ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo পত্রিকা: ‘প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ’লীগপন্থী কর্মকর্তারা’ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৮ ডিসেম্বরের পর্যন্ত Logo ‘অর্ণব’ রূপ নিয়েছে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে, ৩ নম্বর সতর্কতা Logo জাহাজ নির্মাণ শিল্প: হাতছাড়া হচ্ছে অপার সম্ভাবনা Logo যুদ্ধের হিসাব, জনতার রায়—নেতানিয়াহুর ভাগ্যপরীক্ষার দিন আজ Logo যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি ধরিয়ে দিলে মিলবে ১০ লাখ ডলার: ট্রাম্প Logo ছাত্র আন্দোলন কীভাবে সার্বিয়ার ভুচিচের ১৪ বছরের ক্ষমতার পতন ঘটাল Logo নেতানিয়াহু থাকছেন নাকি বিদায় নিচ্ছেন, রায় আজ Logo সারের ডিলারে স্বজন তোষণ

যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি ধরিয়ে দিলে মিলবে ১০ লাখ ডলার: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বা আসন্ন নির্বাচনে কোনো ধরনের ভোট জালিয়াতির তথ্য দিয়ে সহযোগিতাকারীদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই লোভনীয় পুরস্কারের কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং শেষ পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত করতে সাহায্য করলেই কেবল এই অর্থ প্রদান করা হবে। মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে, ঠিক সেই সময়ে তার এই ঘোষণা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, অতীতের যেকোনো নির্বাচন কিংবা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে সংঘটিত অনিয়মের তথ্য এই পুরস্কারের আওতাভুক্ত হবে। তবে এই বিশাল অঙ্কের পুরস্কারের ঘোষণা দিলেও এর রূপরেখা বা কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ঠিক কী ধরনের তথ্য প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে কিংবা অর্থ পরিশোধের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া কেমন হবে, সে বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই ঘোষণা নিয়ে নানা ধরণের প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিয়ে বরাবরই দুই প্রধান দলের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য ও বিতর্ক রয়েছে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় পক্ষই অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই ঘোষণা সেই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও এক ধাপ উসকে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এমন অবস্থান ভোটারদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও উত্তেজনার তৈরি করেছে।

আসন্ন এই মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ভোট জালিয়াতি রোধের কথা বলে ট্রাম্পের এই পুরস্কার ঘোষণা বেশ কৌশলগত বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনো কোনো বড় প্রতিক্রিয়া না এলেও, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই ঘোষণা নির্বাচনী ফলাফল বা ভোটার উপস্থিতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin 12

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি ধরিয়ে দিলে মিলবে ১০ লাখ ডলার: ট্রাম্প

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বা আসন্ন নির্বাচনে কোনো ধরনের ভোট জালিয়াতির তথ্য দিয়ে সহযোগিতাকারীদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই লোভনীয় পুরস্কারের কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং শেষ পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত করতে সাহায্য করলেই কেবল এই অর্থ প্রদান করা হবে। মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে, ঠিক সেই সময়ে তার এই ঘোষণা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, অতীতের যেকোনো নির্বাচন কিংবা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে সংঘটিত অনিয়মের তথ্য এই পুরস্কারের আওতাভুক্ত হবে। তবে এই বিশাল অঙ্কের পুরস্কারের ঘোষণা দিলেও এর রূপরেখা বা কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ঠিক কী ধরনের তথ্য প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে কিংবা অর্থ পরিশোধের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া কেমন হবে, সে বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই ঘোষণা নিয়ে নানা ধরণের প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিয়ে বরাবরই দুই প্রধান দলের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য ও বিতর্ক রয়েছে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় পক্ষই অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই ঘোষণা সেই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও এক ধাপ উসকে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এমন অবস্থান ভোটারদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও উত্তেজনার তৈরি করেছে।

আসন্ন এই মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ভোট জালিয়াতি রোধের কথা বলে ট্রাম্পের এই পুরস্কার ঘোষণা বেশ কৌশলগত বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনো কোনো বড় প্রতিক্রিয়া না এলেও, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই ঘোষণা নির্বাচনী ফলাফল বা ভোটার উপস্থিতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।