পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে চট্টগ্রামে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
টানা বৃষ্টিতে নগরের আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, বাকলিয়া, কাপাসগোলা, ফরিদার পাড়া, চান্দগাঁও, হালিশহর, পতেঙ্গা, আকমল আলী রোড, কুয়াইশসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নিচতলার বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গৃহস্থালি সামগ্রী।
বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা আহমেদ রেজা জানান, সকালে বৃষ্টির পর তার বাসার নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ে। বাধ্য হয়ে আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে ঘর থেকে বের হতেও সমস্যায় পড়েছেন তিনি।
এদিকে টানা বর্ষণের মধ্যে নগরের পতেঙ্গা এলাকায় একটি বাইপাস সড়কের অংশ ভেঙে গেছে। উড়ালসড়ক নির্মাণের জন্য তৈরি করা ওই সড়কটি ভারি বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল জানান, পতেঙ্গায় আউটার রিং রোডের সঙ্গে উড়ালসড়ক নির্মাণকাজ চলছে। এ জন্য তৈরি করা বাইপাস সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে তা দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে।

টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী
প্রতিনিধির নাম : 














