1. rajubdnews@gmail.com : admin :
  2. newsvob57@gmail.com : News VOB : News VOB
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রণবীরের হাঁটুর বয়সি নায়িকা সারাকে কতটা চেনেন? ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত ঘাতক গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রিজওয়ানা হাসান তথ্য, আসিফ নজরুল ক্রীড়া ও আদিলুর এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় মোদির উদ্বেগ, সহায়তার প্রস্তাব অভিনব কায়দায় ইয়াবা বহনকালে ৭৮০০ পিস ইয়াবাসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন MTFE কেলেঙ্কারির তথ্য জানতে চাইছে CID ভুক্তভোগীদের রিপোর্ট করার জন্য বেশ কয়েকটি চ্যানেল উপলব্ধ সাইবার পুলিশ সেন্টার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা উচিত আজ আমার প্রিয় মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী।

জামালপুরের মেলান্দহে সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস ডাবল মার্ডার মামলার রহস্য উন্মোচন ও আসামী গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : রবিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৭৭ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com.  বিশেষ প্রতিবেদক :  গত ০১ জানুয়ারি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় নিজ ঘরের পৃথক কক্ষ হতে ১। মোছাঃ জয়ফুল বেগম (৫০) স্বামী – মৃত আকমল চৌধুরী, ২। মোছাঃ আকলিমা আক্তার @ স্বপ্না (৩২) পিতা- মৃত আকমল চৌধুরী, সাং- গোবিন্দপুর, থানা- মেলান্দহ, জেলা- জামালপুরদ্বয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।
জয়ফুল বেগমের ওমান প্রবাসী দুই ছেলে- মোঃ হাসান চৌধুরী (২৮) ও মোঃ খালেক চৌধুরী (২৬) ওমান থেকে ফোন করে তাদের মা-বোনকে না পেয়ে তাদের মামা মোঃ মানিক মিয়াকে তাদের বাড়িতে পাঠান। তাদের মামা বাড়ি যেয়ে দরজা- জানালা বন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলে পৃথক দুটি কক্ষে তার বোন ও ভাগ্নির গলাকাটা মৃতদেহ দেখতে পায়।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে ভিকটিম জয়ফুল বেগমের ভাই মোঃ মানিক মিয়া কর্তৃক অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেলান্দহ থানার মামলা নং-১, তারিখ- ০২/০১/২০২২ ইং ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ রুজু হয়।

মা এবং মেয়েকে নিজ ঘরের মধ্যে নৃশংসভাবে গলাকেটে হত্যা করে লাশ ঘরের মধ্যে রেখে ঘরের বাহিরে জিআই তার দিয়ে আটকিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়।

উক্ত ঘটনা সংগঠিত হওয়ার সাথে সাথেই বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার, জনাব মুক্তা ধর পিপিএম এর সার্বিক তদন্তের ও নির্দেশনায় সিআইডির এলআইসি শাখা ছায়া তদন্ত শুরু করে। উক্ত হত্যার ঘটনাটি কেন এবং কিভাবে সংগঠিত হয়েছে, ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, কারো সাথে পারিবারিক/ব্যবসায়িক পূর্ব কোন বিরোধ ছিল কীনা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ভিকটিমের পরিবার, ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকার বিভিন্ন উৎস হতে সরেজমিনে সংগ্রহ করা হয়।

পরবর্তীতে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণ করে সন্দিগ্ধ আসামী মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩৬) এর সাথে ঘটনার যোগসূত্র পাওয়া যায়। উক্ত আসামীকে গ্রেফতারের জন্য সম্ভাব্য সকল স্থানে গ্রেফতারী অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে এলআইসির একটি চৌকস টীম নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল এলাকা হতে উক্ত আসামীকে ইং ০৮/০১/২০২২ তারিখ রাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানায় যে, প্রায় ৫ বছর পূর্বে নারায়ণগঞ্জে অবস্থানকালে অত্র মামলার ভিকটিম স্বপ্নার সাথে আসামী- মোঃ আনোয়ার হোসেন এর পরিচয়ের সূত্রধরে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন যাবৎ আনোয়ার হোসেন স্বপ্নার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করলেও স্বপ্নার জোড়ালো অসম্মতির কারণে সেটা সম্ভব হয়নি।

প্রায় ২০/২৫ দিন যাবৎ আনোয়ার হোসেন স্বপ্নার বড় ভাই মোঃ জহুরুল চৌধুরী (৩৫) এর বাড়িতে বিল্ডিং নির্মাণের কাজ করে আসছিলো। ঘটনার দিন স্বপ্না আসামী আনোয়ারকে ডেকে বলে যে, তার ও তার মায়ের প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করছে। সে যেন কাজ শেষ করে তাদের জন্য ঔষধ নিয়ে আসে। কাজ শেষে সন্ধ্যার পর আনোয়ার তাদের বাড়ী যেয়ে স্বপ্নার সাথে গল্প করতে থাকে। একপর্যায়ে, স্বপ্না ও তার মায়ের রাতের খাবার শেষ হলে আনোয়ারের নিকট ঔষধ চাইলে- আনোয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে তার সাথে নিয়ে আসা ঘুমের ঔষধকে মাথা ব্যাথার ঔষধ হিসেবে প্রত্যেককে ৩টি করে ট্যাবলেট দেয়।

স্বপ্না ও তার মা আনোয়ারের কথায় বিশ্বাস করে ঔষধ খেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে একই রুমে ঘুমিয়ে পড়ে। তখন দীর্ঘদিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় থাকা আনোয়ার হোসেন তার অবৈধ যৌন কামনা চরিতার্থ করার হীন উদ্দেশ্যে অচেতন স্বপ্নাকে কোলে করে তার মায়ের রুম হতে পাশের রুমে নিয়ে যাবার একপর্যায়ে স্বপ্না জেগে যায়।

তখন আনোয়ার জোরপূর্বক তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করলে স্বপ্না প্রাণপণে বাঁধা দেয়। আনোয়ার হোসেন তার অসৎ উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে ঘরে থাকা গৃহস্থলী কাজে ব্যবহৃত ধারালো বটি দিয়ে স্বপ্না এবং স্বপ্নার মা জয়ফুল বেগমকে গলায় কুপিয়ে হত্যা করে দরজা বন্ধ করে দ্রত ঘটনাস্থল হতে পলায়ন করে।

আসামী তার অসৎ উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে তরকারি কাটার ধারালো বটি দিয়ে বৃদ্ধা মোছাঃ জয়ফুল বেগম ও তার মেয়ে মোছাঃ আকলিমা আক্তার @ স্বপ্নাকে গলাকেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার অজ্ঞাতনামা আসামীকে দ্রততম সময়ে চিহ্নিতপূর্বক গ্রেফতার সিআইডি তথা বাংলাদেশ পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন

আপনার স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © News Voice of Bangladesh
Theme Customized BY LatestNews