ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ Logo ১৫ বছর পর আবারও একসঙ্গে শাহরুখ-কারিনা, ‘কিং’-এ বিশেষ চমক Logo একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে ডিসেম্বরে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম: মাহ্দী আমিন Logo কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণের প্রশংসায় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া

প্রবাসীর স্ত্রীর ৬ টুকরা লাশ উদ্ধার;

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৪০৩ বার পঠিত হয়েছে

Newsvob.com. নিজস্ব প্রতিবেদক : অদ্য ১৯/০২/২০২২ইং তারিখে সিআইডি এক প্রেস ব্রিফিং এ সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্ত ধর বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানাধীন পৌরসভার ব্যারিস্টার আঃ মতিন মার্কেটের “অভি মেডিকেল হল” নামীয় একটি ঔষধের দোকান হতে শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) স্বামী- ছরকু মিয়া, সাং- নারকেলতলা, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ এর ৬ টুকরা করা লাশ উদ্ধার করা হয়। শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) এর স্বামী সৌদি আরব প্রবাসী।

ফার্মেসীর ভিতর প্রবাসীর স্ত্রীর ৬ টুকরা লাশ পাওয়ার ঘটনাটি দেশব্যাপী বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়।

উক্ত ঘটনা সংগঠিত হওয়ার সাথে সাথেই বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার, জনাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায় সিআইডির এলআইসি শাখা ছায়া তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই বাছাই করে ঘটনার সাথে ১। জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০) পিতা- যাদব চন্দ্র গোপ, মাতা- অনিতা রানী গোপ, ২। অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) পিতা- মৃত রসময় চন্দ্র গোপ, মাতা- উত্তরা রানী গোপ, উভয় সাং- শহিলা (শৈলা), থানা- ইটনা, জেলা- কিশোরগঞ্জ এবং আসামী- ৩। অসীত গোপ (৩৬) পিতা- পতিত পাবন গোপ, মাতা- অঞ্জলী রানী গোপ, সাং-সুয়াইর অলিপুর, থানা- মোহনগঞ্জ, জেলা- নেত্রকোনার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

এলআইসি’র একাধিক চৌকস টীম তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য সম্ভাব্য সকল স্থানে গ্রেফতারী অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি’র ভাটারা থানাধীন নুরের চালা এলাকা হতে ১৮/০২/২০২২ ইং তারিখ আসামী- ১। জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০)কে এবং সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পৌর এলাকা হতে আসামী- ২। অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) ও ৩। অসীত গোপ (৩৬)কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা স্বীকার করে যে, শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) ২০১৩ সাল থেকে পৌর শহরের নিজ মালিকানাধীন বাসায় ২ ছেলে ও ১ মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে আসছিল। তার স্বামী- ছরকু মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ সৌদি আরবে চাকরি করেন। পরিবারের সকল সদস্যদের ঔষধ পত্র জিতেশের মালিকানাধীন “অভি মেডিকেল হল” নামীয় ফার্মেসী হতে ক্রয় করার সুবাধে জিতেশের সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। শাহনাজ পারভীন জোৎস্না কিছুদিন যাবৎ বেশ কিছু গোপনীয় শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উক্ত সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে সুপরামর্শের জন্য ইং ১৬/০২/২০২২ তারিখ বিকাল বেলায় জিতেশের ফার্মেসীতে আসলে ফার্মেসীর ভিতরে প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষে তাকে বসিয়ে রাখা হয় এবং কাস্টমারের ভিড় কমলে তার সাথে কথা বলে সমস্যার সমাধানের জন্য সঠিক ঔষধ তাকে প্রদান করা হবে মর্মে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

এদিকে রাত্রি যতো গভীর হয়, ভিকটিমের বাসায় দ্রুত ফেরার অস্থিরতা ততো বেড়ে যায়। এদিকে আসামী- জিতেশ চন্দ্র গোপ তার বন্ধু মুদি মালের দোকানদার অনজিৎ গোপ (৩৩) ও পাশের অরুপ ফার্মেসীর মালিক অসীত গোপ (৩৬) তার ফার্মেসীর প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষে অপেক্ষায় রাখা শাহনাজ পারভীন জোৎস্নার বিষয়ে বললে তারা শাহনাজ পারভীন জোৎস্নাকে ধর্ষণ করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক আসামী- জিতেশ (৩০) ভিকটিমকে তার চিকিৎসার কথা বলে ঘুমের ঔষধ সেবন করালে সে উক্ত স্থানেই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তাকে ফার্মেসীর ভিতর রেখেই আসামী- জিতেশ (৩০) বাহিরে তালা দিয়ে চলে যায়।

