র্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গি ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। আমরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছি। র্যাব সবসময় মানবাধিকারকে সমুন্নত রেখে দায়িত্ব পালন করবে, এটিই নতুন পরিকল্পনা। তিনি বলেন, যখন নির্বাচন হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তখন নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকে। সামনে যে নির্বাচন, তাতে সব দল অংশ নেবে।
নির্বাচন যাতে সুষ্ঠ ও নিরাপদ হয়, সেই মূল দায়িত্ব আমরা পালন করব। নিষেধাজ্ঞা শিথিল হচ্ছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্ভাবনা আছে। তারা যেসব বিষয়ে জানতে চেয়েছিল সেগুলোর অনেক কিছু ফেক (ভুয়া) ছিল, তাদেরকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমরা সাক্ষ্য-প্রমাণ যতকিছু দিয়েছি, তারা সন্তুষ্ট। তিনি আরও বলেন, যারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, তারা এখন র্যাবের ভূয়সী প্রশংসা করছে।
দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে আমাদের অনেকে জীবন দিয়েছেন। আদালত থেকে দুই জঙ্গি সদস্য ছিনতাই প্রসঙ্গে র্যাব ডিজি বলেন, দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অবশ্যই আমাদের ব্যর্থতা ছিল।
শুধু পুলিশকে এককভাবে বলি না, পুলিশের সঙ্গে সবার একটি সমন্বয় থাকার কথা ছিল। সেখানে সমন্বয়ের কোথাও অভাব ছিল। তিনি বলেন, সেখানে যেভাবে লোক থাকার কথা ছিল, কিংবা যখন তারা রওনা করেছে, তখন যে তথ্য জানানোর কথা ছিল, সেই জায়গাগুলোতে কোথাও অভাব ছিল, যার কারণে এমনটা হয়েছে।