বর্তমানে দেশে ই-টিআইএনধারীর সংখ্যা ৩৬ লাখের বেশি হলেও নিয়মিত বার্ষিক রিটার্ন দেন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ লাখ টিআইএনধারী। তাঁদের মধ্যে ১০ শতাংশ কোনো কর দেন না, তাঁরা ‘জিরো রিটার্ন’ দেন। যত আয়কর আদায় হয়, এর মধ্যে করপোরেট কর ও প্রাতিষ্ঠানিক কর আদায়ের পরিমাণ তিন-চতুর্থাংশ। বাকি এক-চতুর্থাংশ কর আসে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের কাছ থেকে। নতুন করদাতা খুঁজে বের করার লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়ছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) নতুন করদাতা খুঁজে বের করার যে লক্ষ্য ছিল, তার মাত্র ৩০ শতাংশ অর্জন করতে পেরেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বাড়ি বাড়ি কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে সারা দেশ থেকে গত জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে সোয়া ২ লাখ নতুন করদাতা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। অথচ সারা বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার নতুন করদাতা খুঁজে বের করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর জরিপ অঞ্চল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এই কর জরিপ অঞ্চল সূত্রে আরও জানা গেছে, নতুন করদাতা খুঁজে বের করার কাজে গতি আনতে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়োজিত করা হবে। তাঁরা বড় শহরের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন করদাতা খুঁজবেন। এনবিআর এখনো সনাতনী পদ্ধতিতে চলছে। তারা অটোমেশন ব্যবস্থায় যেতে চায় না। অটোমেশনের জন্য এই পর্যন্ত অনেক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।