টিল শিল্পে অতিরিক্ত ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি বিএসএমএ’র, উন্নয়ন বাজেট দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ Logo শিরোনাম: শিক্ষা বাজেট নিয়ে ‘কেমন হলো শিক্ষা বাজেট: বাস্তবতা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সমুদ্রতলে পানির চাপে ফেটে যায় ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটি

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৭৯ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ   জার্মানির তৈরি এই সাবমেরিনটি ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। তবে ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠিয়ে এটি আরও উন্নত করা হয়। সেটিই ৫৩ জন নাবিক নিয়ে বালি দ্বীপের কাছে সমুদ্রে টর্পেডো মহড়া চালানোর সময় গায়েব হয়ে যায়।বুধবার মহড়ার জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে শেষ যোগাযোগ করা হয় সাবমেরিনটি থেকে। অনুমতি চাওয়া হয় সমুদ্র গভীরে ডুব দেবার জন্য। অনুমতিও মেলে, কিন্তু তার পরপরই হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সাবমেরিনটি।

টানা উদ্ধার অভিযানের পর শনিবার সাবমেরিনটির বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ মেলে। যেসব জিনিস পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে জায়নামাজ, গ্রিজের একটি বোতল যা লুব্রিক্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়, একটি যন্ত্র যা টর্পোডের হাত থেকে জাহাজটিকে রক্ষায় সাহায্য করে। ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো বলছেন যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে। ইন্দোনেশীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা এয়ার মার্শাল হাদি তিজাহজানতো বলেন, সাবমেরিনের সর্বশেষ অবস্থানের কাছেই এসব জিনিস পাওয়া গেছে। এগুলো সাবমেরিনের অংশ বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তীব্র চাপে না ফেটে গেলে সাবমেরিন থেকে এসব জিনিস কখনো বের হয়ে আসার কথা নয়।

কিন্তু এভাবে কেন নিখোঁজ হলো সামরিক কাজে ব্যবহৃত একটি সাবমেরিন। তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে। স্ক্যান করে দেখা গেছে ডুবোজাহাজটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, এটি তারচেয়েও অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে।

নৌবাহিনী বলছে সাবমেরিনটিতে কোনো সমস্য ছিল না। তবে জাহাজটি যেখানে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে সেখানে কিছু তেল দেখতে পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে তেলের ট্যাঙ্কের হয়তো কোনো ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক বিপর্যয়েরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।সাবমেরিনটি ৩০০ ফুট সমুদ্র গভীরে চলাচলে সক্ষম ছিল। সর্বোচ্চ ৫০০ ফুট সমুদ্রতলের পানির চাপ সহ্য করার ক্ষমতা ছিল সাবমেরিনটির। কোনো না কোনো গোলযোগের কারণে এর চেয়ে গভীরে নেমে যাওয়ায় সেটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে ধারণা করা হচ্ছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক

সমুদ্রতলে পানির চাপে ফেটে যায় ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটি

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ   জার্মানির তৈরি এই সাবমেরিনটি ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। তবে ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠিয়ে এটি আরও উন্নত করা হয়। সেটিই ৫৩ জন নাবিক নিয়ে বালি দ্বীপের কাছে সমুদ্রে টর্পেডো মহড়া চালানোর সময় গায়েব হয়ে যায়।বুধবার মহড়ার জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে শেষ যোগাযোগ করা হয় সাবমেরিনটি থেকে। অনুমতি চাওয়া হয় সমুদ্র গভীরে ডুব দেবার জন্য। অনুমতিও মেলে, কিন্তু তার পরপরই হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সাবমেরিনটি।

টানা উদ্ধার অভিযানের পর শনিবার সাবমেরিনটির বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ মেলে। যেসব জিনিস পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে জায়নামাজ, গ্রিজের একটি বোতল যা লুব্রিক্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়, একটি যন্ত্র যা টর্পোডের হাত থেকে জাহাজটিকে রক্ষায় সাহায্য করে। ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো বলছেন যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে। ইন্দোনেশীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা এয়ার মার্শাল হাদি তিজাহজানতো বলেন, সাবমেরিনের সর্বশেষ অবস্থানের কাছেই এসব জিনিস পাওয়া গেছে। এগুলো সাবমেরিনের অংশ বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তীব্র চাপে না ফেটে গেলে সাবমেরিন থেকে এসব জিনিস কখনো বের হয়ে আসার কথা নয়।

কিন্তু এভাবে কেন নিখোঁজ হলো সামরিক কাজে ব্যবহৃত একটি সাবমেরিন। তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে। স্ক্যান করে দেখা গেছে ডুবোজাহাজটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, এটি তারচেয়েও অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে।

নৌবাহিনী বলছে সাবমেরিনটিতে কোনো সমস্য ছিল না। তবে জাহাজটি যেখানে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে সেখানে কিছু তেল দেখতে পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে তেলের ট্যাঙ্কের হয়তো কোনো ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক বিপর্যয়েরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।সাবমেরিনটি ৩০০ ফুট সমুদ্র গভীরে চলাচলে সক্ষম ছিল। সর্বোচ্চ ৫০০ ফুট সমুদ্রতলের পানির চাপ সহ্য করার ক্ষমতা ছিল সাবমেরিনটির। কোনো না কোনো গোলযোগের কারণে এর চেয়ে গভীরে নেমে যাওয়ায় সেটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে ধারণা করা হচ্ছে।