ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

একসাথে জেডিসি পাশ করলেন বাবা-ছেলে

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮
  • ১১৩ বার পঠিত হয়েছে

একসাথে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় পাশ করেছে বাবা-ছেলে। তারা হলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ৭নং রায়গ্রাম ইউনিয়নের খামারমুন্দিয়া গ্রামের বাবলু হোসেন ও তার ছেলে মেহেদি হাসান।

সোমবার দুপুরে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে বাবা বাবলুর রহমান পেয়েছে জিপিএ ২.৭২ এবং ছেলে মেহেদী হাসান পেয়েছে জিপিএ ২.০৬। উপজেলার খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করে তারা।
বাবুল হোসেন জানান, শিক্ষার কোন বয়স নেই। এছাড়া আমার অনেক দিনের ইচ্ছা আলেম হওয়া। যে কারনে আমি ছেলের সাথে জেডিসি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। এ পরীক্ষায় পাশ করলে দাখিল ও আলিম পরীক্ষা দিয়ে যতদুর সম্ভব পড়তে চাই।

তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে দেশে প্রচলিত সাধারন শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করি। এরপর এইচএসসি ভর্তি হয় কিন্তু সাংসারিক চাপের কারনে আর লেখা-পড়া হয়নি। তারপর থেকে আমার ইচ্ছা ছিল একদিন না একদিন লেখা-পড়া শেষ করবো। সেই ইচ্ছা থেকে এবার জেডিসি পরীক্ষা দিয়ে শুরু করলাম।

মাদরাসা সুপার মো. রবিউল ইসরাম জানান, বাবুল হোসেন বলেছিল সার্টিফিকেটের জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য আমি পড়তে চাই। যে কারনে আমি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিলাম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

একসাথে জেডিসি পাশ করলেন বাবা-ছেলে

আপডেট এর সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮

একসাথে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় পাশ করেছে বাবা-ছেলে। তারা হলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ৭নং রায়গ্রাম ইউনিয়নের খামারমুন্দিয়া গ্রামের বাবলু হোসেন ও তার ছেলে মেহেদি হাসান।

সোমবার দুপুরে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে বাবা বাবলুর রহমান পেয়েছে জিপিএ ২.৭২ এবং ছেলে মেহেদী হাসান পেয়েছে জিপিএ ২.০৬। উপজেলার খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করে তারা।
বাবুল হোসেন জানান, শিক্ষার কোন বয়স নেই। এছাড়া আমার অনেক দিনের ইচ্ছা আলেম হওয়া। যে কারনে আমি ছেলের সাথে জেডিসি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। এ পরীক্ষায় পাশ করলে দাখিল ও আলিম পরীক্ষা দিয়ে যতদুর সম্ভব পড়তে চাই।

তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে দেশে প্রচলিত সাধারন শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করি। এরপর এইচএসসি ভর্তি হয় কিন্তু সাংসারিক চাপের কারনে আর লেখা-পড়া হয়নি। তারপর থেকে আমার ইচ্ছা ছিল একদিন না একদিন লেখা-পড়া শেষ করবো। সেই ইচ্ছা থেকে এবার জেডিসি পরীক্ষা দিয়ে শুরু করলাম।

মাদরাসা সুপার মো. রবিউল ইসরাম জানান, বাবুল হোসেন বলেছিল সার্টিফিকেটের জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য আমি পড়তে চাই। যে কারনে আমি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিলাম।