Blog

  • সড়কে ঝরল ৭ প্রাণ

    সড়কে ঝরল ৭ প্রাণ

    গোপালগঞ্জের হরিদাসপুরে বাস-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহিন্দ্রার ড্রাইভারসহ অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বাসের ভিতরে এখনও অনেক মানুষ আটকা রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ২০ জন।

    বৃহস্পতিবার (২০ ডিসম্বের) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ : ফখরুল

    প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ : ফখরুল

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনে ব্যালট পেপার ছাপানোর কথা বলছেন, সেটি তো আপনাদের কাজ। আপনাদের সেই ক্ষমতা আছে, আপনারাই সেটা করবেন। ব্যালট আপনারাই ছাপাবেন, আর সে কথা আগাম বলে দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ে পেশাজীবীদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন ফখরুল।

    এসময় মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘নিজেরাই আগাম ব্যালট পেপার ছাপানোর কথা বলছেন। এটাই প্রধানমন্ত্রীর ভালো গুণ, তিনি যা করবেন, তা আগে বলে দেন।’

    তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যে আশার আলো দেখা দিয়েছিল, সেটি জনগণ তিনটি নির্বাচনে গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বুঝতে পারল, জনগণের ভালোবাসার আস্থা তারা ধরে রাখতে পারবে না। তখনই একটি রায়ের মাধ্যমে সেটি বাতিল করে দিলো।’

    বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এরই মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। আমরা সব সময় মনে করেছি, এ নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে। একটি দিন তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য।’

  • বেডরুম হচ্ছে বাংলাদেশে আর রান্নাঘর ভারতে! রেজাউল মণ্ডলের অদ্ভুত এই বাড়ি

    বেডরুম হচ্ছে বাংলাদেশে আর রান্নাঘর ভারতে! রেজাউল মণ্ডলের অদ্ভুত এই বাড়ি

    বেডরুম হচ্ছে বাংলাদেশে – থাকেন ভারতে কিন্তু তার বেডরুম বাংলাদেশে। অবশ্য রান্নাঘরটি ভারতেই। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও ঘটনা সত্য। স্থানীয় লোকজন এ বৃদ্ধাকে চেনেন ‘বাংলাদেশ-ভারতের’ নাগরিক হিসেবে।

    বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে তার পরিচয় ৩৯/১১ এস পিলারের বাসিন্দা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বয়রা উত্তরপাড়া একটি গ্রাম। এ গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল মণ্ডল। বয়স তার ৬৫। কাগজে-কলমে তিনি ভারতের নাগরিক। তাকে নিয়েই অসম্ভব মজার ঘটনা।

    ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বহুপরিবার। বদলে যায় সেসব পরিবারের ঠিকানা। তবে রেজাউল মণ্ডলের জীবন কাহিনী একেবারেই আলাদা। এমন কাহিনী ওঠে এসেছে অনলাইন টু সার্কলস ডট নেটের এক প্রতিবেদনে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তরেখা ভাগ করেছে তার বাড়ি। রেজাউল মণ্ডলের জন্ম ভারতে। ভারতের ভূমিতেই জন্ম হয়েছিল তার দাদা-পিতার। রেজাউল মণ্ডলের মতে, গ্রামের পরিবারদের মধ্যে তারা ছিলেন উচ্চবিত্ত। কিন্তু দেশ ভাগের কারণে বেশির ভাগ সম্পত্তি বেহাত হয়ে গেছে। মাত্র ১৬ বিঘা জমির মালিক তিনি।

    এর অর্ধেক পড়েছে ভারতে। আর অর্ধেক বাংলাদেশে। দুই দেশেই খাজনা দিয়ে থাকেন তিনি। বাংলাদেশের জমি চাষাবাদ করে শস্য নিয়ে যান ভারতে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চেকআপের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। এখন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আচরণ রূঢ় হওয়ার কারণে নিজের জমির ফসল প্রায়ই দেশে ফেরত নিতে পারেন না রেজাউল। নিজের জমিতে মুক্তভাবে চলাচলেরও অধিকার নেই তার। সীমান্ত বেড়া অতিক্রম করতে তাকে নানা ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়। বাংলাদেশে প্রবেশের আগে তার ভোটার আইডি কার্ড জমা দিতে হয় বিএসএফ চেকপোস্টে।

