ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬১ জন গ্রেফতার Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ  ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। তিনি সে সময় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী ছিলেন।
ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর কিছুদিন পর বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন মিতু হত্যাকাণ্ডের জন্য বাবুলকে দায়ী করেন। প্রথম দিকে মামলাটি ডিবি তদন্ত করলেও ২০২০ সাল থেকে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।চট্টগ্রামে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই।    পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে মুছা নামের এক ব্যক্তিকে মোবাইলে ফোন করেন বাবুল আক্তার। সালাম দিয়ে মুছা ফোনটি রিসিভ করতেই ওপার থেকে বাবুল আক্তার বলেন, তুই কোপালি ক্যান, ৩ থেকে ৪ সেকেন্ড থেমে আবার বলেন , বল তুই কোপালি ক্যান? তোরে কোপাতে ‍কুইছি এর পর ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বাবুল আক্তার।মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যায় বাবুল আক্তার তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন আসামিদের। আদালতে দেওয়া দুই সাক্ষীর জবানবন্দি ও পিবিআইয়ের তদন্তে এ তথ্য উঠে আসে। এ ছাড়া পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও নতুন করা মামলায় লেনদেনের উল্লেখ আছে। আরো জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, স্ত্রী হত্যার তিন দিন পর বাবুল আক্তার তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার সাইফুল হককে বলেন, তাঁর লাভের অংশ থেকে তাঁকে যেন তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। সাইফুল বিকাশের মাধ্যমে ওই টাকা গাজী আল মামুনকে পাঠান। গাজী আল মামুন ওই টাকা মুসা, ওয়াসিমসহ আসামিদের ভাগ করে দেন। তবে কাকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এর আগে চট্টগ্রামে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

জনপ্রিয় সংবাদ

তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬১ জন গ্রেফতার

তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার

আপডেট এর সময় : ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১

Newsvob.com.: অনলাইন ডেস্কঃ  ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। তিনি সে সময় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী ছিলেন।
ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর কিছুদিন পর বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন মিতু হত্যাকাণ্ডের জন্য বাবুলকে দায়ী করেন। প্রথম দিকে মামলাটি ডিবি তদন্ত করলেও ২০২০ সাল থেকে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।চট্টগ্রামে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই।    পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে মুছা নামের এক ব্যক্তিকে মোবাইলে ফোন করেন বাবুল আক্তার। সালাম দিয়ে মুছা ফোনটি রিসিভ করতেই ওপার থেকে বাবুল আক্তার বলেন, তুই কোপালি ক্যান, ৩ থেকে ৪ সেকেন্ড থেমে আবার বলেন , বল তুই কোপালি ক্যান? তোরে কোপাতে ‍কুইছি এর পর ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বাবুল আক্তার।মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যায় বাবুল আক্তার তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন আসামিদের। আদালতে দেওয়া দুই সাক্ষীর জবানবন্দি ও পিবিআইয়ের তদন্তে এ তথ্য উঠে আসে। এ ছাড়া পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও নতুন করা মামলায় লেনদেনের উল্লেখ আছে। আরো জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, স্ত্রী হত্যার তিন দিন পর বাবুল আক্তার তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার সাইফুল হককে বলেন, তাঁর লাভের অংশ থেকে তাঁকে যেন তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। সাইফুল বিকাশের মাধ্যমে ওই টাকা গাজী আল মামুনকে পাঠান। গাজী আল মামুন ওই টাকা মুসা, ওয়াসিমসহ আসামিদের ভাগ করে দেন। তবে কাকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এর আগে চট্টগ্রামে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।