আশপাশের সব দোকান বন্ধ হলে এবং রাত আরো গভীর হলে তারা পুনরায় তালাবদ্ধ ফার্মেসী খুলে তাতে প্রবেশ করে এনার্জি ড্রিংকস পান করে। তারপর তারা ভিকটিমকে জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের বিষয়টি শাহনাজ তার পরিবারের সদস্য ও অন্যান্যদের নিকট প্রকাশ করার কথা বললে, আসামীরা তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। সে মোতাবেক তারা পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিমের পরিহিত ওড়না গলায় পেঁচিয়ে এবং বিশ্রাম কক্ষে থাকা বালিশ দিয়ে মুখে চেপে ধরে তাকে হত্যা করে। তারপর লাশটি ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা, দুই হাত, দুই পা এবং বুক- পেটসহ ৬টি অংশে বিভক্ত করে ফেলে। দোকানে থাকা ঔষধের কার্টুন দিয়ে খন্ডিত অংশগুলো ঢেকে রেখে ফার্মেসী তালা দিয়ে তারা চলে যায়। পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে ভিকটিম শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) এর লাশের খন্ডিত অংশগুলো মাছের খামারে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে জানায়।

উক্ত  চাঞ্চল্যের  হত্যাকান্ডের বিষয়ে মৃতের ভাই- হেলাল আহমদ (৫০) কর্তৃক জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০) এর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার মামলা নং- ০৮/১৫, তারিখ- ১৭/০২/২০২২ ইং ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ রুজু হয়। চিকিৎসার কথা বলে প্রতারণামূলকভাকে অপেক্ষায় রেখে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পরবর্তীতে নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশটিকে ৬টি অংশে বিভক্ত করার চাঞ্চল্যকর ঘটনার আসামীদেরকে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চাঞ্চল্যের হত্যা ঘটনাটি সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার সিআইডি তথা বাংলাদেশ পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

নিউজ ভয়েস অফ বাংলাশে-  জে/ রশীদ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News VOB

মোদি সরকারের মাথাব্যথা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কংগ্রেসের বাইরেও বাড়ছে চাপ

প্রবাসীর স্ত্রীর ৬ টুকরা লাশ উদ্ধার;

আপডেট এর সময় : ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

Newsvob.com. নিজস্ব প্রতিবেদক : অদ্য ১৯/০২/২০২২ইং তারিখে সিআইডি এক প্রেস ব্রিফিং এ সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্ত ধর বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানাধীন পৌরসভার ব্যারিস্টার আঃ মতিন মার্কেটের “অভি মেডিকেল হল” নামীয় একটি ঔষধের দোকান হতে শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) স্বামী- ছরকু মিয়া, সাং- নারকেলতলা, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ এর ৬ টুকরা করা লাশ উদ্ধার করা হয়। শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) এর স্বামী সৌদি আরব প্রবাসী।

ফার্মেসীর ভিতর প্রবাসীর স্ত্রীর ৬ টুকরা লাশ পাওয়ার ঘটনাটি দেশব্যাপী বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়।

উক্ত ঘটনা সংগঠিত হওয়ার সাথে সাথেই বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার, জনাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায় সিআইডির এলআইসি শাখা ছায়া তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই বাছাই করে ঘটনার সাথে ১। জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০) পিতা- যাদব চন্দ্র গোপ, মাতা- অনিতা রানী গোপ, ২। অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) পিতা- মৃত রসময় চন্দ্র গোপ, মাতা- উত্তরা রানী গোপ, উভয় সাং- শহিলা (শৈলা), থানা- ইটনা, জেলা- কিশোরগঞ্জ এবং আসামী- ৩। অসীত গোপ (৩৬) পিতা- পতিত পাবন গোপ, মাতা- অঞ্জলী রানী গোপ, সাং-সুয়াইর অলিপুর, থানা- মোহনগঞ্জ, জেলা- নেত্রকোনার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

