ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক Logo মেসিকে অভিনন্দন জানালেন ক্লোসা Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ Logo হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জ Logo মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা Logo শিরোনাম: স্টিল শিল্পে অতিরিক্ত ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি বিএসএমএ’র, উন্নয়ন বাজেট দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ Logo শিরোনাম: শিক্ষা বাজেট নিয়ে ‘কেমন হলো শিক্ষা বাজেট: বাস্তবতা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

চিকিৎসা পেশায় ফিরলেন মিস ইংল্যান্ড

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০
  • ১০৫ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মিস ইংল্যান্ড ২০১৯    হিসেবে পরিচিতি পেলেও ভাষা মুখোপাধ্যায় পেশায় একজন চিকিৎসক। করোনাভাইরাসের সংকটের সময় তাই তিনি গ্লামার জগত ছেড়ে আবারও নিজ পেশায় তিনি ফিরে আসলেন।  খবর এনডিটিভির

কলকাতায় জন্মগ্রহণকারী ভাষা গত বছরের আগস্টে মিস ইংল্যান্ডের শিরোপা অর্জন করেন। এরপর থেকে তিনি চিকিত্সা পেশা ছেড়ে দাতব্য কাজেই মনোযোগ দিতে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু বিশ্বব্যাপি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।
২৪ বছর বয়সী  ভাষা বলেন, ’এটি কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল না। আমি এরই মধ্যে চ্যারিটির অ্যাম্বাসেডর হয়ে আফ্রিকা, তুরস্কে গিয়েছি। এশীয়ান দেশগুলোর মধ্যে প্রথমে ভারতে গিয়েছি। এরপর অন্যান্য দেশেও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে। ‘ তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে কাজে ফিরে যাওয়াই আমার জন্য সেরা কাজ হবে।
জানা গেছে, ভাষা চার সপ্তাহ ধরে ভারতে ছিলেন। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে। তখন পূর্ব ইংল্যান্ডের বোস্টনের পিলগ্রিম হাসপাতালের তার সাবেক সহকর্মীরা তাকে সেখানকার পরিস্থিতি জানিয়ে মেসেজ করতে শুরু করেন। সেখানকার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে তখন থেকেই ভাষা কাজে ফিরবেন বলে মনস্থির করেন।
ভাষা ভারত থেকে ইংল্যান্ড ফিরেছেন বুধবার। মিস ইংল্যান্ড জানান, তিনি ভারত থেকে ফিরে সোজা কাজে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অন্য দেশ থেকে ফেরার কারণে তাকে এক বা দুই সপ্তাহ আইসোশনে থাকতে হবে।  এরপরই কাজে যোগ দেবেন তিনি।
মঙ্গলবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি লোক । এর মধ্যে মারা গেছেন ৬ হাজার ১৫৯ জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক

চিকিৎসা পেশায় ফিরলেন মিস ইংল্যান্ড

আপডেট এর সময় : ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

Newsvob.com.: আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মিস ইংল্যান্ড ২০১৯    হিসেবে পরিচিতি পেলেও ভাষা মুখোপাধ্যায় পেশায় একজন চিকিৎসক। করোনাভাইরাসের সংকটের সময় তাই তিনি গ্লামার জগত ছেড়ে আবারও নিজ পেশায় তিনি ফিরে আসলেন।  খবর এনডিটিভির

কলকাতায় জন্মগ্রহণকারী ভাষা গত বছরের আগস্টে মিস ইংল্যান্ডের শিরোপা অর্জন করেন। এরপর থেকে তিনি চিকিত্সা পেশা ছেড়ে দাতব্য কাজেই মনোযোগ দিতে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু বিশ্বব্যাপি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।
২৪ বছর বয়সী  ভাষা বলেন, ’এটি কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল না। আমি এরই মধ্যে চ্যারিটির অ্যাম্বাসেডর হয়ে আফ্রিকা, তুরস্কে গিয়েছি। এশীয়ান দেশগুলোর মধ্যে প্রথমে ভারতে গিয়েছি। এরপর অন্যান্য দেশেও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে। ‘ তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে কাজে ফিরে যাওয়াই আমার জন্য সেরা কাজ হবে।
জানা গেছে, ভাষা চার সপ্তাহ ধরে ভারতে ছিলেন। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে। তখন পূর্ব ইংল্যান্ডের বোস্টনের পিলগ্রিম হাসপাতালের তার সাবেক সহকর্মীরা তাকে সেখানকার পরিস্থিতি জানিয়ে মেসেজ করতে শুরু করেন। সেখানকার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে তখন থেকেই ভাষা কাজে ফিরবেন বলে মনস্থির করেন।
ভাষা ভারত থেকে ইংল্যান্ড ফিরেছেন বুধবার। মিস ইংল্যান্ড জানান, তিনি ভারত থেকে ফিরে সোজা কাজে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অন্য দেশ থেকে ফেরার কারণে তাকে এক বা দুই সপ্তাহ আইসোশনে থাকতে হবে।  এরপরই কাজে যোগ দেবেন তিনি।
মঙ্গলবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি লোক । এর মধ্যে মারা গেছেন ৬ হাজার ১৫৯ জন।