    উত্তর বয়রা গ্রামের অপর পাশে বাংলাদেশের গাঁদাদহারপুর গ্রাম। বাংলাদেশের যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার এ গ্রামের নথিপত্রেও বাসিন্দা হিসেবে রেজাউল মণ্ডলের নাম উল্লেখ রয়েছে। খাজনা দেয়ার কারণেই বাসিন্দা হিসেবে তার ঠিকানা রয়েছে। রেজাউল মণ্ডল বাড়ির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, প্রতিটি জরিপেই তার বাড়ি বিভক্ত হয়েছে দু’টি দেশে। এ কারণে বর্তমানে তার বেডরুম বাংলাদেশে আর রান্নাঘরটি ভারতে। আর ধান শুকানোর আঙিনা এবং গোয়ালঘর পড়েছে ভারতে। তাকে তার বাড়ির পুনর্নিমার্ণের অনুমতিও দেয়া হয় না। উত্তর বয়রা গ্রামে ৬০ পরিবারের বাস। কেবল মাত্র রেজাউল মণ্ডলের বাড়িটিই পড়েছে সীমান্তরেখার অধিকারে।

    ভারত ও পাকিস্তানের অর্ধেক নাগরিক হিসেবে বসবাসের স্মৃতিও স্মরণ করেন রেজাউল মণ্ডল। রেজাউল মণ্ডল অর্ধেক বাংলাদেশি আর অর্ধেক ভারতীয়।

    নিজের জীবন নিয়ে সুখী, জানান রেজাউল মণ্ডল। তার চার ছেলে ইয়ারুল, আমিরুল, হাবিবুর এবং হাফিজুর। দুই কন্যা মার্জিনা ও সেলিনা। ছোট ছেলে হাফিজুর পশ্চিমবঙ্গে পুলিশে যোগ দিয়েছেন। রেজাউল মণ্ডলের স্ত্রী আলেয়া মণ্ডল বলেন, আমরা এখানে শান্তিপূর্ণভাবেই আছি। বাংলাদেশে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।

  • ‘প্রত্যেক পরিবারের একজনকে চাকরি দেয়া হবে’

    ‘প্রত্যেক পরিবারের একজনকে চাকরি দেয়া হবে’

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণায় বলেছেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে প্রত্যেক পরিবারের একজনকে চাকরি দেয়া হবে। তিনি যাহা বলেন, তাহা করেন।’

    বুধবার দুপুরে নোয়াখালীর-৫ আসনের কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের এক নির্বাচনী পথ সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা নারীদের সম্মান দিয়েছেন। আগে সন্তান জন্ম হলে নিবন্ধনে বাবার নাম থাকতো, এখন নিবন্ধনে মায়ের নাম সংযুক্ত করেছেন। এই কাজটি করে আমাদের নেত্রী নারীদের সম্মানিত করেছেন।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নোয়াখালী-৫ আসনের ৯৩% এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করেছে। বিএনপির নেতা তারেক রহমান বিদ্যুৎ এর খাম্বা ব্যবসা করেছে। মানুষের মাঝে খাম্বা ছাড়া কিছুই দিতে পারে নাই। সব দলের কাছে শুধু একটা কথা নোয়াখালীর দুঃখ হল নোয়াখালীর খাল। সে খালের কাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে হচ্ছে। এ কাজের বিনিময়ে আমাকে সকল দলের লোকজন ভোট দিবেন।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিগত বছরগুলোতে সাড়ে ৪ হাজার বেকার যুবকের চাকরির ব্যবস্থা করেছি। আগামীতে নির্বাচিত হলে প্রত্যেক এলাকায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। সোনাপুর জোরালগঞ্জ সড়কসহ এ এলাকায় রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট বাকি রাখি নাই। গ্রামাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার করার জন্য শেখ হাসিনা সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২শত কোটি টাকা ব্যয়ে মুছাপুর ক্লোজারের কাজ শেষ করে এ এলাকার জনগণকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।’

