ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

গুলশানে অভিনব কায়দায় প্রতারনা

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০
  • ১০১ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্ক : আজ রবিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই দাবি করেছেন ফার্স্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক আবু সাদেক। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি ২০০৩ সাল থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডব্লিউটিএ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে ঠিকাদারি ও ড্রেজিংয়ের কাজ করেন। নদী খননের জন্য একটি ড্রেজিং মেশিন আমদানী করতে গিয়ে একটি কোম্পানীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন।সুসজ্জিত অফিস আর সুন্দুরী নারী দিয়ে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে খোলা একটি কোম্পানীর প্রতারণার খপ্পড়ে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন এক ব্যবসায়ী। তিনি নদী খনন ও ড্রেজিং ব্যবসায়ী হিসেবে সরকারী তালিকাভূক্ত ঠিকাদার। নদী খননের জন্য ড্রেজার কিনতে গিয়েই প্রতারণার খপ্পড়ে পড়েন তিনি। প্রতারক চক্রটি প্রায় আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এখন টেলিফোনে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। প্রতারক চক্রটি বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরে বসে এমন প্রতারণা করে যাচ্ছে।

তানিম ও ফাহমিদা নামের দুই জন পুরো প্রক্রিয়াটি করেন। চুক্তি মোতাবেক ড্রেজারের মূল্যের ১০ শতাংশ ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আগে কোম্পানীর নামে যৌথ একাউন্টে জমা দেন। দীর্ঘ দিন ধরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকি। ড্রেজারও আর আসে না। তাদের আর দেখাও মেলে না। পরে দেখা যায়, তারা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে ফাহমিদা নিজেকে সাবেক ডিআইজির মেয়ে পরিচয়ে হুমকি দিতে থাকে। যদিও যে ডিআইজির মেয়ে বলে পরিচয় দিয়েছে, সেই ডিআইজির কোন অস্তিত্ব মেলেনি।

শেষ পর্যন্ত জীবনের নিরাপত্তার জন্য গত ১০ জুন গুলশান থানায় মামলা করি। শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারি, আমি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এমন প্রতারণার ঘটনায় আমি নিঃস্ব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম

গুলশানে অভিনব কায়দায় প্রতারনা

আপডেট এর সময় : ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্ক : আজ রবিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই দাবি করেছেন ফার্স্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক আবু সাদেক। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি ২০০৩ সাল থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডব্লিউটিএ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে ঠিকাদারি ও ড্রেজিংয়ের কাজ করেন। নদী খননের জন্য একটি ড্রেজিং মেশিন আমদানী করতে গিয়ে একটি কোম্পানীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন।সুসজ্জিত অফিস আর সুন্দুরী নারী দিয়ে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে খোলা একটি কোম্পানীর প্রতারণার খপ্পড়ে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন এক ব্যবসায়ী। তিনি নদী খনন ও ড্রেজিং ব্যবসায়ী হিসেবে সরকারী তালিকাভূক্ত ঠিকাদার। নদী খননের জন্য ড্রেজার কিনতে গিয়েই প্রতারণার খপ্পড়ে পড়েন তিনি। প্রতারক চক্রটি প্রায় আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এখন টেলিফোনে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। প্রতারক চক্রটি বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরে বসে এমন প্রতারণা করে যাচ্ছে।

তানিম ও ফাহমিদা নামের দুই জন পুরো প্রক্রিয়াটি করেন। চুক্তি মোতাবেক ড্রেজারের মূল্যের ১০ শতাংশ ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আগে কোম্পানীর নামে যৌথ একাউন্টে জমা দেন। দীর্ঘ দিন ধরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকি। ড্রেজারও আর আসে না। তাদের আর দেখাও মেলে না। পরে দেখা যায়, তারা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে ফাহমিদা নিজেকে সাবেক ডিআইজির মেয়ে পরিচয়ে হুমকি দিতে থাকে। যদিও যে ডিআইজির মেয়ে বলে পরিচয় দিয়েছে, সেই ডিআইজির কোন অস্তিত্ব মেলেনি।

শেষ পর্যন্ত জীবনের নিরাপত্তার জন্য গত ১০ জুন গুলশান থানায় মামলা করি। শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারি, আমি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এমন প্রতারণার ঘটনায় আমি নিঃস্ব।