এলআইসি’র একাধিক চৌকস টীম তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য সম্ভাব্য সকল স্থানে গ্রেফতারী অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি’র ভাটারা থানাধীন নুরের চালা এলাকা হতে ১৮/০২/২০২২ ইং তারিখ আসামী- ১। জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০)কে এবং সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পৌর এলাকা হতে আসামী- ২। অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) ও ৩। অসীত গোপ (৩৬)কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা স্বীকার করে যে, শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) ২০১৩ সাল থেকে পৌর শহরের নিজ মালিকানাধীন বাসায় ২ ছেলে ও ১ মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে আসছিল। তার স্বামী- ছরকু মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ সৌদি আরবে চাকরি করেন। পরিবারের সকল সদস্যদের ঔষধ পত্র জিতেশের মালিকানাধীন “অভি মেডিকেল হল” নামীয় ফার্মেসী হতে ক্রয় করার সুবাধে জিতেশের সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। শাহনাজ পারভীন জোৎস্না কিছুদিন যাবৎ বেশ কিছু গোপনীয় শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উক্ত সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে সুপরামর্শের জন্য ইং ১৬/০২/২০২২ তারিখ বিকাল বেলায় জিতেশের ফার্মেসীতে আসলে ফার্মেসীর ভিতরে প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষে তাকে বসিয়ে রাখা হয় এবং কাস্টমারের ভিড় কমলে তার সাথে কথা বলে সমস্যার সমাধানের জন্য সঠিক ঔষধ তাকে প্রদান করা হবে মর্মে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

এদিকে রাত্রি যতো গভীর হয়, ভিকটিমের বাসায় দ্রুত ফেরার অস্থিরতা ততো বেড়ে যায়। এদিকে আসামী- জিতেশ চন্দ্র গোপ তার বন্ধু মুদি মালের দোকানদার অনজিৎ গোপ (৩৩) ও পাশের অরুপ ফার্মেসীর মালিক অসীত গোপ (৩৬) তার ফার্মেসীর প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষে অপেক্ষায় রাখা শাহনাজ পারভীন জোৎস্নার বিষয়ে বললে তারা শাহনাজ পারভীন জোৎস্নাকে ধর্ষণ করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক আসামী- জিতেশ (৩০) ভিকটিমকে তার চিকিৎসার কথা বলে ঘুমের ঔষধ সেবন করালে সে উক্ত স্থানেই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তাকে ফার্মেসীর ভিতর রেখেই আসামী- জিতেশ (৩০) বাহিরে তালা দিয়ে চলে যায়।

আশপাশের সব দোকান বন্ধ হলে এবং রাত আরো গভীর হলে তারা পুনরায় তালাবদ্ধ ফার্মেসী খুলে তাতে প্রবেশ করে এনার্জি ড্রিংকস পান করে। তারপর তারা ভিকটিমকে জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের বিষয়টি শাহনাজ তার পরিবারের সদস্য ও অন্যান্যদের নিকট প্রকাশ করার কথা বললে, আসামীরা তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। সে মোতাবেক তারা পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিমের পরিহিত ওড়না গলায় পেঁচিয়ে এবং বিশ্রাম কক্ষে থাকা বালিশ দিয়ে মুখে চেপে ধরে তাকে হত্যা করে। তারপর লাশটি ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা, দুই হাত, দুই পা এবং বুক- পেটসহ ৬টি অংশে বিভক্ত করে ফেলে। দোকানে থাকা ঔষধের কার্টুন দিয়ে খন্ডিত অংশগুলো ঢেকে রেখে ফার্মেসী তালা দিয়ে তারা চলে যায়। পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে ভিকটিম শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৫) এর লাশের খন্ডিত অংশগুলো মাছের খামারে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে জানায়।

উক্ত  চাঞ্চল্যের  হত্যাকান্ডের বিষয়ে মৃতের ভাই- হেলাল আহমদ (৫০) কর্তৃক জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০) এর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার মামলা নং- ০৮/১৫, তারিখ- ১৭/০২/২০২২ ইং ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ রুজু হয়। চিকিৎসার কথা বলে প্রতারণামূলকভাকে অপেক্ষায় রেখে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পরবর্তীতে নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশটিকে ৬টি অংশে বিভক্ত করার চাঞ্চল্যকর ঘটনার আসামীদেরকে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চাঞ্চল্যের হত্যা ঘটনাটি সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার সিআইডি তথা বাংলাদেশ পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

নিউজ ভয়েস অফ বাংলাশে-  জে/ রশীদ