ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দৌলতপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা অর্ধশতাধিক স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ Logo ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন ‘ব্যাখ্যা’ দিতে হলো পুলিশকে? Logo ব্যালন ডি’অরের আগমুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নিলেন এমবাপ্পে Logo অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন… Logo মক্কা জোটে ইরানের যোগদান নির্ধারণ করবে নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণ Logo শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদক লড়াই থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ Logo গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ Logo ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা Logo চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার Logo হাল ফ্যাশনের সঙ্গে অ্যানেক্সের সমঝোতা, লক্ষ্য ব্যবসায়িক সাফল্য

সংবিধান সংশোধন করবেন, আদালত সেটিকে হোয়াইটওয়াশ করে দেবে, তাতে আমরা রাজি নই: জামায়াত আমির

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ক্ষমতায় গিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো অতীতের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেয় না এবং বিএনপিও অতীতে একই পথ অনুসরণ করেছে। সংবিধান পরিবর্তন কিংবা সংশোধনের এই মানসিকতা থেকে বর্তমান প্রশাসনকে অবিলম্বে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তড়িঘড়ি করে বা নিজেদের মতো করে সংবিধান সংশোধন করা হলে পরবর্তীতে আদালতের রায়ের মাধ্যমে তা কেবল আইনি বৈধতা পাওয়ার চেষ্টা করা হবে, যাকে তিনি এক ধরনের ‘হোয়াইটওয়াশ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জামায়াত প্রধান সাফ জানিয়ে দেন যে, বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধরনের মারপ্যাঁচ বা আইনি ধোঁয়াশার মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন ঘটানোর কোনো পদক্ষেপে তারা কিছুতেই সম্মতি দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংবিধান সংস্কার বা সংশোধনের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি ইস্যু। এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে নানা ধরনের মতপার্থক্য ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উত্তাপ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সবমিলিয়ে, দেশের ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা ও আইনি কাঠামোর স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজনৈতিক ঐকমত্যের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে সংবিধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে জামায়াত আমিরের এই শক্ত অবস্থান সরকারের পরবর্তী নীত নির্ধারণী পদক্ষেপে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin 12

জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা অর্ধশতাধিক স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

সংবিধান সংশোধন করবেন, আদালত সেটিকে হোয়াইটওয়াশ করে দেবে, তাতে আমরা রাজি নই: জামায়াত আমির

আপডেট এর সময় : ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ক্ষমতায় গিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো অতীতের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেয় না এবং বিএনপিও অতীতে একই পথ অনুসরণ করেছে। সংবিধান পরিবর্তন কিংবা সংশোধনের এই মানসিকতা থেকে বর্তমান প্রশাসনকে অবিলম্বে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তড়িঘড়ি করে বা নিজেদের মতো করে সংবিধান সংশোধন করা হলে পরবর্তীতে আদালতের রায়ের মাধ্যমে তা কেবল আইনি বৈধতা পাওয়ার চেষ্টা করা হবে, যাকে তিনি এক ধরনের ‘হোয়াইটওয়াশ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জামায়াত প্রধান সাফ জানিয়ে দেন যে, বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধরনের মারপ্যাঁচ বা আইনি ধোঁয়াশার মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন ঘটানোর কোনো পদক্ষেপে তারা কিছুতেই সম্মতি দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংবিধান সংস্কার বা সংশোধনের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি ইস্যু। এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে নানা ধরনের মতপার্থক্য ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উত্তাপ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সবমিলিয়ে, দেশের ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা ও আইনি কাঠামোর স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজনৈতিক ঐকমত্যের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে সংবিধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে জামায়াত আমিরের এই শক্ত অবস্থান সরকারের পরবর্তী নীত নির্ধারণী পদক্ষেপে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।