ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

মেলায় বিক্রি হচ্ছে কবরের জন্য জমি

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • ১৫৯ বার পঠিত হয়েছে

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে পাঁচ দিনব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ার-২০১৯। মেলায় গতানুগতিক জমি ও ফ্ল্যাটের বাইরে কবরের জন্য জমি বিক্রি করছে এমআইএস হোল্ডিংস। মেলায় ৩১ নম্বর স্টলে কবরের জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে বুকিং নিচ্ছে কোম্পানিটি। জমির দাম ধরা হয়েছে সাড়ে তিন লাখ টাকা।

এমআইএস হোল্ডিংসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পূর্বাচল রাওজাতুল জান্নাত প্রকল্পের আওতায় বুকিং নেয়া হচ্ছে কবরের জমির। প্রায় ২০০ বিঘা জমির উপর ৮ হাজার কবরের সংকুলান হবে এখানে। ইতোমধ্যে দুই হাজার কবরের জমি তৈরি করা হয়েছে।

৭ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৩.৫ ফুট প্রস্থের (২৪.৫ বর্গফুট) এসব জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আর এককালীন সার্ভিস চার্জ ১৫ হাজার টাকা। মোট ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে একটি কবর।

প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘ঢাকা শহরে এখন আর কোথাও স্থায়ী কবর বরাদ্দ পাওয়া যায় না। তবে আমরা এখানে স্থায়ী কবর দিচ্ছি। যিনি জমি কিনবেন তাকে সাব-কাবলা রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে। এই জমি আর কাউকে দেয়া হবে না। আমাদের এখানে শুধু কবরস্থান করা হবে, তা নয়। এখানে মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিমখানাও করা হচ্ছে। যারা এখানে জমি কিনবেন তাদের টাকার একটি অংশ থেকে এগুলো করা হবে।’

আফরোজা সুলতানা আরো বলেন, ‘কবর বুকিং দেওয়া কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার স্বজনরা আমাদের জানানো মাত্রই মরদেহ সম্পর্কিত সকল আনুষ্ঠানিকতা আমরাই করবো। মরদেহের গোসল করানো, জানাজা ও দোয়াসহ দাফনও আমাদের লোক দিয়েই করে দেবো। আর সবসময় ২৪ ঘণ্টা কবরের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করবো। এই সবকিছু ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার মধ্যেই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম

মেলায় বিক্রি হচ্ছে কবরের জন্য জমি

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে পাঁচ দিনব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ার-২০১৯। মেলায় গতানুগতিক জমি ও ফ্ল্যাটের বাইরে কবরের জন্য জমি বিক্রি করছে এমআইএস হোল্ডিংস। মেলায় ৩১ নম্বর স্টলে কবরের জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে বুকিং নিচ্ছে কোম্পানিটি। জমির দাম ধরা হয়েছে সাড়ে তিন লাখ টাকা।

এমআইএস হোল্ডিংসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পূর্বাচল রাওজাতুল জান্নাত প্রকল্পের আওতায় বুকিং নেয়া হচ্ছে কবরের জমির। প্রায় ২০০ বিঘা জমির উপর ৮ হাজার কবরের সংকুলান হবে এখানে। ইতোমধ্যে দুই হাজার কবরের জমি তৈরি করা হয়েছে।

৭ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৩.৫ ফুট প্রস্থের (২৪.৫ বর্গফুট) এসব জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আর এককালীন সার্ভিস চার্জ ১৫ হাজার টাকা। মোট ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে একটি কবর।

প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘ঢাকা শহরে এখন আর কোথাও স্থায়ী কবর বরাদ্দ পাওয়া যায় না। তবে আমরা এখানে স্থায়ী কবর দিচ্ছি। যিনি জমি কিনবেন তাকে সাব-কাবলা রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে। এই জমি আর কাউকে দেয়া হবে না। আমাদের এখানে শুধু কবরস্থান করা হবে, তা নয়। এখানে মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিমখানাও করা হচ্ছে। যারা এখানে জমি কিনবেন তাদের টাকার একটি অংশ থেকে এগুলো করা হবে।’

আফরোজা সুলতানা আরো বলেন, ‘কবর বুকিং দেওয়া কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার স্বজনরা আমাদের জানানো মাত্রই মরদেহ সম্পর্কিত সকল আনুষ্ঠানিকতা আমরাই করবো। মরদেহের গোসল করানো, জানাজা ও দোয়াসহ দাফনও আমাদের লোক দিয়েই করে দেবো। আর সবসময় ২৪ ঘণ্টা কবরের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করবো। এই সবকিছু ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার মধ্যেই।’