    নরোত্তমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম সিরাজ উল্লার সভাপতিত্বে পথসভায় উপস্থিত ছিলেন- কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়াহান, বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. এ কে এম জাফর উল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রুমি, কবিরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আলাবক্স তাহের টিটু।

  • ভাইরাল তন্ময়ের স্ত্রীর ভাষণ (ভিডিও)

    ভাইরাল তন্ময়ের স্ত্রীর ভাষণ (ভিডিও)

    তন্ময়ের স্ত্রীর ভাষণ- সুদর্শন, বিনয়ী, তেজোদীপ্ত ও তারুণ্যের প্রতীক শেখ সারহান নাসের তন্ময় শেখ পারিবারের সর্ব কনিষ্ঠ সদস্য। বঙ্গবন্ধু পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতিতে আসা এ তরুণ বাগেরহাট-২ আসন থেকে একাদশ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হয়েছেন।

    তন্ময় লন্ডন থেকে উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে ২০১৫ সালে বিয়ে করেন। তার স্ত্রীর নাম শেখ ইফরাহ তন্ময়। তন্ময়ের স্ত্রী একজন শিক্ষক।

    স্বামীর সঙ্গে ইফরাহও নেমেছেন নির্বাচনী প্রচারণায়। তিনি বিভিন্ন স্থানে গিয়ে আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চাচ্ছেন। স্বামী তন্ময়ের মত তিনিও নজড় কেড়েছেন সবার।

    রাজনীতিতে শেখ পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্য হিসেবে এরই মধ্যে তন্ময় সবার নজর কেড়েছেন। বজ্রকণ্ঠের অধিকারী তন্ময় ‘সিনেমার নায়কের’ মতোই সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তন্ময়ের সুদর্শন চেহারার কারণে অনেকেই তাকে সিনেমার নায়ক হিসেবে দেখারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই শেখ আবু নাসেরের ছেলে শেখ হেলাল উদ্দীন এমপির একমাত্র ছেলে তন্ময়। তন্ময়ের বাবা শেখ হেলাল উদ্দীন এবারও বাগেরহাট-১ থেকে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন। আর মেজো চাচা শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল খুলনা-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন।

    ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী যখন বাগেরহাট-১ আসনে নির্বাচন করেন, তখন থেকেই তন্ময় রাজনীতিতে সক্রিয় হতে শুরু করেন। ওই সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর বিদেশে পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে দেশে এলেই দলীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

    শামীম ওসমানের জন্য ভোট চাইলেন বিএনপি নেতার ছেলে

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী একেএম শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করে ভোট চেয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিনের ছেলে নাসিক ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাদরিল।

    সোমবার সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সাদরিলকে নিয়ে নৌকার পক্ষে গণসংযোগ করেছেন শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান লিপি।

    বিকেল সাড়ে ৩টায় সিদ্ধিরগঞ্জের ৫নং ওয়ার্ডের রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এ সময় একই আসনে বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের ছেলে নাসিক ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাদরিল ফুল দিয়ে সালমা ওসমান লিপিকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নৌকার পক্ষে মিছিল করে ভোট চান।

    এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান লিপি বিএনপির সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে যান। এ সময় গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী ও কাউন্সিলর সাদরিলের সঙ্গে প্রায় ৫০ মিনিটের বৈঠক করেন। পরে এক রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান লিপি।

    সালমা ওসমান লিপি বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাইলে আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করতে হবে। কারণ, নৌকা মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন, তাই দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিন।

    তিনি বলেন, যদি ভালো কিছু ভবিষ্যতে পেতে চান, তাহলে বর্তমান সরকারকে আপনারা নির্বাচিত করে পুনরায় ক্ষমতায় আনবেন। আওয়ামী লীগ সরকার এই রাষ্ট্রের জন্য, আমাদের সন্তানদের জন্য কি করেছে তা এখন দৃশ্যমান। আওয়ামী লীগকে আবারও নির্বাচিত করা আপনাদের দায়িত্ব।

    এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মহিলা লীগের নেত্রী রোকেয়া রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মন্ডল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব হোসেন প্রমুখ।

    ঢাকা থেকে বিভাগীয় শহরগুলোতে বুলেট ট্রেন হবে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের জন্য ঢাকা ও বিভাগীয় শহরের মধ্যে বুলেট ট্রেন চালু করা হবে। এছাড়া, দেশের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোকে আধুনিকায়ন করা হবে।’

    আবার ক্ষমতায় এলে একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দরগুলোর আধুনিকায়ন কাজও ত্বরান্বিত করা হবে।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এবার ক্ষমতায় এলে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরের মধ্যে বুলেট ট্রেন চালু করা হবে।’

    মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    বিগত ১০ বছরে যোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ সময়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক মজবুত, সম্প্রসারণ, সংস্কার বা কার্পেটিং করেছে।

    ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ, নবীনগর-চন্দ্রাসহ এ পর্যন্ত প্রায় ৪২০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চারলেন বা তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীত করা হয়েছে।

    কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ করা হয়েছে। ৯১৪টি সেতু, ৩ হাজার ৯৭৭টি কালভার্ট নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।’

    ইশতেহারে ঢাকা মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় মেট্রোরেল বাস্তবায়ন করার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে,

    মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের ডিসেম্বর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত অংশ পরের বছর ডিসেম্বর মাসের মধ্যে শেষ হবে। তৃতীয় পর্যায়ে পল্লবী থেকে উত্তরা পর্যন্ত ৪.৭ কিলোমিটার অংশ চালু হবে ২০২২ সালে।’

    হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের কুতুবখালী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ চার-লেন বিশিষ্ট প্রথম ঢাকা এলিভেটড এক্সপ্রেসওয়ে তিনটি পর্বে নির্মিত হওয়ার কথা ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিমানবন্দর থেকে আশুলিয়া হয়ে চন্দ্রা পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আরেকটি এলিভেটেড এক্সপ্র্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।

    এছাড়া, ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নামে সাভারের হেমায়েতপুর হতে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ে

    ইশতেহারে আগামী ৫ বছরে প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

    রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা কথাও বলা হয়েছে ইশতেহারে।

    মহাসড়কের পাশে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের নিরপত্তার জন্য আন্ডারপাস/ওভারপাস র্নিমাণ করা এবং উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করার জন্য যমুনা নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ করার অঙ্গীকার করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, প্রকৌশলী, বুদ্ধিজীবী, তরুণ সমাজের প্রতিনিধি, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, দেশি-বিদেশি সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • এবার বাংলাদেশের উন্নতিতে আক্ষেপ ইমরান খানের

    এবার বাংলাদেশের উন্নতিতে আক্ষেপ ইমরান খানের

    বাংলাদেশের উন্নতি দেখে আক্ষেপ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। যেই পাকিস্তান বাংলাদেশ ‘শাসন’ করেছিলো, সেই বাংলাদেশের সব খাতে অদম্য গতিতে উন্নতি দেখে এমন আক্ষেপ করেছেন তিনি।

    বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব সূচকে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল লাল-সবুজের এই দেশ।

    একাত্তরে বাংলাদেশে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতন চালায় পাকিস্তানি সেনারা। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের ২৩ বছর শোষণের অবসান ঘটে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ।

    আর এতেই ঈর্ষান্বিত বাংলাদেশ শোষণ করা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সদ্য মসনদে বসা ইমরান খান।

    চলতি বছরের ৫ ডিসেম্বর ইসলামাবাদে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের উন্নতির সঙ্গে নিজ দেশের অর্থনীতির তুলনা করে আক্ষেপ করতে শোনা যায় তাকে।

    সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) যখন আলাদা হয়ে বাংলাদেশ হয় তখন আমাদের অনেকে বলেছিলেন, তারা (পূর্ব পাকিস্তান) আমাদের জন্য বড় মাপের বোঝা ছিলো। নিজের কানেই আমি এসব শুনেছি।’

