Newsvob.com.: প্রাগৈতিহাসিকের মত বটগাছটি আছে দাঁড়িয়ে
তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে।
পথিকের প্রাণ জুড়ায়,
স্নিগ্ধ সুশীতল তার ছায়ায়।
কিন্তু এ প্রয়োজন মানুষের, বড় ক্ষণিকের,
দেহমন জুড়ালে পথিকের।
ফিরে যায় আপন ভবনে,
নিত্য ছুটে চলে আপন ভূবনে।
পাখিরা ও তার ডালে বসে
ক্ষণিক তাকে ভালবাসে।
খায় বটফল
করে কলকল
কিচিরমিচির ডালে ডালে, পাতায় পাতায়।
আবার চলে যায়,
নদীর কিনারায় –
পিপাসা মেটায় ।
আবার মিশে যায় অসীম আকাশে,
উড়ে যায় মেঘে, ভাসে বাতাসে।
কিন্ত বটগাছ হায়!
দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়।
রাত যায় দিন যায় সব যায়।
কালের ধ্বনি শুনিতে কি পায়?
নিঃস্বঙ্গ, বড় একাকী!
তার দীর্ঘশ্বাসের শব্দ শুনিতে কেহ পায় কি?
বটগাছের প্রয়োজন ক্ষণিকের তরে
প্রয়োজন শেষে কে তাকে ভেবে মরে?
জীবন যেন তার ধূপকাঠির সাথে তুল্য,
কাঠ হিসাবেও নেই তার কোন মূল্য।
ধূপকাঠি যেমন গন্ধ বিলায়,
নিজেকে নিঃশেষ করে ছাই হয়ে যায়।
বটগাছ ও হায় তেমনি পড়ে থাকে – একাকী,আড়ালে
তার কাছে সবার প্রয়োজন ফুরালে।