ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক Logo মেসিকে অভিনন্দন জানালেন ক্লোসা Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ Logo হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জ Logo মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা Logo শিরোনাম: স্টিল শিল্পে অতিরিক্ত ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি বিএসএমএ’র, উন্নয়ন বাজেট দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ Logo শিরোনাম: শিক্ষা বাজেট নিয়ে ‘কেমন হলো শিক্ষা বাজেট: বাস্তবতা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০১৯
  • ১০৯ বার পঠিত হয়েছে
আল মামুন সোহাগ, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ সন্তান মেনে না নেয়ায় চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে এক ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদনণ্ড দেয়া হয়েছে।
 রবিবার দুপুরে আসামি হাশেম আলীর উপস্থিতিতে এ রায় দেন চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক জিয়া হায়দার।
এ মামলার বাদী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সুলতানপুর বাগানপাড়ার কাজুলী খাতুন গত ২০১৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর
চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে এক লিখিত অভিযোগ দিলে তারই ভিত্তিতে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬
ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে তার বাবার বাড়িতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একই গ্রামের হাশেম আলী তার
সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এরপর সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। হাশেম আলীকে বিয়ের কথা বললে সে সেটা অস্বীকার করে। তারপর আদালত এ বিষয়টি তদন্তের জন্য দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূরজাহান খানমকে আদেশ দেয়। নূরজাহান খানমসহ চার সদস্যের একটি কমিটি ওই ঘটনার তদন্ত করে ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য আদালতে মত প্রকাশ করেন।
আদালত সেই মোতাবেক প্রমান করা যায় এমন উপাত্ত, দামুড়হুদা মডেল থানার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর আদেশ দেয়।  সেই আদেশ পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা কর্তৃপক্ষ ঢাকা সিআইডি দপ্তরে ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য উপাত্ত গুলো পাঠায় । সেখান থেকে পরীক্ষা শেষে সে গুলো আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এরই মধ্যে কাজুলী খাতুন একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেয়। তার নাম হাসিলা খাতুন (৩)। এ ঘটনার ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে ১৩৫/১৫ মামলা দায়ের হয়।
চার জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমানে আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জিয়া হায়দার উল্লেখিত রায় ঘোষনা করেন।
 রায়ে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে এক ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদনণ্ড দেয়া হয়েছে।
আসামী পক্ষের কৌশলী এ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দিন খান ও রাষ্ট্র পক্ষের কৌশলী পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মামলাটি পরিচালনা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার মাস সেরা মুশফিক

চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট এর সময় : ১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০১৯
আল মামুন সোহাগ, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ সন্তান মেনে না নেয়ায় চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে এক ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদনণ্ড দেয়া হয়েছে।
 রবিবার দুপুরে আসামি হাশেম আলীর উপস্থিতিতে এ রায় দেন চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক জিয়া হায়দার।
এ মামলার বাদী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সুলতানপুর বাগানপাড়ার কাজুলী খাতুন গত ২০১৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর
চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে এক লিখিত অভিযোগ দিলে তারই ভিত্তিতে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬
ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে তার বাবার বাড়িতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একই গ্রামের হাশেম আলী তার
সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এরপর সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। হাশেম আলীকে বিয়ের কথা বললে সে সেটা অস্বীকার করে। তারপর আদালত এ বিষয়টি তদন্তের জন্য দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূরজাহান খানমকে আদেশ দেয়। নূরজাহান খানমসহ চার সদস্যের একটি কমিটি ওই ঘটনার তদন্ত করে ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য আদালতে মত প্রকাশ করেন।
আদালত সেই মোতাবেক প্রমান করা যায় এমন উপাত্ত, দামুড়হুদা মডেল থানার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর আদেশ দেয়।  সেই আদেশ পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা কর্তৃপক্ষ ঢাকা সিআইডি দপ্তরে ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য উপাত্ত গুলো পাঠায় । সেখান থেকে পরীক্ষা শেষে সে গুলো আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এরই মধ্যে কাজুলী খাতুন একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেয়। তার নাম হাসিলা খাতুন (৩)। এ ঘটনার ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে ১৩৫/১৫ মামলা দায়ের হয়।
চার জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমানে আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জিয়া হায়দার উল্লেখিত রায় ঘোষনা করেন।
 রায়ে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে এক ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদনণ্ড দেয়া হয়েছে।
আসামী পক্ষের কৌশলী এ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দিন খান ও রাষ্ট্র পক্ষের কৌশলী পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মামলাটি পরিচালনা করেন।