    ‘সেই পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) আজ সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে। তাদের দূরদর্শী চিন্তার জন্যই এমনটা হয়েছে।’

    দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে শোষণ-নিপীড়নে নিষ্পেষিত করতে চেয়েছিল যে পাকিস্তান, এখন অনেক কিছুতে তার চেয়ে এগিয়ে আছে দেশটি।

    গত ৪৬ বছরের অগ্রগতিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ এখন পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ ১ হাজার ৫৩৮ ডলার। সেখানে পাকিস্তানের তা ১ হাজার ৪৭০ ডলার।
    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় এখন ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলার।

    বাংলাদেশকে অনুকরণীয় হিসেবে ধরে পাকিস্তানের উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে ইমরান খানকে পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির বিভিন্ন পেশাজীবীরাও।

    তাদেরই একজন সাংবাদিক জাইঘাম খান। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, অর্থনীতি, মানবিক উন্নয়ন সূচক, সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন- ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানি এই সাংবাদিক বলেন, বাংলাদেশই হওয়া উচিত পাকিস্তানের উন্নয়নের মডেল। আমার মতে পাকিস্তানের সামনে শেখার জন্য উদাহারণ হিসেবে যে কয়েকটি দেশ আছে, তার মধ্যে একটি বাংলাদেশ।

  • ‘আয়াতুল কুরসি’ আল্লাহর অপূর্ব দান

    পবিত্র কোরআন মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার বাণী। যা মানুষের প্রয়োজনের জন্য নাজিল করা হয়েছে। পাশাপাশি আল্লাহ শুরুতেই এর সত্যায়ন করেছেন যে, এ কিতাবে কোনো সন্দেহ সংশয় নেই।

    কোরআনের মধ্যে এমন কোনো কিছু নেই যা মানবজাতির কল্যাণে লিপিবদ্ধ হয়নি। এ জন্যই আল্লাহ এ কোরআনকে মানব জাতির হিদায়াত ও জীবন বিধান হিসেবে নাজিল করেছেন।

    পাঠকদের জন্য আজ আয়াতুল কুরসির ফজিলত তুলে ধরা হলো-

    আয়াতুল কুরসি কোরআনুল কারিমের সবচেয়ে বড় সূরা ‘সূরা আল-বাক্বারার ২৫৫ তম আয়াত’। যা সমগ্র কোরআনের সবচেয়ে বড় আয়াতও বটে। এ সূরার রয়েছে অনেক ফজিলত।

    এর ফজিলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত ওবাই ইবনে কা’বকে জিজ্ঞাস করলেন সবচেয়ে ফজিলত ও গুরুত্বপূর্ণ আয়াত কোনটি? ওবাই ইবনে কা’ব আরজ করলেন, সেটি হচ্ছে আয়াতুল কুরসি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সমর্থন করলেন এবং বললেন, হে আবুল মানজার! তোমাকে এ উত্তম জ্ঞানের জন্য ধন্যবাদ। (মুসনাদে আহমদ)

    আয়াতুল কুরসির ফজিলত:

    > রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ফরজ সালাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠকারীর জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য আর কোনো বাধা থাকে না মৃত্যু ব্যতিত। (নাসাঈ)

    > শয়নকালে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত তার হেফাজতের জন্য একজন ফেরেশতা পাহারায় নিযুক্ত থাকে। যাতে শয়তান তার নিকটবর্তী হতে না পারে। (বুখারি)

    > হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আয়াতুল কুরসি কোরআনের অন্যসব আয়াতের সর্দার বা নেতা। আয়াতটি যে ঘরে পড়া হবে, সে ঘর থেকে শয়তান বের হয়ে যাবে।

    > যে লোক প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করবে, তার জন্য বেহেশতে প্রবেশের একমাত্র বাধা হচ্ছে মৃত্যু। অর্থাৎ সে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই বেহেশতের ফলাফল ও আরাম আয়েশ ভোগ করতে থাকবে।

    > হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন দেখতে পেলেন একজন আগন্তুক সদকার মাল চুরি করতেছে তখন তিনি আগন্তুকের হাত ধরে বললেন, ‘আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব’। তখন আগন্তুক বলে যে সে খুব অভাবি আর তার অনেক প্রয়োজন। তাই দয়া করে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে ছেড়ে দিলেন। পরদিন সকালে রাসূল রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে আসার পর তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলেন ‘গতকাল তোমার অপরাধী কী করছে?’ হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন তাকে ক্ষমা করার কথা বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘অবশ্যি সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে আর সে আবার আসবে।’ পরদিন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু অপেক্ষায়, যখন সে আবারো চুরি করতে আসল তখন তিন তাকে পাকড়াঁও করলেন আর বললেল, ‘এবার অবশ্যই আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব।’ এবারও সেই বলে যে- সে খুব অভাবি আর তার অনেক প্রয়োজন আর শপথ করে যে আর আসবে না। পরদিন আবারো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি একই জবাব দেন আর তখন তিনি বলেন, ‘আসলেই সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে আর সে আবার আসবে।’ পরদিনও আবার হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু চোরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন আর যখন সে আবারো চুরি করতে আসল তখন তিনি তাকে পাকড়াঁও করলেন আর বললেন ‘এবার অবশ্যই আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। তুমি বার বার শপথ করো আর চুরি করতে আসো।’ সে যখন দেখল এবার সে সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিয়ে যাবে তখন অবস্থা বেগতিক দেখে সে বলে, ‘আমাকে মাফ কর। আমি তোমাকে এমন কিছু বলে দিব যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাকে কল্যাণ দান করবেন।’ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সেটা জানতে চাইলে চোর বলে, ‘যখন ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমাবে তাহলে আল্লাহ তোমার জন্য একজন পাহাড়াদার নিযুক্ত করবে, যে তোমার সঙ্গে থাকবে আর কোনো শয়তান সকাল পর্যন্ত তার কাছে আসতে পারবে না।’ এটা শুনে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে ছেড়ে দিলেন।

    পরদিন রাসূল রাদিয়াল্লাহু আনহু আবার অপরাধীর কথা জানতে চাইলে তিনি আগের রাতের কথা বললেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘যদিও সে চরম মিথ্যাবাদী কিন্তু সে সত্য বলেছে’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, ‘তুমি কি জানো সে কে?’ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন,‘না’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন , ‘সে হচ্ছে শয়তান।’ (বুখারি)

    আয়তুল কুরসী:

    اَللهُ لآ إِلهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ، لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ، لَهُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ، مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيْطُوْنَ بِشَيْئٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَآءَ، وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَلاَ يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ-

    বাংলা উচ্চারণ:

    আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাঊম। লাহূ মা ফিস্ সামা-ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ’ ই’ন্দাহূ ইল্লা বিইজনিহি। ইয়া’লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতূনা বিশাইয়্যিম্ মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ’ ওয়াসিআ’ কুরসিইয়্যুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়াউ’দুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল আ’জিম। (সূরা আল-বাক্বারা আয়াত-২৫৫)

    অর্থ :

    আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। কোনো তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁরই মালিকানাধীন। তাঁর হুকুম ব্যতিত এমন কে আছে যে, তাঁর নিকটে সুফারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও পিছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতুটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন তা ব্যতিত। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান ও জমিন পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলোর তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান’।

    আয়াতের মর্যাদার কারণ:

    এ আয়াতটিতে ১০টি বাক্য রয়েছে। যার প্রত্যেকটি আল্লাহর একত্ববাদের স্বীকৃতি, গুনাবলি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হয়েছে-

    ১. তিনিই আল্লাহ যিনি ব্যতিত ইবাদতের উপযুক্ত আর কোনো ইলাহ নেই

    ২. আলহাইয়্যুল কাইয়্যুম- তিনি সদা জীবিত এবং বিদ্যমান

    ৩. লা তা’খুজুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম- আল্লাহ তায়ালা তন্দ্রা ও নিন্দ্রা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত

    ৪. লাহু মা ফিসসামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ্বি- আকাশ এবং জমিনের যা কিছু রয়েছে তার সবাই আল্লাহর মালিকানাধীন

    ৫. মানজাল্লাজি…বিইজনিহি- সৃষ্টি কোনো বস্তুই আল্লাহর চেয়ে বড় নয় বিধায় এমন কে আছে যে তাঁর সামনে তাঁর অনুমতি ব্যতিত সুপারিশ করতে পারে?

    ৬. ইয়া’লামু… খালফাহুম- মানুষের জন্মের পূর্বে এবং জন্মের পরের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা জানেন

    ৭. ওয়ালা ইউহিতুনা…বিমাশা আ- সমস্ত সৃষ্টির জ্ঞান মিলে একত্রিত হয়ে আল্লাহর জ্ঞানের কোনো একটি অংশ বিশেষকেও পরিবেষ্টিত করতে পারে না

    ৮. ওয়াসিআ’… ওয়াল আরদ্বি- তাঁর কুরসি এতো বড় যে, সাত আসমান ও সাত জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে

    ৯. ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা- আল্লাহর নিকট এত বৃহৎ দুইটি সৃষ্টি আসমান-জমিনের হেফাজত করা কোনো কঠিন কাজ নয়

    ১০. ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আজিম- তিনি অতি উচ্চ এবং অতি মহান।

    এই পুরো আয়াতটিই আল্লাহর একত্ববাদ ও মর্যাদার গুণগান বিধায় আল্লাহ এ আয়াতের মধ্যে অনেক ফজিলত রেখেছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে আয়াতুল কুরসির আমল করার এবং কোরআন অনুযায়ী জীব্ন যাপন করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

  • এবার ব্যাংক ক্লোজিং ২৭ ডিসেম্বর

    এবার ব্যাংক ক্লোজিং ২৭ ডিসেম্বর

    নির্বাচনের কারণে এবার ব্যাংকের বার্ষিক হিসাব ক্লোজিং হবে ২৭ ডিসেম্বর। তবে যথারীতি ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে পালিত হবে।

    ব্যাংক হলিডের দিন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সব শাখা খোলা থাকলেও ওই দিন লেনদেন হয় না। ফলে সাপ্তাহিক ছুটি, ভোট ও ব্যাংক হলিডের কারণে ২৮ ডিসেম্বর থেকে টানা চারদিন স্বাভাবি ব্যাংকিং লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    তবে এ সময়ের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং ব্যাংকগুলোর এটিএম বুথ থেকে লেনদেন করা যাবে।

    ব্যাংক ক্লোজিং বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মঙ্গলবার একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সকল তফসিলি ব্যাংকের চলতি বছরের বার্ষিক হিসাব ক্লোজিং আগামী ২৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করা হলো। ৩১ ডিসেম্বর যথারীতি ব্যাংক হলিডে অপরিবর্তিত থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ২৭ ডিসেম্বরের পরের দু’দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহীক ছুটি। আর ৩০ ডিসেম্বর রোববার নির্বাচনের কারণে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। যে কারণে ব্যাংক ক্লোজিং ২৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এটিএম বুথ, অনলাইন ব্যাংকিংয়ে লেনদেন করা যাবে। ফলে গ্রাহকদের কোনো সমস্যা হবে না।

  • জাফরানের রোগ নিরাময়ের জাদুকরী ক্ষমতা

    জাফরানের রোগ নিরাময়ের জাদুকরী ক্ষমতা

    মসলা বাজারে সবচেয়ে দামি অবস্থানে আছে জাফরান। নামের বাহারেও আছে স্যাফরন বা কেশর হিসেবে পরিচিত। এই মশলার ব্যাবহার চলে সুস্বাদু অনেক খাবারে।খাবারের ঘ্রাণ আর রঙ বাড়িয়ে তুলতে জাফরানের জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু ঘ্রাণ বা রঙবাহারে সীমাবদ্ধ নয় রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে রোগ নিরাময়ে জাদুকরী ক্ষমতা।

    কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

    মাত্র ১ চিমটি জাফরান আপনাকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। যেমন- জাফরানে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিত রোগ দূর করে। আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সারিয়ে তুলতেও সহায়তা করে। হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।

    জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে বিশ্রাম করতে সহায়তা করে। আমাদের মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হয়।মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের শারীরিক সমস্যা দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই। নিয়মিত জাফরান খেলে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে সহায়তা করে।
    জাফরানের ক্রোসিন নামক উপাদানটি অতিরিক্ত জ্বর কমায়।

    কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

    ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে পান করলে অনিদ্রা সমস্যা দূর হবে।
    সামান্য একটু জাফরান নিয়ে মাড়িতে ম্যাসেজ করলে মাড়ি,দাঁত এবং জিহ্বার নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জাফরান দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের ছানি পড়া সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে।
    জাফরানের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং দুর্বলতা দূর করতে অব্যর্থ ঔষধ।

    অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সামান্য একটু খানি জাফরান। জাফরানের ক্যানসার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে। জাফরান দেহের কলেস্টরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
    কিডনি, যকৃৎ এবং মুত্রথলির রোগ থেকে মুক্তি দেয় জাফরান। পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উত্থান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান। ত্বকে ঔজ্জ্বল্য বাড়ায় এবং বলিরেখা দূর করতে সহায়তা করে।

    কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

  • জাতীয় প্রেসক্লাবে সভাপতি সাইফুল, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা

    জাতীয় প্রেসক্লাবে সভাপতি সাইফুল, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা

    জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে ৬২১ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শওকত মাহমুদ পেয়েছেন

    ৪৩১ ভোট। অন্য দিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ৫৬৯ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াস খান পেয়েছেন ৪০৬ ভোট।

    বরাবরের মতো এবারও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম তথা আওয়ামী লীগ ও জাতীয়তাবাদী ফোরাম বিএনপি সমর্থিত দু’টি প্যানেলে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে এ দুই প্যানেলে যারা স্থান পাননি তারা স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে একটানা বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পর্ব চলে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন মো. শাহ আলমগীর। এবছর ১ হাজার ২১২টি ভোটের মধ্যে ১ হাজার ৭২টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

    জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটি দু’বছর মেয়াদের (২০১৯-২০২০) এ নির্বাচনে এবার ১৭ সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটির বিপরীতে ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    অন্য নির্বাচিতরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতির একটি পদে বাসসের মো. ওমর ফারুক ৪৪২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন ৪১৪। সহ-সভাপতির একটি পদে বাংলাদেশের খবরের আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া ৫৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নূরুল হাসান খান।

    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত দুজন হলেন দৈনিক সমকালের শাহেদ চৌধুরী ও দৈনিক ইত্তেফাকের মাইনুল আলম। শাহেদ চৌধুরী ৫৯৯ ভোট ও মাইনুল আলম পান ৫৫৪ ভোট।

    কোষাধ্যক্ষ পদে ৫৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক ভোরের কাগজের শ্যামল দত্ত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী রওনাক হোসেন পেয়েছেন ৪০৪ ভোট।

    সদস্য পদে নির্বাচিত কুদ্দুস আফ্রাদ (৫১৫), শামসুদ্দীন আহমেদ চারু (৫০৭), রেজওয়ানুল হক রাজা (৪৮৪), শাহনাজ বেগম (ডেইলি অবজারভার) (৪৬২),মো. সানাউল হক (৪৪২),কল্যাণ সাহা (৪৩৯), জাহিদুজ্জামান ফারুক (৪২৯),সৈয়দ আবদাল আহমদ (৪১৭), বখতিয়ার রানা (৪০১), হাসান আরেফিন (৩৯১) ভোট পেয়ে সদস্য পদে নির্বাচিত।

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আওয়ামী ফোরাম থেকে পূর্ণ প্যানেল নির্বাচিত। শুধুমাত্র সদস্য পদে তিনজন জাতীয়বাদী ফোরাম থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।